ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার Logo ইরানে সরকারবিরোধী ২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর Logo মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকা ভুয়া বিদ্যুত বিল, জিএম বরখাস্ত, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম

আবার বুদ্ধিজীবী হত্যার আরেকটি নীলনকশা করছে শেখ হাসিনা

প্রতিনিধির নাম :

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি : রাজবাড়ী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী বাবু বলেছেন, আজকের এই বুদ্ধিজীবী দিবসে আমরা একটি জিনিস লক্ষ্য করেছি, ভারতে বসে আরেকটি নীলনকশা হতে পারে। সেখানে বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা হতে পারে। এই দেশকে অশান্ত করে ভারতে বসে থেকে হত্যাকারী শেখ হাসিনা বিভিন্ন পরিকল্পনা করছে।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় লোকশেড বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী বাবু বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হতে যাচ্ছিল তার ঠিক কিছুদিন আগে পাকিস্তানি স্বৈরাচার বাহিনী বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এটা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম একটি দিন। এই বুদ্ধিজীবী হত্যার নীল নকশা যারা করেছিল তাদেরকে আমরা স্বৈরাচার বলি। ১৪ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে বুদ্ধিজীবীদের তুলে নিয়ে বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। সেই হত্যার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যারা হত্যা করেছিল তাদের বিচার করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ী জেলা বিএনপি আজকের এই দিনে বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচারের দাবি করছে। ৫আগস্ট স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। আমরা আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে চাই না এই বাংলাদেশে। কারণ এই দেশের জন্য ৩০ লাখ শহীদ জীবন দিয়েছে, ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতহানি হয়েছে এবং পাশাপাশি বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছে। যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বড় বড় কথা বলেছিল তারা বিচার করেনি এই বুদ্ধিজীবী হত্যার। তারা নিজেদের বিচার নিয়ে ব্যস্ত ছিল। আমরা বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার চাই।

এ সময়ে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারন-অর-রশীদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. রেজাউল করিম পিন্টু, জেলা বিএনপির নেতা আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব এ কে এম সিরাজুল আলম চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম রোমান সহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা বালিয়াকান্দি রাজবাড়ী

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
১৩ বার পঠিত হয়েছে

আবার বুদ্ধিজীবী হত্যার আরেকটি নীলনকশা করছে শেখ হাসিনা

আপডেট এর সময় : ০২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি : রাজবাড়ী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী বাবু বলেছেন, আজকের এই বুদ্ধিজীবী দিবসে আমরা একটি জিনিস লক্ষ্য করেছি, ভারতে বসে আরেকটি নীলনকশা হতে পারে। সেখানে বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা হতে পারে। এই দেশকে অশান্ত করে ভারতে বসে থেকে হত্যাকারী শেখ হাসিনা বিভিন্ন পরিকল্পনা করছে।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় লোকশেড বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী বাবু বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হতে যাচ্ছিল তার ঠিক কিছুদিন আগে পাকিস্তানি স্বৈরাচার বাহিনী বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এটা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম একটি দিন। এই বুদ্ধিজীবী হত্যার নীল নকশা যারা করেছিল তাদেরকে আমরা স্বৈরাচার বলি। ১৪ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে বুদ্ধিজীবীদের তুলে নিয়ে বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। সেই হত্যার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যারা হত্যা করেছিল তাদের বিচার করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ী জেলা বিএনপি আজকের এই দিনে বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচারের দাবি করছে। ৫আগস্ট স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। আমরা আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে চাই না এই বাংলাদেশে। কারণ এই দেশের জন্য ৩০ লাখ শহীদ জীবন দিয়েছে, ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতহানি হয়েছে এবং পাশাপাশি বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছে। যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বড় বড় কথা বলেছিল তারা বিচার করেনি এই বুদ্ধিজীবী হত্যার। তারা নিজেদের বিচার নিয়ে ব্যস্ত ছিল। আমরা বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার চাই।

এ সময়ে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারন-অর-রশীদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. রেজাউল করিম পিন্টু, জেলা বিএনপির নেতা আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব এ কে এম সিরাজুল আলম চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম রোমান সহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা বালিয়াকান্দি রাজবাড়ী