ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বরিশালে মাদকসহ যুবক গ্রেপ্তার Logo যুক্তরাষ্ট্র সফরে ৪৮টি চুক্তি ও অংশীদারিত্বে সই ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর Logo ঋণসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান তিতুমীরের Logo আজও সমুদ্র বন্দরে ৩, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত Logo এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর Logo যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে উৎসাহ দেবে পাকিস্তান Logo কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার Logo সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর : মাহদী আমিন Logo নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সমর্থন চেয়েছেন উপদেষ্টা তিতুমীর Logo বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চাইলো ইসি

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:      গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের মতে, নির্বাচনী সফলতার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তুলনায় রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আচরণবিধি মেনে চলা থেকে শুরু করে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় দলগুলোর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে কমিশন। বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দিনব্যাপী সংলাপে এসব বিষয় উঠে আসে।

সকালে প্রথম পর্বে সাতটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি, ইনসানিয়াত বিপ্লব, গণসংহতি আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রতিনিধি দল এতে অংশ নেয়। সংলাপের শুরুতেই নির্বাচন কমিশনের অবস্থান তুলে ধরেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেন, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন একা নয়, রাজনৈতিক দলগুলোও জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ।

সংলাপে সিইসি জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনই সুষ্ঠু ভোটের প্রধান শর্ত। আচরণবিধি তৈরির সময় নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের বিভিন্ন সুপারিশ এবং রাজনৈতিক দল ও নাগরিকদের লিখিত মতামত বিবেচনায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, আচরণবিধি প্রস্তুত করার চেয়ে এটি যথাযথভাবে মানাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নির্বাচনী ভরসা পুনর্গঠনে রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতিই সবচেয়ে জরুরি।

সিইসি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়ে দলগুলোর সহযোগিতা চান। তাঁর ভাষায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও ভোটে বড় ভূমিকা রাজনৈতিক দলগুলোর। দলগুলো আন্তরিক হলে কমিশনকে বাড়তি চাপ নিতে হয় না। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে দলগুলো তাদের কর্মীদের মাধ্যমে জনগণকে ভোট দিতে উৎসাহিত করবে। সিইসি বলেন, গত কয়েকটি নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে ভোটবিমুখতা তৈরি হয়েছিল, জনগণের মধ্যে এমন ভাবনাও ছিল যে ভোট আগেই হয়ে যায়। এ পরিস্থিতি কাটাতে রাজনৈতিক দলের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, শপথ নেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ চললেও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কাজের কারণে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা শুরু করতে দেরি হয়েছিল। তিনি বলেন, ইআরএসসির সুপারিশ শেষ হওয়ার পরই কমিশন নতুন করে সংলাপ শুরু করেছে এবং সামনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে সংলাপে অংশ নিয়ে বিভিন্ন দল সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে। কমিশন জানায়, সবার সহযোগিতা থাকলে একটি শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও সবার কাছে স্বীকৃত নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
৬ বার পঠিত হয়েছে

গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চাইলো ইসি

আপডেট এর সময় : ০১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:      গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের মতে, নির্বাচনী সফলতার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তুলনায় রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আচরণবিধি মেনে চলা থেকে শুরু করে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় দলগুলোর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে কমিশন। বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দিনব্যাপী সংলাপে এসব বিষয় উঠে আসে।

সকালে প্রথম পর্বে সাতটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি, ইনসানিয়াত বিপ্লব, গণসংহতি আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রতিনিধি দল এতে অংশ নেয়। সংলাপের শুরুতেই নির্বাচন কমিশনের অবস্থান তুলে ধরেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেন, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন একা নয়, রাজনৈতিক দলগুলোও জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ।

সংলাপে সিইসি জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনই সুষ্ঠু ভোটের প্রধান শর্ত। আচরণবিধি তৈরির সময় নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের বিভিন্ন সুপারিশ এবং রাজনৈতিক দল ও নাগরিকদের লিখিত মতামত বিবেচনায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, আচরণবিধি প্রস্তুত করার চেয়ে এটি যথাযথভাবে মানাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নির্বাচনী ভরসা পুনর্গঠনে রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতিই সবচেয়ে জরুরি।

সিইসি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়ে দলগুলোর সহযোগিতা চান। তাঁর ভাষায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও ভোটে বড় ভূমিকা রাজনৈতিক দলগুলোর। দলগুলো আন্তরিক হলে কমিশনকে বাড়তি চাপ নিতে হয় না। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে দলগুলো তাদের কর্মীদের মাধ্যমে জনগণকে ভোট দিতে উৎসাহিত করবে। সিইসি বলেন, গত কয়েকটি নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে ভোটবিমুখতা তৈরি হয়েছিল, জনগণের মধ্যে এমন ভাবনাও ছিল যে ভোট আগেই হয়ে যায়। এ পরিস্থিতি কাটাতে রাজনৈতিক দলের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, শপথ নেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ চললেও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কাজের কারণে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা শুরু করতে দেরি হয়েছিল। তিনি বলেন, ইআরএসসির সুপারিশ শেষ হওয়ার পরই কমিশন নতুন করে সংলাপ শুরু করেছে এবং সামনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে সংলাপে অংশ নিয়ে বিভিন্ন দল সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে। কমিশন জানায়, সবার সহযোগিতা থাকলে একটি শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও সবার কাছে স্বীকৃত নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।