ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন Logo যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo বরগুনায় জেলা ফল মেলার উদ্বোধন Logo বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান Logo আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের Logo চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী Logo স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভারতের বিপক্ষে টাইগারদের নখদন্তহীন ব্যাটিংয়ে আরও একবার সমালোচনায় বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম :

খেলাধুলা :  বৈশ্বিক আসরে বাংলাদেশের বড় কোনো সাফল্য নেই বললেই চলে। প্রতিনিয়তই আইসিসি ইভেন্টে নাকানিচুবানি খায় টাইগাররা। এবারও ভারতের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নখদন্তহীন ব্যাটিংয়ে আরও একবার সমালোচনায় বাংলাদেশ দল। তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে মান রক্ষা হলেও ৩৫ রানে ৫ উইকেট হারানো দলটার সামর্থ্য নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। দুবাইতে শান্তদের হারের কারণ হিসেবে ব্যাটিং ও ফিল্ডিং ইউনিটকেই দায়ী করেছেন ভারতের দুই সাবেক ক্রিকেটার শেবাগ ও সঞ্জয় মাঞ্জরেকার।

দ্রুত ৫ উইকেট হারানোটাই বাংলাদেশের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়, এমনটাই মনে করেন বীরেন্দ্র শেবাগ। ভারতের সাবেক এই আগ্রাসী ব্যাটার বলছেন খুব সহজেই উইকেট দিয়ে এসেছে সৌম্য, শান্ত, মুশফিকরা। তাওহীদের ব্যাটিং হৃদয় ছুয়ে গেছে শেবাগের। তবে জাকের আলীর সাথে তার জুটিটা আরও বড় হতে পারতো বলে মনে করেন সাবেক এ ভারতীয় ক্রিকেটার।

বীরেন্দ্র শেবাগ বলেন, উইকেটে আসলে বোলারদের জন্য তেমন কিছু ছিলো না। বল বিবেচনা করলে সহজেই রান করা উচিত ছিলো। বাংলাদেশি ব্যাটাররা উইকেট খুব সহজেই দিয়ে এসেছে। তবে এটাও বলতে হবে ভাগ্য সহায় ছিলো না তাদের। ইনসাইড এজেও আউট হয়েছে তারা।

তিনি আরও বলেন, হৃদয় খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। দ্রুত ৫ উইকেট পড়ার পর কাজটা খুব সহজ ছিলো না, মাঝে মাঝে স্লো হয়ে যাচ্ছিল। জাকেরের সাথে তাঁর জুটি একটু বড় হলে ২৭০ রানও হতে পারতো। তবে বোলিংয়ে শামি বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।

এদিকে সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ও বিশ্লেষক সঞ্জয় মাঞ্জরেকার বলছেন ফিল্ডিং ব্যর্থতাও বাংলাদেশের হারের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে লোকেশ রাহুলের যে ক্যাচটা ধরতে পারেনি জাকের আলী অনিকের পিচ্ছিল হাত, সেটাকে ম্যাচের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এ ক্রিকেট বিশ্লেষক।

সঞ্জয় মাঞ্জরেকার বলেন, লোকেশ রুহুলের যে ক্যাচটা ছেড়েছে জাকের আলী সেটা ম্যাচের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট। আমি এটা বলছি না রাহুল আউট হলে ভারত হেরে যেত। তবে উইকেটে তখন কিছুটা সহায়তা ছিলো। ভারত একটু প্যানিক করলেই বাংলাদেশ লড়াইটা জমিয়ে তুলতে পারতো।

ভারত ম্যাচের মতোই সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের টপ অর্ডারের ব্যর্থতা নিয়মিত চিত্র হয়ে দাড়িয়েছে। গ্রুপ পর্বের পরের দুই ম্যাচে সেই ধারা অব্যাহত থাকলে আইসিসি ইভেন্টে ভরাডুবির গল্পটা থাকবে চলমান।

উল্লেখ্য, আইসিসি ইভেন্টে ভারতের বিপক্ষে একটিমাত্র জয় রয়েছে বাংলাদেশের। ২০০৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছিল হাবিবুল বাশারের দল। এরপর গত ১৮ বছরে ভারতের বিপক্ষে বৈশ্বিক আসরে মেন ইন ব্লু’দের বিপক্ষে জিততে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার সেই সময়টা আরও দীর্ঘ হলো।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
৭ বার পঠিত হয়েছে

