ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি Logo কমিউনিস্ট আদর্শ আমেরিকার মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : ট্রাম্প Logo ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ Logo জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ Logo বাবার জানাজায় থাকবেন না মোজতবা খামেনি, নেপথ্যে যে কারণ Logo ৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো Logo গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জে অস্ত্র তৈনাররির কারখা সন্ধান

প্রতিনিধির নাম :

মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলা চরাঞ্চলের গজারিয়া কান্দি এলাকায় অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে। সেখান  থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও তা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে স্নাইপার রাইফেলের মতো মারণাস্ত্রও।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, চরকেওয়ার গজারিয়া কান্দি এলাকায় জনৈক মিজানুর রহমানের নিজ বাড়ির কারখানায় অস্ত্র তৈরির খবর জানতে পারে পুলিশ। পরে রবিবার গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্র তৈরির কারখানার মূল হোতা মিজানুর রহমান (৩৮) ওই গ্রামের খোরশেদ দিদারের ছেলে। তিন নিজ বাড়িতে অস্ত্র তৈরির এ কারখানা গড়ে তুলেছিলেন।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদির মধ্যে রয়েছে – একটি দেশীয় তৈরি স্নাইপার রাইফেল, দুইটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুট্যার গান, এক রাউন্ড রাইফেলের গুলি, নয় রাউন্ড পিস্তলের গুলি, চার রাউন্ড শর্ট গানের গুলি, পিস্তলের দুইটি গুলির খোসা, স্নাইপার রাইফেলের দুইটি পাইপ, একটি ছোরা ও চাপাতি, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির ড্রিল মেশিন, দুইটি পিস্তল সাদৃশ্য স্টিলের পাত, ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির স্প্রিং এবং লাগেজ ভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।

সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি মিজানুর রহমান পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক মিজানুর রহমানসহ সহযোগিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
১১ বার পঠিত হয়েছে

মুন্সীগঞ্জে অস্ত্র তৈনাররির কারখা সন্ধান

আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলা চরাঞ্চলের গজারিয়া কান্দি এলাকায় অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে। সেখান  থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও তা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে স্নাইপার রাইফেলের মতো মারণাস্ত্রও।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, চরকেওয়ার গজারিয়া কান্দি এলাকায় জনৈক মিজানুর রহমানের নিজ বাড়ির কারখানায় অস্ত্র তৈরির খবর জানতে পারে পুলিশ। পরে রবিবার গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্র তৈরির কারখানার মূল হোতা মিজানুর রহমান (৩৮) ওই গ্রামের খোরশেদ দিদারের ছেলে। তিন নিজ বাড়িতে অস্ত্র তৈরির এ কারখানা গড়ে তুলেছিলেন।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদির মধ্যে রয়েছে – একটি দেশীয় তৈরি স্নাইপার রাইফেল, দুইটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুট্যার গান, এক রাউন্ড রাইফেলের গুলি, নয় রাউন্ড পিস্তলের গুলি, চার রাউন্ড শর্ট গানের গুলি, পিস্তলের দুইটি গুলির খোসা, স্নাইপার রাইফেলের দুইটি পাইপ, একটি ছোরা ও চাপাতি, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির ড্রিল মেশিন, দুইটি পিস্তল সাদৃশ্য স্টিলের পাত, ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির স্প্রিং এবং লাগেজ ভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।

সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি মিজানুর রহমান পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক মিজানুর রহমানসহ সহযোগিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।