উজিরপুরে পঙ্গু মহাসিনের জমির উপর ক্ষমতার বলে জোর দখল করে বাড়ি নিমার্ণ করার অভিযোগ

রেদওয়ান রনিঃ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বরিশালের উজিরপুর থানাধীন দক্ষিণ ধামুরা জ্বাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার প্রভাবে এতিম অসহায় পঙ্গু জমি দখল করার অভিযোগ। উজিরপুর থানাধীন দক্ষিণ ধামুরা এলাকার ভূমিদস্যু মাদক সন্ত্রাস (১) ফজলুক হক আকন (৫৭) পিতা-এমতাজ উদ্দিন আকন, (২) ফরিদ আকন (৪০), (৩) সোহাগ আকন (৪০) (৪) শাহিন আকন (৩৫) উভয় পিতা- ফজলুল হক আকন, সাং- দক্ষিণ ধামুরা, থানাঃ উজিরপুর, জেলাঃ বরিশাল এই সন্ত্রাসীরা মিলে পঙ্গু মহাসিন আকনের ১৭ শতাংশ জমি জোর পূর্বক দখল করে নেয়। তাহার মৌজা নং- এস.এ-৩০৫ নং খতিয়ানের এস.এ-২৯৪৮, ২৯৪৯,২৯৫০, ২৯৫১ নং দাগের তফসিল সম্পত্তির পরিমান ১৭। অসহায় মহাসিন পঙ্গু এই জমিনটি আত্মসাতৎ করে নিয়ে গেলেন ফজলুল হক আকনের সন্ত্রাসী বাহিনীরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সন্ত্রাস রাহিনীরা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পরোয়া করে না তাদের ব্যাপারে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং-২১৩/১৭ (উজিরপুর) তারা ফৌঃ ধাঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৪৪/১৪৫ স্মারক নং-২৪৩ তারিখ-২৫/০১/২০১৮ ইং অত্র মামলা ধার্য্য থাকেন। বিজ্ঞ আদালত থেকে উক্ত মামলা বরাবর অফিসার ইনর্চাজ কে হাওলা করে। অফিসার ইনর্চাজ তদন্ত করে কাগজপত্রাদি যাচাই-বাচাই করে মামলা বাদী হনুফা বেগম কে রায় ঘোষনা করেন। উক্ত রায় অমান্য করে সন্ত্রাসীরা এখনও ঐ জমিনে ঘর নিমার্ণ করিয়া কাজ চালিয়া আসিতেছেন বলে জানিয়েছেন। সূত্রে আরো জানা যায়, এই মামলার হনুফা বেগম কে দিনের পর দিন প্রাণ নাশের হুমকি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছেন বলে, তোর স্বামী তো পঙ্গু তুই যদি এই জমিন নিয়ে আর কোন মামলা করোজ তাহলে তোকেও তোর স্বামীর মতো পঙ্গু করে দিবো এবং লাশ গুম করে ফেলবো এই বলিয়া হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন সন্ত্রাস বাহিনীরা। হনুফা বেগম নিরূপায় হইয়া ২৭/০৫/২০১৮ ইং তারিখে বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থা চেয়ারম্যান বরাবর একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন। ঐ অভিযোগ পত্রে উল্লেখ থাকে, আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ফজলুল হক আকন সন্ত্রাস বাহিনীরা জোর করে ঐ জমির উপর বাড়ি নির্মাণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়। তাইআইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দৃষ্টি আকষন করছি। উক্ত বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে এই সন্ত্রাস, ভূমিদস্যু বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার মর্জি হয়।….(চলবে)
বরিশাল সদর উপজেলা চরবাড়িয়া এলাকায় রাস্তাঘাটের
বেহাল অবস্থা তাতে ভুক্তভোগি এলাকার সর্বোস্তরে জনগণ
মাছুদুর রহমান আসলাম,, স্থানীয় সূত্রে জানা, বরিশাল সদর উপজেলায় তালতলী থেকে রামচরী পর্যন্ত বেহাল দশা রাস্তাঘাট তাতে ভুক্তিভোগি এলাকার সর্বোস্তরে জনগণ এই এলাকায় প্রায় ৮/১০ হাজার লোক বসবাস করেন। এই বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন গত ৪/৫ বছর যাবত এই রাস্তার বেহাল দশা। তারা আরো বলেন, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার উন্নয়নের রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনা সকল জেলায় রাস্তাঘাট দ্রুতভাবে কাজ করার নির্দেশ থাকা সত্ত্বে আমাদের চারবাড়িয়া ইউনিয়নের রামচরী গ্রামের রাস্তার বেহাল অবস্থায় প্রায় ৫ বছর যাবত কোন মেরামত হয় না। যখনই মেরামতের প্রশ্ন তোলা হয়। তখনই আমাদের স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা বলেন এই রাস্তটি খ.এ.উ রাস্তার বলে গন্য করা হয়। এই রাস্তার কাজ খ.এ.উ আওতাধীন বলে জনগনকে বুঝিয়ে রাখে। এই ব্যাপারে চরবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহাতাব হোসেন সুরুজ কে ফোন দিলে সে সংবাদদাতাকে জানান, তালতলী থেকে রামচরী পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার রাস্তা প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার রাস্তার মেরামত চালিয়ে যাচ্ছি। তাতে আমাদের বরাদ্দ হলো ১ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা । তাতে আমাদের সম্পূর্ণ রাস্তার কাজ করা হবে না। তারপরে আর কোনো বরাদ্দ নাই বলে জানান। তার বক্তব্য হলো আমিও চাই। রাস্তাঘাট এবং মেরামত করা জনগনের সেবা করা আমাদের মূল কাজ। বরাদ্দ না থাকলে আমি কোথা থেকে কাজ করে দিবো বলে জানান। তাই স্থানীয় জনগণের বক্তব্য হলো আমাদের চেয়ারম্যান হলো যেই থেকে আমাদের এলাকার চেয়ারম্যান হয় ঐই থেকে আমাদের এলাকার ন্যায় বিচার করার রাস্তাঘাট ভালো করার মাদক মুক্ত করার আমরা শান্তিতে বসবাস করতে পারি এই কাজ করিয়া আসিতেছেন। আমরা জনগণ আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে মাহাতাব হোসেন সুরুজকে আমাদের চরবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দেখতে চাই সে একজন সৎ আদর্শবান ন্যায় বিচারক এর সাফল্য কামনা করি সর্বোস্তরে জনগণ। তাই উক্ত বিষয়টি এই চরবাড়িয়া ইউনিয়নের রামচরী গ্রামের রাস্তাঘাট বেহাল দশা। তাহার কাজ ও মেরামত করার বরিশাল উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়ের বরাবরে দৃষ্টি কামনা করছি।






















