
অনলাইন ডেস্ক: পৃথিবীব্যাপী বহুল ব্যবহৃত ডার্ক চকলেট রয়েছে, যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য খুবই ভালো। আর প্রদাহজনিত সমস্যা ঠেকিয়ে রাখতেও সাহায্য করে ডার্ক চকলেট। গবেষকরা বলছেন, তারা ২৮ ধরনের ডার্ক চকলেট বার পরীক্ষা করে দেখেছেন, তাতে প্রায় সব ধরনের চকলেটের মধ্যেই ক্যাডমিয়াম ও লেডের মতো বিষাক্ত ধাতুর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
এই উপাদানটি আসলে এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা সামগ্রিকভাবে হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু এই ডার্ক চকলেটের মধ্যে এমন কিছু রাসায়নিক মিশে থাকে, যা বিষাক্ত। তাই চোখ বন্ধ করে ডার্ক চকলেটকে ‘স্বাস্থ্যকর’ তকমা দেওয়া যায় না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন ৪ দশমিক ১ মাইক্রোগ্রাম ক্যাডমিয়াম এবং শূন্য দশমিক ৫ মাইক্রোগ্রাম সিসা মানবদেহের জন্য নিরাপদ। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, ২৩টি বারের মধ্যে বিষাক্ত ওই দুটি ধাতুর পরিমাণ এক আউন্স। অর্থাৎ ২৮ গ্রামেরও বেশি। এবং ৫টির মধ্যে ক্যাডমিয়াম ও লেডের পরিমাণ তার চেয়েও বেশি। এ ছাড়া কেউ যদি ভেবে থাকেন যে, ডার্ক চকলেট খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়বে না, তবে সে তত্ত্বটিও ঠিক নয়।
এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, ভ্রূণের গঠনগত সমস্যার নেপথ্যে এই ক্যাডমিয়াম ও লেড— এ দুটি ধাতুর ভূমিকা রয়েছে। তাই অন্তঃসত্ত্বা নারীর জন্য ডার্ক চকলেট বিপজ্জনক। একইভাবে শিশুর শরীরেও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে এই ক্যাডমিয়াম ও লেড।
এ বিষয়ে পুষ্টিবিদ ডা. ডানা এলিস বলেছেন, অতিরিক্ত ক্যাডমিয়াম শরীরে প্রবেশ করলে লিভার ও কিডনি বিকল হতে পারে। তাই ডার্ক চকলেট এড়িয়ে চলাই ভালো।