ভারতের বিপক্ষে টাইগারদের নখদন্তহীন ব্যাটিংয়ে আরও একবার সমালোচনায় বাংলাদেশ

আপডেট এর সময় : ০১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খেলাধুলা :  বৈশ্বিক আসরে বাংলাদেশের বড় কোনো সাফল্য নেই বললেই চলে। প্রতিনিয়তই আইসিসি ইভেন্টে নাকানিচুবানি খায় টাইগাররা। এবারও ভারতের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নখদন্তহীন ব্যাটিংয়ে আরও একবার সমালোচনায় বাংলাদেশ দল। তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে মান রক্ষা হলেও ৩৫ রানে ৫ উইকেট হারানো দলটার সামর্থ্য নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। দুবাইতে শান্তদের হারের কারণ হিসেবে ব্যাটিং ও ফিল্ডিং ইউনিটকেই দায়ী করেছেন ভারতের দুই সাবেক ক্রিকেটার শেবাগ ও সঞ্জয় মাঞ্জরেকার।

দ্রুত ৫ উইকেট হারানোটাই বাংলাদেশের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়, এমনটাই মনে করেন বীরেন্দ্র শেবাগ। ভারতের সাবেক এই আগ্রাসী ব্যাটার বলছেন খুব সহজেই উইকেট দিয়ে এসেছে সৌম্য, শান্ত, মুশফিকরা। তাওহীদের ব্যাটিং হৃদয় ছুয়ে গেছে শেবাগের। তবে জাকের আলীর সাথে তার জুটিটা আরও বড় হতে পারতো বলে মনে করেন সাবেক এ ভারতীয় ক্রিকেটার।

বীরেন্দ্র শেবাগ বলেন, উইকেটে আসলে বোলারদের জন্য তেমন কিছু ছিলো না। বল বিবেচনা করলে সহজেই রান করা উচিত ছিলো। বাংলাদেশি ব্যাটাররা উইকেট খুব সহজেই দিয়ে এসেছে। তবে এটাও বলতে হবে ভাগ্য সহায় ছিলো না তাদের। ইনসাইড এজেও আউট হয়েছে তারা।

তিনি আরও বলেন, হৃদয় খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। দ্রুত ৫ উইকেট পড়ার পর কাজটা খুব সহজ ছিলো না, মাঝে মাঝে স্লো হয়ে যাচ্ছিল। জাকেরের সাথে তাঁর জুটি একটু বড় হলে ২৭০ রানও হতে পারতো। তবে বোলিংয়ে শামি বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।

এদিকে সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ও বিশ্লেষক সঞ্জয় মাঞ্জরেকার বলছেন ফিল্ডিং ব্যর্থতাও বাংলাদেশের হারের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে লোকেশ রাহুলের যে ক্যাচটা ধরতে পারেনি জাকের আলী অনিকের পিচ্ছিল হাত, সেটাকে ম্যাচের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এ ক্রিকেট বিশ্লেষক।

সঞ্জয় মাঞ্জরেকার বলেন, লোকেশ রুহুলের যে ক্যাচটা ছেড়েছে জাকের আলী সেটা ম্যাচের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট। আমি এটা বলছি না রাহুল আউট হলে ভারত হেরে যেত। তবে উইকেটে তখন কিছুটা সহায়তা ছিলো। ভারত একটু প্যানিক করলেই বাংলাদেশ লড়াইটা জমিয়ে তুলতে পারতো।

ভারত ম্যাচের মতোই সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের টপ অর্ডারের ব্যর্থতা নিয়মিত চিত্র হয়ে দাড়িয়েছে। গ্রুপ পর্বের পরের দুই ম্যাচে সেই ধারা অব্যাহত থাকলে আইসিসি ইভেন্টে ভরাডুবির গল্পটা থাকবে চলমান।

উল্লেখ্য, আইসিসি ইভেন্টে ভারতের বিপক্ষে একটিমাত্র জয় রয়েছে বাংলাদেশের। ২০০৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছিল হাবিবুল বাশারের দল। এরপর গত ১৮ বছরে ভারতের বিপক্ষে বৈশ্বিক আসরে মেন ইন ব্লু’দের বিপক্ষে জিততে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার সেই সময়টা আরও দীর্ঘ হলো।