ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের ‘সুপরিকল্পিত’ ধ্বংসযজ্ঞের নিন্দা লেবাননের Logo মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo স্পোর্টিং থেকে দিয়োমান্দেকে দলে ভিড়িয়েছে নটিংহ্যাম ফরেস্ট Logo কুষ্টিয়ায় ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১ Logo ভোরে সুদানের রাজধানীসহ উত্তরাঞ্চলের দুই শহরে ড্রোন হামলা Logo বাংলাদেশকে বৈশ্বিক হালাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর Logo রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : রিজভী Logo কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী Logo টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ এইচপি দল ঘোষণা

সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে কানে আজান দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি

প্রতিনিধির নাম :

ধর্ম ও জীবন ডেস্ক: সন্তান জন্মের পর সন্তানের কানে আজান দেওয়া সুন্নত। নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার নাতি হাসানের কানে আজান দিয়েছেন বলে বর্ণিত হয়েছে। আবু রাফে (রা.) বলেন,

رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ أَذّنَ فِي أُذُنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ حِينَ وَلَدَتْهُ فَاطِمَةُ بِالصّلَاةِ

আমি আল্লাহর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসান বিন আলি (রা.) জন্মগ্রহণ করার পর তার কানে নামাজের আজানের মত আজান দিতে দেখেছি। (সুনানে আবু দাউদ: ৫১০৫)।

বিখ্যাত হাদিস ব্যাখ্যাকার মোল্লা আলি কারি (রহ.) এ হাদিস উল্লেখ করে বলেছেন, এই হাদিস থেকে প্রমাণিত হয় যে, নবজাতকের কানে আজান দেওয়া সুন্নত। (মিরকাতুল মাফাতিহ: ৮/৮১)

দুর্বল সূত্রে বর্ণিত কিছু হাদিসে ডান কানে আজান ও বাঁ কানে ইকামত দেওয়ার কথা আছে। অনেক আলেম নবজাতকের ডান কানে আজান এবং বাম কানে ইকামত দেওয়া মুস্তাহাব বলেছেন। নবজাতকের কানে নামাজের আজানের মতোই আজান দিতে হবে। আজানের সব বাক্য উচ্চারণ করতে হবে। হাইয়া আলাস সালাহ ও হাইয়া আলাল ফালাহ বলার সময় নামাজের আজানের মতোই চেহারা ডানে-বামে ঘোরানো উত্তম। আজানের ক্ষেত্রে ছেলে বা মেয়ে সন্তানের মধ্যে পার্থক্য নেই। প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই কানে আজান দেওয়া সুন্নত। সন্তান জন্মগ্রহণ করার পর মসজিদে আজান হলেও নবজাতকের কানে পৃথকভাবে আজান দেওয়া সুন্নত। কারণ এটি একটি স্বতন্ত্র সুন্নত, মসজিদের আজানের মাধ্যমে এ সুন্নত আদায় হবে না।

অর্থ-উচ্চারণসহ আজান ও ইকামত

اَللهُ اَكْبَرْ (আল্লাহু আকবার) ৪ বার

অর্থ: আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

اَشْهَدُ اَنْ لَا اِلَهَ اِلَّا الله (আশহাদু আল লাইলাহা ইল্লাল্লাহ) ২ বার

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।

اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ (আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ) ২ বার

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল।

حَيَّ عَلَي الصَّلوةِ (হাইয়্যা আলাস সালাহ) ২ বার

অর্থ: নামাজের দিকে এসো।

حَيَّ عَلَي الفَلَاحِ (হাইয়্যা আলাল ফালাহ) ২ বার

অর্থ: কল্যাণের দিকে এসো।

اَللهُ اَكْبَرْ আল্লাহু আকবার (২ বার)

অর্থ: আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

لَا اِلَهَ اِلَّا الله (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ১ বার

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।

ইকামতের সময় দুইবার হাইয়া আলাল ফালাহ বলার পর বলতে হবে-

قَدْ قَامَتِ الصَّلَوة (ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ) ২ বার

অর্থ: নামাজ শুরু হতে যাচ্ছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
১২ বার পঠিত হয়েছে

সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে কানে আজান দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি

আপডেট এর সময় : ০১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

ধর্ম ও জীবন ডেস্ক: সন্তান জন্মের পর সন্তানের কানে আজান দেওয়া সুন্নত। নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার নাতি হাসানের কানে আজান দিয়েছেন বলে বর্ণিত হয়েছে। আবু রাফে (রা.) বলেন,

رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ أَذّنَ فِي أُذُنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ حِينَ وَلَدَتْهُ فَاطِمَةُ بِالصّلَاةِ

আমি আল্লাহর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসান বিন আলি (রা.) জন্মগ্রহণ করার পর তার কানে নামাজের আজানের মত আজান দিতে দেখেছি। (সুনানে আবু দাউদ: ৫১০৫)।

বিখ্যাত হাদিস ব্যাখ্যাকার মোল্লা আলি কারি (রহ.) এ হাদিস উল্লেখ করে বলেছেন, এই হাদিস থেকে প্রমাণিত হয় যে, নবজাতকের কানে আজান দেওয়া সুন্নত। (মিরকাতুল মাফাতিহ: ৮/৮১)

দুর্বল সূত্রে বর্ণিত কিছু হাদিসে ডান কানে আজান ও বাঁ কানে ইকামত দেওয়ার কথা আছে। অনেক আলেম নবজাতকের ডান কানে আজান এবং বাম কানে ইকামত দেওয়া মুস্তাহাব বলেছেন। নবজাতকের কানে নামাজের আজানের মতোই আজান দিতে হবে। আজানের সব বাক্য উচ্চারণ করতে হবে। হাইয়া আলাস সালাহ ও হাইয়া আলাল ফালাহ বলার সময় নামাজের আজানের মতোই চেহারা ডানে-বামে ঘোরানো উত্তম। আজানের ক্ষেত্রে ছেলে বা মেয়ে সন্তানের মধ্যে পার্থক্য নেই। প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই কানে আজান দেওয়া সুন্নত। সন্তান জন্মগ্রহণ করার পর মসজিদে আজান হলেও নবজাতকের কানে পৃথকভাবে আজান দেওয়া সুন্নত। কারণ এটি একটি স্বতন্ত্র সুন্নত, মসজিদের আজানের মাধ্যমে এ সুন্নত আদায় হবে না।

অর্থ-উচ্চারণসহ আজান ও ইকামত

اَللهُ اَكْبَرْ (আল্লাহু আকবার) ৪ বার

অর্থ: আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

اَشْهَدُ اَنْ لَا اِلَهَ اِلَّا الله (আশহাদু আল লাইলাহা ইল্লাল্লাহ) ২ বার

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।

اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ (আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ) ২ বার

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল।

حَيَّ عَلَي الصَّلوةِ (হাইয়্যা আলাস সালাহ) ২ বার

অর্থ: নামাজের দিকে এসো।

حَيَّ عَلَي الفَلَاحِ (হাইয়্যা আলাল ফালাহ) ২ বার

অর্থ: কল্যাণের দিকে এসো।

اَللهُ اَكْبَرْ আল্লাহু আকবার (২ বার)

অর্থ: আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

لَا اِلَهَ اِلَّا الله (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ১ বার

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।

ইকামতের সময় দুইবার হাইয়া আলাল ফালাহ বলার পর বলতে হবে-

قَدْ قَامَتِ الصَّلَوة (ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ) ২ বার

অর্থ: নামাজ শুরু হতে যাচ্ছে।