ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

মধ্যরাতে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট অঞ্চল

প্রতিনিধির নাম :

নিজস্ব প্রতিবিদক:    মধ্যরাতে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে সিলেট ও আশপাশের এলাকায় দুই দফা মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে প্রথম কম্পনের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৫, দ্বিতীয়টির ছিল ৩ দশমিক ৩। উভয় ভূমিকম্পই দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রাতের নীরবতা ভেঙে মুহূর্তের জন্য দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দেয়।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টা ৫০ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা। ঢাকার আগারগাঁও ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে এর দূরত্ব ছিল ২১৬ কিলোমিটার। ঠিক পাঁচ মিনিট পর রাত ২টা ৫৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার কম্পন হয়, যার মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা।

ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র ও ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি উভয় প্রতিষ্ঠানই কম্পন দুটি নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, দ্বিতীয় কম্পনটির গভীরতা ছিল প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এসব কম্পন সিলেটের জকিগঞ্জ থেকে শুরু করে সীমান্তবর্তী এলাকাতেও অনুভূত হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা বলেন, “দুটি ভূমিকম্পই ছিল স্বল্পমাত্রার, উৎপত্তিস্থলও ছিল সিলেট অঞ্চলেই।” একইভাবে সিলেট আবহাওয়া কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসেনও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির জানালেন, এ ধরনের মৃদু মাত্রার ভূমিকম্প সিলেট অঞ্চলে প্রায় প্রতি মাসেই হয়ে থাকে। তিনি বলেন, “এই কম্পনগুলো নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, কারণ এসব এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ এবং স্বল্পমাত্রার কম্পন নিয়মিতই দেখা যায়।”

গত কয়েক মাসে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বারবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে ২১ নভেম্বরের ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি ছিল সবচেয়ে বড়, যা ঢাকাসহ সারা দেশে আতঙ্ক ছড়ায়। আরও কয়েকটি কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী, গাজীপুর, শিবপুরের মতো ঢাকার আশপাশের এলাকা। এসব ঘটনায় কোথাও কোথাও ক্ষয়ক্ষতি হলেও সর্বশেষ সিলেট অঞ্চলের মৃদু কম্পনে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
৩৪ বার পঠিত হয়েছে

মধ্যরাতে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট অঞ্চল

আপডেট এর সময় : ০১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবিদক:    মধ্যরাতে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে সিলেট ও আশপাশের এলাকায় দুই দফা মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে প্রথম কম্পনের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৫, দ্বিতীয়টির ছিল ৩ দশমিক ৩। উভয় ভূমিকম্পই দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রাতের নীরবতা ভেঙে মুহূর্তের জন্য দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দেয়।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টা ৫০ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা। ঢাকার আগারগাঁও ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে এর দূরত্ব ছিল ২১৬ কিলোমিটার। ঠিক পাঁচ মিনিট পর রাত ২টা ৫৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার কম্পন হয়, যার মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা।

ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র ও ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি উভয় প্রতিষ্ঠানই কম্পন দুটি নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, দ্বিতীয় কম্পনটির গভীরতা ছিল প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এসব কম্পন সিলেটের জকিগঞ্জ থেকে শুরু করে সীমান্তবর্তী এলাকাতেও অনুভূত হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা বলেন, “দুটি ভূমিকম্পই ছিল স্বল্পমাত্রার, উৎপত্তিস্থলও ছিল সিলেট অঞ্চলেই।” একইভাবে সিলেট আবহাওয়া কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসেনও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির জানালেন, এ ধরনের মৃদু মাত্রার ভূমিকম্প সিলেট অঞ্চলে প্রায় প্রতি মাসেই হয়ে থাকে। তিনি বলেন, “এই কম্পনগুলো নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, কারণ এসব এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ এবং স্বল্পমাত্রার কম্পন নিয়মিতই দেখা যায়।”

গত কয়েক মাসে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বারবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে ২১ নভেম্বরের ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি ছিল সবচেয়ে বড়, যা ঢাকাসহ সারা দেশে আতঙ্ক ছড়ায়। আরও কয়েকটি কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী, গাজীপুর, শিবপুরের মতো ঢাকার আশপাশের এলাকা। এসব ঘটনায় কোথাও কোথাও ক্ষয়ক্ষতি হলেও সর্বশেষ সিলেট অঞ্চলের মৃদু কম্পনে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।