ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন Logo যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo বরগুনায় জেলা ফল মেলার উদ্বোধন Logo বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান Logo আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের Logo চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী Logo স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিরীহ জনগণকে নির্যাতন কারী মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই শাহাজাহান এখন ও বহাল তবিয়তে

প্রতিনিধির নাম :

বরেন্দ্র অঞ্চল প্রতিনিধি: ফ্যাসিস্ট বিদায় হলেও পুলিশ বিভাগে এখনো ফ্যাসিস্টদের দোসর বিচরন করছেন। অনেক পুলিশ অফিসার এখনো সাধারন মানুষের জন্য মুর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনি একজন বগুড়ার মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ.এস.আই শাহজাহান আলী। এলাকায় নিরীহ মানুষকে হয়রানি ভয়ভীতি ও ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করে নির্যাতন করে চলেছে তিনি। তার ভয়ে মানুষের সাধারন জীবনযাপন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। এছড়াও ভুয়া নম্বর প্লেট বসিয়ে চোরাই মোটরসাইকেল ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও নেয়া হচ্ছে না কোন ব্যবস্থা। বগুড়া পুলিশ সুপার রহস্যজনক ভুমিকা পালন করছে।

জানা যায়, গত ৯ মে রা এএসআই শাহজাহান শিবগঞ্জ থানার ৯নং দেউলী ইউনিয়নের লক্ষ্মীকোলা সোনারপাড়া গ্রামের ওবাইদুলের বাড়ীতে রাত ১১টার দিকে অভিযান চালায়। ওয়ারেন্ট আছে বলে তাদেরকে আটক করেন। তাৎক্ষনিক ওবায়দুল আদালতের জামিনের রিকল কাগজ দেখালেও তাদেরকে ছাড়েন না। এমনকি থানায় জমা দেয়া আছে বললেও তাতে রাজি হন না। বিএনপির ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন এ.এসআইকে রিকলের বিষয়টি জানালেও ইউপি চেয়ারম্যানের সাথেও অশোভন আচরন করন। মহিলা পুলিশ না নিয়েও এএসআই শাহজাহান মহিলা আসামীর হাত ধরে টানাটানি ও মারধর করে হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে থানায় নিয়ে আসেন। ভোররাতের দিকে ভুক্তভোগীরা রিকলের কাগজ নিয়ে চ্যালেঞ্জ করলে খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা ও সিএনজির বিল খরচ বাবদ ৭০০ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে এএসআই শাহজাহান আলীকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে তাদেরকে দেয়। এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন মিডিয়া প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছে না। এ নিয়ে সাধারন মধ্যে না প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ভুক্তভোগী ওবায়দুল বলছেন, ফাড়ী থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ী গিয়ে দেখেন বিছানার তোষকের নিকট থাকা ভাঙ্গারীর ব্যবসা করা ৩০ হাজার টাকাও নিয়ে গেছে এএসআই শাহজাহান আলী। ঘটনাটি সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে জানাজানি হলে এএসআই শাহজাহান স্থানীয় কতপিয় ব্যক্তির মাধ্যমে তাদেরকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। এমনকি ভুক্তভোগী পরিবারটিকে অন্য মামলায় ফাসানোর বলেও বিভিন্ন লোকজনের মারফত হুমকি দিচ্ছে এ.এসআই শাহজাহান। এ অবস্থায় মুর্তিমান আতঙ্ক এ.এসআই শাহজাহান আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল। এছাড়াও এ.এস.আই শাহজাহান আলী মোকাতলা তদন্ত কেন্দ্রে যোগদানের পর থেকেই সাধারন মানুষকে বিনা কারন হয়রানি করলে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও এএসআই শাহজাহান দিনাজপুর ল-১১-৪৮৯০ নম্বরের প্লেট বসিয়ে একটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করছে। যা ভুয়া নম্বর। অনুসন্ধানে দেখা গেছে ওই গাড়ীর নম্বরের মালিক দিনাজপুর জেলার রমজান আলীর ছেলে রুবেল আল হাসানের নামে রেজিষ্টেন করা। সেটির ইঞ্জিন নং এফএইচজেটডব্লিউই৮৬০০৬৩। আর এএসআই শাহজানের গাড়ীর ইঞ্জিন নং ডিএইচএক্সসিএমএইচ২১২৪৮। মুলত এএসআই শাহজাহান চোরাই গাড়ীতে অন্যের গাড়ীর নেমপ্লেট বসিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশ বলে কেউ সন্দেহ বা আটক করছে না। বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীসহ মোকামতলাবাসী।

