1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
জয় দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ ঈদের ছুটিতে সীমিত আকারে চলবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম : এনবিআর জয়পুরহাটে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত মাগুরায় অনিয়মের দায়ে দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ভেনেজুয়েলার আইন প্রণেতারা যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া খনি আইন সংস্কার বিষয়ে সম্মত রেকর্ডের পঞ্চম উষ্ণতম ফেব্রুয়ারি, ইউরোপে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক প্রভাব আগামী মাসের মধ্যে কৃষক ভাইদের কাছেও কৃষক কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হবো : প্রধানমন্ত্রী ৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরব না : প্রধানমন্ত্রী

১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটন নিষিদ্ধ

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : রবিবার, ১ জুন, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:   ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটন নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। এই সময় সুন্দরবনে প্রবেশের সব ধরনের পারমিট বন্ধ থাকবে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ এবং বনের প্রাণীদের অবাধ বিচরণ ও প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় সুন্দরবনে প্রবেশ উন্মুক্ত করা হবে।

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ জানায়, আজ শনিবার থেকে তিন মাসের জন্য জেলে-বাওয়ালিসহ পর্যটকদের সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময় মাছ ও বন্য প্রাণীর প্রজননের মৌসুম। এ সময় সুন্দরবনের নদী ও খালের মাছ ডিম ছাড়ে। তাছাড়া বর্ষাকালে সুন্দরবনের গাছের ‘রিজেনারেশন’ হয়। তাই এই সময়ে সুন্দরবনকে সুস্থ রাখতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় সুন্দরবনে প্রবেশ উন্মুক্ত করা হবে।

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ আরও জানায়, বিভাগের আওতাধীন বিএলসি (বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট) ও বিএলসি সহযোগী বারো হাজার জেলের তালিকা মৎস্য বিভাগে পাঠানো হয়েছে, যাতে তারা এই সময়ে সরকারের সহযোগিতা পান।

বনজীবীদের অভিযোগ, প্রতি বছর তিন মাসের এই নিষেধাজ্ঞার সময়টিতে সুন্দরবনের অভয়াশ্রম এলাকার দখল নেয় কিছু প্রভাবশালী মাছ ব্যবসায়ী ও মহাজন চক্র। সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিরা যখন নিয়ম মেনে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকেন, তখনই এই অসাধু চক্রটি সুযোগ নেয়। তাদের সহযোগিতা করে কিছু অসাধু বনরক্ষী। এই চক্রটি বনের খাল ও নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করে। পরে বনের ভেতরেই মাচা তৈরি করে সেসব মাছ শুকিয়ে বাজারে বিক্রি করা হয়।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews