ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে উৎসাহ দেবে পাকিস্তান Logo কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার Logo সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর : মাহদী আমিন Logo নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সমর্থন চেয়েছেন উপদেষ্টা তিতুমীর Logo বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী Logo ভীষণ হতাশ : বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গের পর আক্ষেপ এমবাপ্পের Logo স্বাস্থ্যখাতের সংকটে অকালেই প্রাণ হারাচ্ছে কিউবার মানুষ Logo ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি Logo দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার

মাত্র ৪ দিনের ‘গাজর’ ডায়েটে কমবে ওজন

প্রতিনিধির নাম :

ওজন কমানোর জন্য আমরা অনেক কিছুই করি। কিন্তু এতকিছুর পরেও ওজন বেড়েই যাচ্ছে। কিন্তু আপনার এমন একটা জিনিস রয়েছে, যা নিয়মিত খেলে ওজন কমতে বাধ্য। আর তা হল গাজর।

একটি বড়মাপের গাজর থেকে ২২ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের মতে, ১০০ গ্রাম গাজরে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট-১০.৬ গ্রাম, প্রোটিন ০.৯ গ্রাম, ফ্যাট ০.২ গ্রাম, আঁশ ১.২ গ্রাম, নিকোটিনিক অ্যাসিড ০. ৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ৩১৫০ আইইউ, ক্যালসিয়াম ৮০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১০৮ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, লোহা ১.৫ মিলিগ্রাম।

গাজর সিদ্ধ করে, কাঁচা কিংবা স্যালাড করে যেভাবে খুশি খেতে পারেন আপনি। তবে স্যালাড বানিয়ে খাওয়ার সময় অবশ্যই মেয়োনিজ, তেল অথবা পানির ব্যবহার করবেন না। শুধুমাত্র গাজর, লেবুর রস, ধনে পাতা, কাঁচামরিচ বা গোল মরিচের গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন।

এই ডায়েট চলাকালীন সময়ে গাজর, গ্রিন টি আর পানি ছাড়া কিছুই খেতে পারবেন না আপনি। খুব বেশি স্বাদ পরিবর্তন করতে ইচ্ছে করলে এক বেলা গাজরের সাথে আপেল মিশিয়ে স্যালাড করে খেতে পারেন।

গাজরের ডায়েট চলাকালীন সময়ে সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ লিটার করে পানি খেতে হবে। পানি কম খেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেবে এবং শরীরে সতেজতা থাকবে না। তাই ডায়েটের পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করুন।

ডায়েট চলাকালীন সময়ে চা খেতে হলে গ্রীন টি খান। গাজর খাওয়ার আগে অবশ্যই ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। গাজরের খোসা ছাড়িয়ে নিন সম্ভব হলে। কারণ ইদানিং সবজিতে নানান রকম ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। ডায়েট চলাকালীন সময়ে পানি খাওয়া কমাবেন না।

কোনও অসুখ থাকলে বা ওষুধ সেবন করতে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডায়েট করবেন না। আর এই ডায়েট ৪ দিন বা খুব বেশি হলে ৫ দিন পর্যন্ত করুন। এক মাসে একবারই করতে পারবেন এই ডায়েট। ডায়েট চলাকালীন সময়ে জিম কিংবা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করবেন না।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৮
১৭ বার পঠিত হয়েছে

মাত্র ৪ দিনের ‘গাজর’ ডায়েটে কমবে ওজন

আপডেট এর সময় : ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৮

ওজন কমানোর জন্য আমরা অনেক কিছুই করি। কিন্তু এতকিছুর পরেও ওজন বেড়েই যাচ্ছে। কিন্তু আপনার এমন একটা জিনিস রয়েছে, যা নিয়মিত খেলে ওজন কমতে বাধ্য। আর তা হল গাজর।

একটি বড়মাপের গাজর থেকে ২২ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের মতে, ১০০ গ্রাম গাজরে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট-১০.৬ গ্রাম, প্রোটিন ০.৯ গ্রাম, ফ্যাট ০.২ গ্রাম, আঁশ ১.২ গ্রাম, নিকোটিনিক অ্যাসিড ০. ৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ৩১৫০ আইইউ, ক্যালসিয়াম ৮০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১০৮ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, লোহা ১.৫ মিলিগ্রাম।

গাজর সিদ্ধ করে, কাঁচা কিংবা স্যালাড করে যেভাবে খুশি খেতে পারেন আপনি। তবে স্যালাড বানিয়ে খাওয়ার সময় অবশ্যই মেয়োনিজ, তেল অথবা পানির ব্যবহার করবেন না। শুধুমাত্র গাজর, লেবুর রস, ধনে পাতা, কাঁচামরিচ বা গোল মরিচের গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন।

এই ডায়েট চলাকালীন সময়ে গাজর, গ্রিন টি আর পানি ছাড়া কিছুই খেতে পারবেন না আপনি। খুব বেশি স্বাদ পরিবর্তন করতে ইচ্ছে করলে এক বেলা গাজরের সাথে আপেল মিশিয়ে স্যালাড করে খেতে পারেন।

গাজরের ডায়েট চলাকালীন সময়ে সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ লিটার করে পানি খেতে হবে। পানি কম খেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেবে এবং শরীরে সতেজতা থাকবে না। তাই ডায়েটের পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করুন।

ডায়েট চলাকালীন সময়ে চা খেতে হলে গ্রীন টি খান। গাজর খাওয়ার আগে অবশ্যই ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। গাজরের খোসা ছাড়িয়ে নিন সম্ভব হলে। কারণ ইদানিং সবজিতে নানান রকম ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। ডায়েট চলাকালীন সময়ে পানি খাওয়া কমাবেন না।

কোনও অসুখ থাকলে বা ওষুধ সেবন করতে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডায়েট করবেন না। আর এই ডায়েট ৪ দিন বা খুব বেশি হলে ৫ দিন পর্যন্ত করুন। এক মাসে একবারই করতে পারবেন এই ডায়েট। ডায়েট চলাকালীন সময়ে জিম কিংবা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করবেন না।