এ বিষয়ে বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসার সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
৬ বার পঠিত হয়েছে

নিরীহ জনগণকে নির্যাতন কারী মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই শাহাজাহান এখন ও বহাল তবিয়তে

আপডেট এর সময় : ০৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

বরেন্দ্র অঞ্চল প্রতিনিধি: ফ্যাসিস্ট বিদায় হলেও পুলিশ বিভাগে এখনো ফ্যাসিস্টদের দোসর বিচরন করছেন। অনেক পুলিশ অফিসার এখনো সাধারন মানুষের জন্য মুর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনি একজন বগুড়ার মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ.এস.আই শাহজাহান আলী। এলাকায় নিরীহ মানুষকে হয়রানি ভয়ভীতি ও ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করে নির্যাতন করে চলেছে তিনি। তার ভয়ে মানুষের সাধারন জীবনযাপন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। এছড়াও ভুয়া নম্বর প্লেট বসিয়ে চোরাই মোটরসাইকেল ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও নেয়া হচ্ছে না কোন ব্যবস্থা। বগুড়া পুলিশ সুপার রহস্যজনক ভুমিকা পালন করছে।

জানা যায়, গত ৯ মে রা এএসআই শাহজাহান শিবগঞ্জ থানার ৯নং দেউলী ইউনিয়নের লক্ষ্মীকোলা সোনারপাড়া গ্রামের ওবাইদুলের বাড়ীতে রাত ১১টার দিকে অভিযান চালায়। ওয়ারেন্ট আছে বলে তাদেরকে আটক করেন। তাৎক্ষনিক ওবায়দুল আদালতের জামিনের রিকল কাগজ দেখালেও তাদেরকে ছাড়েন না। এমনকি থানায় জমা দেয়া আছে বললেও তাতে রাজি হন না। বিএনপির ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন এ.এসআইকে রিকলের বিষয়টি জানালেও ইউপি চেয়ারম্যানের সাথেও অশোভন আচরন করন। মহিলা পুলিশ না নিয়েও এএসআই শাহজাহান মহিলা আসামীর হাত ধরে টানাটানি ও মারধর করে হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে থানায় নিয়ে আসেন। ভোররাতের দিকে ভুক্তভোগীরা রিকলের কাগজ নিয়ে চ্যালেঞ্জ করলে খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা ও সিএনজির বিল খরচ বাবদ ৭০০ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে এএসআই শাহজাহান আলীকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে তাদেরকে দেয়। এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন মিডিয়া প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছে না। এ নিয়ে সাধারন মধ্যে না প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ভুক্তভোগী ওবায়দুল বলছেন, ফাড়ী থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ী গিয়ে দেখেন বিছানার তোষকের নিকট থাকা ভাঙ্গারীর ব্যবসা করা ৩০ হাজার টাকাও নিয়ে গেছে এএসআই শাহজাহান আলী। ঘটনাটি সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে জানাজানি হলে এএসআই শাহজাহান স্থানীয় কতপিয় ব্যক্তির মাধ্যমে তাদেরকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। এমনকি ভুক্তভোগী পরিবারটিকে অন্য মামলায় ফাসানোর বলেও বিভিন্ন লোকজনের মারফত হুমকি দিচ্ছে এ.এসআই শাহজাহান। এ অবস্থায় মুর্তিমান আতঙ্ক এ.এসআই শাহজাহান আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল। এছাড়াও এ.এস.আই শাহজাহান আলী মোকাতলা তদন্ত কেন্দ্রে যোগদানের পর থেকেই সাধারন মানুষকে বিনা কারন হয়রানি করলে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও এএসআই শাহজাহান দিনাজপুর ল-১১-৪৮৯০ নম্বরের প্লেট বসিয়ে একটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করছে। যা ভুয়া নম্বর। অনুসন্ধানে দেখা গেছে ওই গাড়ীর নম্বরের মালিক দিনাজপুর জেলার রমজান আলীর ছেলে রুবেল আল হাসানের নামে রেজিষ্টেন করা। সেটির ইঞ্জিন নং এফএইচজেটডব্লিউই৮৬০০৬৩। আর এএসআই শাহজানের গাড়ীর ইঞ্জিন নং ডিএইচএক্সসিএমএইচ২১২৪৮। মুলত এএসআই শাহজাহান চোরাই গাড়ীতে অন্যের গাড়ীর নেমপ্লেট বসিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশ বলে কেউ সন্দেহ বা আটক করছে না। বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীসহ মোকামতলাবাসী।

এ বিষয়ে বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসার সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি।