ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি Logo কমিউনিস্ট আদর্শ আমেরিকার মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : ট্রাম্প Logo ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ Logo জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ Logo বাবার জানাজায় থাকবেন না মোজতবা খামেনি, নেপথ্যে যে কারণ Logo ৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো Logo গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের

নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেল এনসিপিসহ তিন রাজনৈতিক দল

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে নতুন করে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।”

তিনি আরও জানান, বুধবার (৫ নভেম্বর) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি বা আপত্তি জানানো যাবে। নির্ধারিত সময় শেষে তা নিষ্পত্তি করে দলগুলোর নিবন্ধন গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে নির্বাচন কমিশনে মোট ১৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের আবেদন করেছিল। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর ২২টি দলের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করা হয়। তদন্ত শেষে সাতটি দলকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করে ইসি জানায়, তারা ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি।

ইসি সচিব বলেন, “বাংলাদেশ নেজামী ইসলাম পার্টির বিষয়ে একটি রিট মামলা হাইকোর্টে বিচারাধীন আছে। আদালতের রায় পাওয়ার পর তাদের বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।”

তিনি জানান, তদন্তে দেখা গেছে অনেক দলের রাজনৈতিক কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা নেই। বিশেষ করে জাতীয় জনতা পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (শাহজাহান সিরাজ) ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে যাচাই শেষে বাদ দেওয়া হয়েছে।

ইসির নিয়ম অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে রাজনৈতিক দলকে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় সাংগঠনিক কাঠামো ও অন্তত ১০০টি উপজেলা কমিটি গঠন করতে হয়। প্রতিটি কমিটিতে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হয়। এছাড়া আগের নির্বাচনে সংসদ সদস্য থাকা বা পাঁচ শতাংশ ভোট পাওয়াও নিবন্ধনের যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
৫ বার পঠিত হয়েছে

নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেল এনসিপিসহ তিন রাজনৈতিক দল

আপডেট এর সময় : ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে নতুন করে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।”

তিনি আরও জানান, বুধবার (৫ নভেম্বর) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি বা আপত্তি জানানো যাবে। নির্ধারিত সময় শেষে তা নিষ্পত্তি করে দলগুলোর নিবন্ধন গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে নির্বাচন কমিশনে মোট ১৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের আবেদন করেছিল। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর ২২টি দলের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করা হয়। তদন্ত শেষে সাতটি দলকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করে ইসি জানায়, তারা ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি।

ইসি সচিব বলেন, “বাংলাদেশ নেজামী ইসলাম পার্টির বিষয়ে একটি রিট মামলা হাইকোর্টে বিচারাধীন আছে। আদালতের রায় পাওয়ার পর তাদের বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।”

তিনি জানান, তদন্তে দেখা গেছে অনেক দলের রাজনৈতিক কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা নেই। বিশেষ করে জাতীয় জনতা পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (শাহজাহান সিরাজ) ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে যাচাই শেষে বাদ দেওয়া হয়েছে।

ইসির নিয়ম অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে রাজনৈতিক দলকে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় সাংগঠনিক কাঠামো ও অন্তত ১০০টি উপজেলা কমিটি গঠন করতে হয়। প্রতিটি কমিটিতে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হয়। এছাড়া আগের নির্বাচনে সংসদ সদস্য থাকা বা পাঁচ শতাংশ ভোট পাওয়াও নিবন্ধনের যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়।