ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

ঐক্যই এখন সবচেয়ে জরুরি: মির্জা ফখরুল

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন রাজনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগাতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সেই ভিন্নতা যেন গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে। মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, রোববার নয় বরং মঙ্গলবার, দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ ও তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থসমূহের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মির্জা ফখরুল গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই দেশের মানুষের ত্যাগ ও অংশগ্রহণে যে পরিবর্তনের সূত্রপাত হয়েছিল, তা এখন সামনে এগিয়ে নেওয়ার সময়। তার ভাষায়, “গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে সুসংহত করতে হবে। মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু শহিদদের আত্মাহুতি যেন কখনো বৃথা না যায়।”

তিনি অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যহীন অর্থনীতি এবং আধিপত্যবাদ বিরোধী রাষ্ট্র বিনির্মাণের যে বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই, সেখানে মাহবুব উল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। বিশেষ করে বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা প্রণয়নে এই শিক্ষকের মতামত ও পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

আলোচনা সভায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জিল্লুর রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানসহ অংশগ্রহণকারীরা অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহর গবেষণা, চিন্তাশক্তি এবং সমাজ পরিবর্তনে তার ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তাদের মতে, সংকটময় সময়ে এই ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক নির্দেশনা দেশ গঠনের পথে নতুন অনুপ্রেরণা যোগায়।

মির্জা ফখরুল বক্তব্যের শেষ দিকে সবাইকে সতর্ক করে বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগ ভুলে গেলে চলবে না। মতবিরোধ থাকতেই পারে, কিন্তু দেশ গঠনের যে সুযোগ সামনে এসেছে তা হারানো যাবে না।” তার আহ্বান, গণঅভ্যুত্থানের অর্জন ধরে রেখে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে যাওয়া।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
২৪ বার পঠিত হয়েছে

ঐক্যই এখন সবচেয়ে জরুরি: মির্জা ফখরুল

আপডেট এর সময় : ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন রাজনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগাতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সেই ভিন্নতা যেন গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে। মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, রোববার নয় বরং মঙ্গলবার, দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ ও তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থসমূহের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মির্জা ফখরুল গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই দেশের মানুষের ত্যাগ ও অংশগ্রহণে যে পরিবর্তনের সূত্রপাত হয়েছিল, তা এখন সামনে এগিয়ে নেওয়ার সময়। তার ভাষায়, “গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে সুসংহত করতে হবে। মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু শহিদদের আত্মাহুতি যেন কখনো বৃথা না যায়।”

তিনি অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যহীন অর্থনীতি এবং আধিপত্যবাদ বিরোধী রাষ্ট্র বিনির্মাণের যে বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই, সেখানে মাহবুব উল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। বিশেষ করে বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা প্রণয়নে এই শিক্ষকের মতামত ও পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

আলোচনা সভায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জিল্লুর রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানসহ অংশগ্রহণকারীরা অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহর গবেষণা, চিন্তাশক্তি এবং সমাজ পরিবর্তনে তার ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তাদের মতে, সংকটময় সময়ে এই ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক নির্দেশনা দেশ গঠনের পথে নতুন অনুপ্রেরণা যোগায়।

মির্জা ফখরুল বক্তব্যের শেষ দিকে সবাইকে সতর্ক করে বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগ ভুলে গেলে চলবে না। মতবিরোধ থাকতেই পারে, কিন্তু দেশ গঠনের যে সুযোগ সামনে এসেছে তা হারানো যাবে না।” তার আহ্বান, গণঅভ্যুত্থানের অর্জন ধরে রেখে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে যাওয়া।