ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

নুরুল হকের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার আঘাতজনিত কোনো স্মৃতিভ্রংশ (মেমোরি লস) হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এর আশঙ্কা নেই।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা প্রথমে তার মাথার ইনজুরি নিয়ে বেশি চিন্তিত ছিলাম। প্রথম সিটি স্ক্যানে সামান্য রক্ত জমাট দেখা গিয়েছিল, তবে পরে আর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। নিউরোসার্জারি বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, এরকম আঘাতে মেমোরি লস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

পরিচালক জানান, বর্তমানে নুরুল হকের কিছুটা জ্বর রয়েছে। এটি ভাইরাসজনিত বা আঘাতজনিত কারণেও হতে পারে। তার ঠাণ্ডাজনিত অ্যালার্জির পুরনো সমস্যাও আছে। জ্বর কমে গেলে দ্রুত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

চিকিৎসকরা জানান, নুরুল হকের নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছিল, সেখান থেকে রক্তপাত হচ্ছিল। পরে তা বন্ধ হয়েছে। চোয়ালের হাড় ফ্র্যাকচার থাকায় সুস্থ হতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। চোখে রক্ত জমাট বাঁধলেও বর্তমানে দৃষ্টিশক্তিতে কোনো সমস্যা নেই।

গত ২৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে নুরুল হক গুরুতর আহত হন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে তিনি ও দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে তার চিকিৎসা শুরু করা হয়।

আইএসপিআর জানায়, ওই রাতে সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যও আহত হন। সরকার ইতোমধ্যে এই হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করেছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৪ বার পঠিত হয়েছে

নুরুল হকের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার আঘাতজনিত কোনো স্মৃতিভ্রংশ (মেমোরি লস) হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এর আশঙ্কা নেই।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা প্রথমে তার মাথার ইনজুরি নিয়ে বেশি চিন্তিত ছিলাম। প্রথম সিটি স্ক্যানে সামান্য রক্ত জমাট দেখা গিয়েছিল, তবে পরে আর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। নিউরোসার্জারি বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, এরকম আঘাতে মেমোরি লস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

পরিচালক জানান, বর্তমানে নুরুল হকের কিছুটা জ্বর রয়েছে। এটি ভাইরাসজনিত বা আঘাতজনিত কারণেও হতে পারে। তার ঠাণ্ডাজনিত অ্যালার্জির পুরনো সমস্যাও আছে। জ্বর কমে গেলে দ্রুত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

চিকিৎসকরা জানান, নুরুল হকের নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছিল, সেখান থেকে রক্তপাত হচ্ছিল। পরে তা বন্ধ হয়েছে। চোয়ালের হাড় ফ্র্যাকচার থাকায় সুস্থ হতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। চোখে রক্ত জমাট বাঁধলেও বর্তমানে দৃষ্টিশক্তিতে কোনো সমস্যা নেই।

গত ২৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে নুরুল হক গুরুতর আহত হন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে তিনি ও দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে তার চিকিৎসা শুরু করা হয়।

আইএসপিআর জানায়, ওই রাতে সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যও আহত হন। সরকার ইতোমধ্যে এই হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করেছে।