ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান

কানাডায় তাপদাহের কারণে দাবানল

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তাপদাহের কারণে কানাডার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দাবানল শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের লিটন নামে একটি গ্রামের ৯০ শতাংশই দাবানলে পুড়ে গেছে। বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

বাতাসের প্রবাহের কারণে আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ছে দাবানল। ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কানাডার পশ্চিমাঞ্চল এবং যুক্তরাষ্টের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে তাপদাহ অব্যাহত রয়েছে।

চলতি সপ্তাহে লিটনে কানাডার ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। উপকূলীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও মধ্যাঞ্চলের দিকে সরে যাচ্ছে তাপ প্রবাহ।

অ্যালবার্টা, সাসকাচেওয়ান এবং ম্যানিটোবা প্রদেশের কিছু অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার রাজধানী ভ্যানকুভারে ২৫টি কুলিং সেন্টার খোলা হয়েছে। প্রদেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫শ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে মারা গেছেন ৬৩ জন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১
২০ বার পঠিত হয়েছে

কানাডায় তাপদাহের কারণে দাবানল

আপডেট এর সময় : ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তাপদাহের কারণে কানাডার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দাবানল শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের লিটন নামে একটি গ্রামের ৯০ শতাংশই দাবানলে পুড়ে গেছে। বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

বাতাসের প্রবাহের কারণে আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ছে দাবানল। ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কানাডার পশ্চিমাঞ্চল এবং যুক্তরাষ্টের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে তাপদাহ অব্যাহত রয়েছে।

চলতি সপ্তাহে লিটনে কানাডার ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। উপকূলীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও মধ্যাঞ্চলের দিকে সরে যাচ্ছে তাপ প্রবাহ।

অ্যালবার্টা, সাসকাচেওয়ান এবং ম্যানিটোবা প্রদেশের কিছু অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার রাজধানী ভ্যানকুভারে ২৫টি কুলিং সেন্টার খোলা হয়েছে। প্রদেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫শ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে মারা গেছেন ৬৩ জন।