1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
নিজামউদ্দীন কায়সারকে দলে ফেরানোর দাবি কুমিল্লা বিএনপি নেতাকর্মীদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর জন্য অনলাইন সিস্টেম চালু আরপিসিসি প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়, প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহতের দাবি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজ পবিত্র শবে কদর দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দুবাই বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন রাঙ্গামাটিতে বিজিবির অভিযানে অবৈধ বিদেশি সিগারেট জব্দ

কেন নিয়মিত বদলাবেন বিছানার চাদর-বালিশের কভার

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বেশিরভাগ মানুষ প্রতিদিনের এক–তৃতীয়াংশ সময় কাটান বিছানায়। এই দীর্ঘ সময়ের সংস্পর্শে আমাদের বালিশ ও চাদর হয়ে ওঠে নানা জীবাণুর আখড়া।

দিন শেষে নরম বালিশে মাথা রাখা আর কম্বলে জড়িয়ে ঘুমানোর অনুভূতি দারুণ। কিন্তু বিছানার ভেতরে লুকিয়ে থাকে অগণিত ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ভাইরাস ও ধূলিকণা মাইট। ঘামের আর্দ্রতা, লালা, মৃত ত্বক আর খাবারের কণা তাদের জন্য স্বর্গরাজ্য।

ধূলিকণা মাইটের দাপট:
আমরা প্রতিদিন গড়ে ৫০ কোটি মৃত ত্বক কোষ ঝরাই। এগুলো ধূলিকণা মাইটের কাছে যেন বিশাল ভোজসভা। যা থেকে অ্যালার্জি, হাঁপানি ও একজিমার মতো রোগ হতে পারে।

ব্যাকটেরিয়ার আস্তানা:
গবেষণায় দেখা গেছে, অপরিষ্কার চাদরে জন্ম নেয় স্ট্যাফিলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া। সাধারণত ক্ষতিকর না হলেও কিছু প্রজাতি ত্বকের সংক্রমণ, ব্রণ, নিউমোনিয়ার কারণ হয়। বিশেষ করে দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষের জন্য তা ভয়ংকর।

নাইজেরিয়ার একটি গবেষণায় অপরিষ্কার হাসপাতালের চাদরে পাওয়া গেছে ই. কোলাইসহ নানা রোগজীবাণু। এগুলো মূত্রনালি সংক্রমণ, ডায়রিয়া, মেনিনজাইটিস এমনকি সেপসিসের কারণ হতে পারে।

২০২২ সালে মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগীর ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহে দেখা যায়, বিছানার চাদর পরিবর্তনের সময় বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাস কণা। যুক্তরাজ্যে এক স্বাস্থ্যকর্মী এভাবে সংক্রমিত হয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

বালিশে ফাঙ্গাসের বাস:
২০০৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্যবহৃত পুরনো বালিশে থাকে কোটি কোটি ফাঙ্গাস। বিশেষ করে অ্যাসপারজিলাস ফুমিগাটাস প্রজাতি, যা সাধারণত মাটিতে পাওয়া যায়।

ঘুমের সময় মাথা থেকে ঘাম ঝরে, ধূলিকণা মাইটের মল ফাঙ্গাসের খাদ্য সরবরাহ করে। বালিশে তাপ ও আর্দ্রতা থাকায় ফাঙ্গাস সহজেই বেড়ে ওঠে। ফলে বালিশে জমে থাকে বিলিয়ন ফাঙ্গাস কণা।

যদিও সুস্থ মানুষ এগুলো সহ্য করতে পারে, তবে হাঁপানি, সাইনোসাইটিস বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষের জন্য তা মারাত্মক। গুরুতর ক্ষেত্রে ফুসফুস নষ্ট করে ফেলতে পারে এ ধরনের সংক্রমণ।

কত ঘন ঘন ধোয়া উচিত?:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি সপ্তাহে চাদর ধোয়া উচিত। উচ্চ তাপে ধোয়া ও ইস্ত্রি করলে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ আরও কমে।

তবে বালিশের ক্ষেত্রে ধোয়া খুব একটা কার্যকর নয়। ফাঙ্গাস অনেক সময় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপেও বেঁচে থাকে। তাই হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট আছে এমন রোগীদের প্রতি ৩–৬ মাস অন্তর বালিশ বদলানো জরুরি। আর সুস্থ মানুষের জন্য প্রতি দুই বছর পর নতুন বালিশ নেওয়া উত্তম।

আরও কিছু পরামর্শ:
শিশু বিছানায় প্রস্রাব করলে অবশ্যই চাদর দ্রুত ধোয়া প্রয়োজন। পোষা প্রাণী নিয়ে ঘুমালেও জীবাণুর ঝুঁকি বাড়ে। তাই ঘন ঘন পরিবর্তন করা উচিত চাদর বা বালিশ। অনেকে বিছানায় বসে খাওয়া-দাওয়া করেন। সেটাও পরিহার করা উচিত।

(বিবিসি’র ফিচার অবলম্বনে)

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews