ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

না খেলেও রাশিয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশ!

প্রতিনিধির নাম :

রাশিয়ায় বিশ্বকাপে বাংলাদেশ! চমক তো বটেই। চমকে যাওয়ার মতোই খবর। কিন্তু কীভাবে? এবার ফিফা বিশ্বকাপে মেসিদের জ্যাকেটে চেপে রাশিয়া পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এমনটাই ঘটতে চলেছে। যা নিয়ে রীতিমতো গর্বিত বাংলাদেশ।

আর দিন পনেরো বাকি বিশ্বকাপের। ইতোমধ্যেই সব দল তৈরি রাশিয়ার বিমান ধরার জন্য। আর তাদের গায়ে চেপেই সেই বিমানে উঠে পড়ছে বাংলাদেশ। কেউ মেসি তো কেউ ইনিয়েস্তা আবার কেউ চেপে পড়ছে মুলারের গায়ে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বড় বাস্তব।

জার্মানি, স্পেন, আর্জেন্টিনাসহ বিশ্বের একাধিক দেশের কিট স্পন্সর একটি বেসরকারি সংস্থা। সেই সংস্থা বাংলাদেশ থেকে তৈরি করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানি দলের অফিসিয়াল জ্যাকেট।

এই দেশগুলির ফুটবলারদের গায়ে যে জ্যাকেট থাকবে সেটি রাশিয়া থেকে অনেক দূরের দেশ বাংলাদেশে তৈরি। বাংলাদেশের ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৯৭। ফুটবল বিশ্বকাপ খেলতে না পারলেও সব ফেভারিট দলের খেলোয়াড়দের গায়ে থাকছে বাংলাদেশের তৈরি জ্যাকেট। এসব জ্যাকেট পরেই ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যাবে বিশ্বের সেরা সেরা তারকাদের। যার গায়ে লেখা থাকবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’।

চট্টগ্রামে অবস্থিত কর্নফুলি শু ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি কোম্পানি তৈরি হয়েছে জ্যাকেটগুলি। ফুটবল বিশ্বকাপে এটাই বড় প্রাপ্তি বাংলাদেশের। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে শুরু হয়েছিল এই জ্যাকেট তৈরির কাজ। কাজ শেষ হয় নভেম্বরে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংস্থার হাতে পৌঁছে যায় সব জ্যাকেট। সেখান থেকে চলে যায় বিভিন্ন দলের কাছে।

সবার জ্যাকেটই আলাদা দেখতে। আর্জেন্টিনার জ্যাকেটে রয়েছে দুইটি নক্ষত্রচিহ্ন। কারণ দুইবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মেসির দেশ। এ বার মেসির হাত ধরে সেই লক্ষ্যে নামবে নীল-সাদা ব্রিগেড। এটাই হতে পারে মেসির শেষ বিশ্বকাপ। তার গায়েও উঠল বাংলাদেশের তৈরি জ্যাকেট। আবার জার্মানি যেহেতু চারবার বিশ্বকাপ জিতেছে তাই তাদের জ্যাকেটে রয়েছে চারটি নক্ষত্রচিহ্ন।

বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের জন্য জ্যাকেট তৈরি করতে পেরে খুশি বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে না থেকেও থাকবে মেসি-মুলারদের মতো তারকাদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকবে বাংলাদেশ। এটা দেশের জন্য গর্বের। যে শ্রমিকরা দিন-রাত পরিশ্রম করে এই জ্যাকেট তৈরি করেছেন, তারা যখন দেখবেন মেসিদের গায়ে তাদেরেই তৈরি জ্যাকেট তখন তা দেখে কার না গর্বে বুক ভরে উঠবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮
২৩ বার পঠিত হয়েছে

না খেলেও রাশিয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশ!

আপডেট এর সময় : ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

রাশিয়ায় বিশ্বকাপে বাংলাদেশ! চমক তো বটেই। চমকে যাওয়ার মতোই খবর। কিন্তু কীভাবে? এবার ফিফা বিশ্বকাপে মেসিদের জ্যাকেটে চেপে রাশিয়া পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এমনটাই ঘটতে চলেছে। যা নিয়ে রীতিমতো গর্বিত বাংলাদেশ।

আর দিন পনেরো বাকি বিশ্বকাপের। ইতোমধ্যেই সব দল তৈরি রাশিয়ার বিমান ধরার জন্য। আর তাদের গায়ে চেপেই সেই বিমানে উঠে পড়ছে বাংলাদেশ। কেউ মেসি তো কেউ ইনিয়েস্তা আবার কেউ চেপে পড়ছে মুলারের গায়ে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বড় বাস্তব।

জার্মানি, স্পেন, আর্জেন্টিনাসহ বিশ্বের একাধিক দেশের কিট স্পন্সর একটি বেসরকারি সংস্থা। সেই সংস্থা বাংলাদেশ থেকে তৈরি করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানি দলের অফিসিয়াল জ্যাকেট।

এই দেশগুলির ফুটবলারদের গায়ে যে জ্যাকেট থাকবে সেটি রাশিয়া থেকে অনেক দূরের দেশ বাংলাদেশে তৈরি। বাংলাদেশের ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৯৭। ফুটবল বিশ্বকাপ খেলতে না পারলেও সব ফেভারিট দলের খেলোয়াড়দের গায়ে থাকছে বাংলাদেশের তৈরি জ্যাকেট। এসব জ্যাকেট পরেই ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যাবে বিশ্বের সেরা সেরা তারকাদের। যার গায়ে লেখা থাকবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’।

চট্টগ্রামে অবস্থিত কর্নফুলি শু ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি কোম্পানি তৈরি হয়েছে জ্যাকেটগুলি। ফুটবল বিশ্বকাপে এটাই বড় প্রাপ্তি বাংলাদেশের। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে শুরু হয়েছিল এই জ্যাকেট তৈরির কাজ। কাজ শেষ হয় নভেম্বরে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংস্থার হাতে পৌঁছে যায় সব জ্যাকেট। সেখান থেকে চলে যায় বিভিন্ন দলের কাছে।

সবার জ্যাকেটই আলাদা দেখতে। আর্জেন্টিনার জ্যাকেটে রয়েছে দুইটি নক্ষত্রচিহ্ন। কারণ দুইবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মেসির দেশ। এ বার মেসির হাত ধরে সেই লক্ষ্যে নামবে নীল-সাদা ব্রিগেড। এটাই হতে পারে মেসির শেষ বিশ্বকাপ। তার গায়েও উঠল বাংলাদেশের তৈরি জ্যাকেট। আবার জার্মানি যেহেতু চারবার বিশ্বকাপ জিতেছে তাই তাদের জ্যাকেটে রয়েছে চারটি নক্ষত্রচিহ্ন।

বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের জন্য জ্যাকেট তৈরি করতে পেরে খুশি বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে না থেকেও থাকবে মেসি-মুলারদের মতো তারকাদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকবে বাংলাদেশ। এটা দেশের জন্য গর্বের। যে শ্রমিকরা দিন-রাত পরিশ্রম করে এই জ্যাকেট তৈরি করেছেন, তারা যখন দেখবেন মেসিদের গায়ে তাদেরেই তৈরি জ্যাকেট তখন তা দেখে কার না গর্বে বুক ভরে উঠবে।