ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে বেসরকারি ক্লিনিকে ডেলিভারি রুম স্থাপনের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহীর সাক্ষাৎ Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ Logo লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ Logo ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড় Logo পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর Logo কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি

প্রশ্নপত্র বিতরণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনে চলছে সরকার : মাহদী আমিন

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

তিনি বলেন, ‘একটি অসাধু চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের অপতৎপরতা রোধে সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’

আজ (রোববার) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন জানান, প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে ভুয়া প্রশ্ন সাজিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গত কয়েক দিনে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতরা একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছিল। ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো চক্র অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

উপদেষ্টা বলেন, একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে প্রশ্নফাঁসের যে বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু সেটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নয় বরং সুপরিকল্পিত একটি প্রতারণা।

চক্রটি প্রথমে টাকা নেয় এবং পরে নানা অজুহাত দিয়ে উধাও হয়ে যায়। এমনকি পরীক্ষা শুরুর পর প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেটিকে আগের রাতে আপলোড করা হয়েছিল বলে দাবি করে শিক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলে।

তিনি আরও জানান, সত্যিকারের প্রমাণ না থাকায় এবং প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেলটি নিজ দায়িত্বেই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নিয়েছে।

বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ‘সেই সময়ে পাঠ্যপুস্তকে বিকৃত ইতিহাস ও মেধার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকার শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যেই বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার ‘আন্দোলনময় শিক্ষা’র যে সংস্কৃতি গড়ে তুলছে, তা প্রতারণামূলক মানসিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
৮ বার পঠিত হয়েছে

প্রশ্নপত্র বিতরণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনে চলছে সরকার : মাহদী আমিন

আপডেট এর সময় : ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

তিনি বলেন, ‘একটি অসাধু চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের অপতৎপরতা রোধে সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’

আজ (রোববার) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন জানান, প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে ভুয়া প্রশ্ন সাজিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গত কয়েক দিনে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতরা একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছিল। ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো চক্র অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

উপদেষ্টা বলেন, একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে প্রশ্নফাঁসের যে বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু সেটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নয় বরং সুপরিকল্পিত একটি প্রতারণা।

চক্রটি প্রথমে টাকা নেয় এবং পরে নানা অজুহাত দিয়ে উধাও হয়ে যায়। এমনকি পরীক্ষা শুরুর পর প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেটিকে আগের রাতে আপলোড করা হয়েছিল বলে দাবি করে শিক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলে।

তিনি আরও জানান, সত্যিকারের প্রমাণ না থাকায় এবং প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেলটি নিজ দায়িত্বেই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নিয়েছে।

বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ‘সেই সময়ে পাঠ্যপুস্তকে বিকৃত ইতিহাস ও মেধার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকার শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যেই বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার ‘আন্দোলনময় শিক্ষা’র যে সংস্কৃতি গড়ে তুলছে, তা প্রতারণামূলক মানসিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেন।