ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ১৩ সংখ্যা নিয়ে নানা অন্ধবিশ্বাস Logo চার দশকে সূর্যের অভ্যন্তরে বড় পরিবর্তন, উদ্বেগ বিজ্ঞানীদের Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত Logo হজযাত্রীদের লাগেজ চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন: মিল্লাত Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফানের সাক্ষাৎ Logo ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা Logo নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শিগগিরই দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আস্থা পুনর্গঠন ও সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার খলিলুর রহমানের Logo ক্ষমতা গ্রহণের ৩ মাসেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : মির্জা ফখরুল

না খেলেও রাশিয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশ!

প্রতিনিধির নাম :

রাশিয়ায় বিশ্বকাপে বাংলাদেশ! চমক তো বটেই। চমকে যাওয়ার মতোই খবর। কিন্তু কীভাবে? এবার ফিফা বিশ্বকাপে মেসিদের জ্যাকেটে চেপে রাশিয়া পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এমনটাই ঘটতে চলেছে। যা নিয়ে রীতিমতো গর্বিত বাংলাদেশ।

আর দিন পনেরো বাকি বিশ্বকাপের। ইতোমধ্যেই সব দল তৈরি রাশিয়ার বিমান ধরার জন্য। আর তাদের গায়ে চেপেই সেই বিমানে উঠে পড়ছে বাংলাদেশ। কেউ মেসি তো কেউ ইনিয়েস্তা আবার কেউ চেপে পড়ছে মুলারের গায়ে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বড় বাস্তব।

জার্মানি, স্পেন, আর্জেন্টিনাসহ বিশ্বের একাধিক দেশের কিট স্পন্সর একটি বেসরকারি সংস্থা। সেই সংস্থা বাংলাদেশ থেকে তৈরি করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানি দলের অফিসিয়াল জ্যাকেট।

এই দেশগুলির ফুটবলারদের গায়ে যে জ্যাকেট থাকবে সেটি রাশিয়া থেকে অনেক দূরের দেশ বাংলাদেশে তৈরি। বাংলাদেশের ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৯৭। ফুটবল বিশ্বকাপ খেলতে না পারলেও সব ফেভারিট দলের খেলোয়াড়দের গায়ে থাকছে বাংলাদেশের তৈরি জ্যাকেট। এসব জ্যাকেট পরেই ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যাবে বিশ্বের সেরা সেরা তারকাদের। যার গায়ে লেখা থাকবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’।

চট্টগ্রামে অবস্থিত কর্নফুলি শু ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি কোম্পানি তৈরি হয়েছে জ্যাকেটগুলি। ফুটবল বিশ্বকাপে এটাই বড় প্রাপ্তি বাংলাদেশের। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে শুরু হয়েছিল এই জ্যাকেট তৈরির কাজ। কাজ শেষ হয় নভেম্বরে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংস্থার হাতে পৌঁছে যায় সব জ্যাকেট। সেখান থেকে চলে যায় বিভিন্ন দলের কাছে।

সবার জ্যাকেটই আলাদা দেখতে। আর্জেন্টিনার জ্যাকেটে রয়েছে দুইটি নক্ষত্রচিহ্ন। কারণ দুইবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মেসির দেশ। এ বার মেসির হাত ধরে সেই লক্ষ্যে নামবে নীল-সাদা ব্রিগেড। এটাই হতে পারে মেসির শেষ বিশ্বকাপ। তার গায়েও উঠল বাংলাদেশের তৈরি জ্যাকেট। আবার জার্মানি যেহেতু চারবার বিশ্বকাপ জিতেছে তাই তাদের জ্যাকেটে রয়েছে চারটি নক্ষত্রচিহ্ন।

বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের জন্য জ্যাকেট তৈরি করতে পেরে খুশি বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে না থেকেও থাকবে মেসি-মুলারদের মতো তারকাদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকবে বাংলাদেশ। এটা দেশের জন্য গর্বের। যে শ্রমিকরা দিন-রাত পরিশ্রম করে এই জ্যাকেট তৈরি করেছেন, তারা যখন দেখবেন মেসিদের গায়ে তাদেরেই তৈরি জ্যাকেট তখন তা দেখে কার না গর্বে বুক ভরে উঠবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮
৯ বার পঠিত হয়েছে

না খেলেও রাশিয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশ!

আপডেট এর সময় : ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

রাশিয়ায় বিশ্বকাপে বাংলাদেশ! চমক তো বটেই। চমকে যাওয়ার মতোই খবর। কিন্তু কীভাবে? এবার ফিফা বিশ্বকাপে মেসিদের জ্যাকেটে চেপে রাশিয়া পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এমনটাই ঘটতে চলেছে। যা নিয়ে রীতিমতো গর্বিত বাংলাদেশ।

আর দিন পনেরো বাকি বিশ্বকাপের। ইতোমধ্যেই সব দল তৈরি রাশিয়ার বিমান ধরার জন্য। আর তাদের গায়ে চেপেই সেই বিমানে উঠে পড়ছে বাংলাদেশ। কেউ মেসি তো কেউ ইনিয়েস্তা আবার কেউ চেপে পড়ছে মুলারের গায়ে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বড় বাস্তব।

জার্মানি, স্পেন, আর্জেন্টিনাসহ বিশ্বের একাধিক দেশের কিট স্পন্সর একটি বেসরকারি সংস্থা। সেই সংস্থা বাংলাদেশ থেকে তৈরি করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানি দলের অফিসিয়াল জ্যাকেট।

এই দেশগুলির ফুটবলারদের গায়ে যে জ্যাকেট থাকবে সেটি রাশিয়া থেকে অনেক দূরের দেশ বাংলাদেশে তৈরি। বাংলাদেশের ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৯৭। ফুটবল বিশ্বকাপ খেলতে না পারলেও সব ফেভারিট দলের খেলোয়াড়দের গায়ে থাকছে বাংলাদেশের তৈরি জ্যাকেট। এসব জ্যাকেট পরেই ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যাবে বিশ্বের সেরা সেরা তারকাদের। যার গায়ে লেখা থাকবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’।

চট্টগ্রামে অবস্থিত কর্নফুলি শু ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি কোম্পানি তৈরি হয়েছে জ্যাকেটগুলি। ফুটবল বিশ্বকাপে এটাই বড় প্রাপ্তি বাংলাদেশের। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে শুরু হয়েছিল এই জ্যাকেট তৈরির কাজ। কাজ শেষ হয় নভেম্বরে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংস্থার হাতে পৌঁছে যায় সব জ্যাকেট। সেখান থেকে চলে যায় বিভিন্ন দলের কাছে।

সবার জ্যাকেটই আলাদা দেখতে। আর্জেন্টিনার জ্যাকেটে রয়েছে দুইটি নক্ষত্রচিহ্ন। কারণ দুইবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মেসির দেশ। এ বার মেসির হাত ধরে সেই লক্ষ্যে নামবে নীল-সাদা ব্রিগেড। এটাই হতে পারে মেসির শেষ বিশ্বকাপ। তার গায়েও উঠল বাংলাদেশের তৈরি জ্যাকেট। আবার জার্মানি যেহেতু চারবার বিশ্বকাপ জিতেছে তাই তাদের জ্যাকেটে রয়েছে চারটি নক্ষত্রচিহ্ন।

বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের জন্য জ্যাকেট তৈরি করতে পেরে খুশি বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে না থেকেও থাকবে মেসি-মুলারদের মতো তারকাদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকবে বাংলাদেশ। এটা দেশের জন্য গর্বের। যে শ্রমিকরা দিন-রাত পরিশ্রম করে এই জ্যাকেট তৈরি করেছেন, তারা যখন দেখবেন মেসিদের গায়ে তাদেরেই তৈরি জ্যাকেট তখন তা দেখে কার না গর্বে বুক ভরে উঠবে।