1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admink
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশন ডেমরা থানা কমিটির পক্ষ থেকে মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও বিশাল সমাবেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যার মধ্যে ২০ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস সিরিজ জয়ের ম্যাচে যেমন হতে পারে বাংলাদেশ একাদশ ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়, রাজা চার্লসও আমার সঙ্গে একমত: ট্রাম্প ৯ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে বায়ার্নকে হারাল পিএসজি

কেরানীগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যা: প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা, দেবরসহ স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি:  ঢাকার কেরানীগঞ্জে ভয়াবহ এক প্রেমঘটিত হত্যাকাণ্ডে স্বর্ণ ব্যবসায়ী মফিজুর রহমানকে হত্যার দায়ে মাকসুদা আক্তার ও তাঁর দেবর সালাউদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ঢাকার পঞ্চম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসরাত জাহান মুন্নি এ রায় ঘোষণা করেন।

দুই আসামিই রায়ের সময় পলাতক ছিলেন। আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।মাকসুদা আক্তার তাঁর সন্তান নিয়ে কেরানীগঞ্জে বসবাস করতেন। তাঁর স্বামী ছিলেন মালয়েশিয়ায় প্রবাসী। সন্তান হারানোর শোক কাটাতে কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁকের খ্যাতি থাকা মফিজুর রহমানের শরণাপন্ন হন তিনি। সেই যোগাযোগ থেকে গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

কিন্তু একসময় এই সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন মাকসুদার স্বামী। তিনি ফোনে মফিজুরকে সম্পর্ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানান। এরপর মাকসুদা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, মফিজুর মাকসুদাকে হুমকি দিয়ে সম্পর্ক চালিয়ে যেতে থাকেন।এই পরিস্থিতিতে মাকসুদা ক্ষিপ্ত হয়ে বিষয়টি তাঁর দেবর সালাউদ্দিনের সঙ্গে শেয়ার করেন। তারা পরিকল্পনা করেন মফিজুরকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে।

২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর মাকসুদা কৌশলে মফিজুরকে বাসায় দাওয়াত দেন। খাবার ও চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে দেন ঘুমের ওষুধ। অচেতন হওয়ার পর তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মাকসুদা ও সালাউদ্দিন। পরে লাশ ১০ টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেন তারা।

২০১৮ সালের ২ জানুয়ারি নিহতের ভাই কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২১ সেপ্টেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন।রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় ১৯ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তি — মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা জেলা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) খান মো. জহিরুল ইসলাম।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews