ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা Logo বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি

৩০ কেজি ওজনের লেহেঙ্গা দীপিকার শরীরে!

প্রতিনিধির নাম :

সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতী, চিতোরের রাজা রত্নসেন, দিল্লীর সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজি, রাজা দেবপাল- এসকল চরিত্র নিয়ে রচিত কাল্পনিক কাহিনীর কাব্যরূপ পদ্মাবতী।

ট্রেইলারে পরিচালক গল্পের তেমন কিছু প্রকাশ করেন নি। ট্রেইলার জুড়ে ফুটে উঠেছে সে সময়ের রাজপুতানী সংস্কৃতি। প্রতিটা ফ্রেম নিয়ে যায় ৭০০ বছর পেছনে। সেট তৈরি তে বিন্দু মাত্র কার্পণ্য করা হয় নি তা স্পষ্ট।

১৫৪০ সালে মালিক মুহাম্মদ জয়সি “পদুমাবৎ” রচনা করেন, যা মধ্যযুগের বাঙালি কবি আলাওল “পদ্মাবতী” নামে অনুবাদ করেন। সিংহলের অতুলনীয় সুন্দরী রাজকন্যা পদ্মাবতীকে বিয়ে করেন মেবার রাজ্যের রাজা রাজপুত রত্নসেন।

এদিকে পদ্মাবতীর সৌন্দর্যের কথা শুনে তাকে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেন সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজি। খিলজির পদ্মাবতীকে পাওয়ার উন্মাদনা, রত্নসেনে তার স্ত্রীকে রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা পরিশেষে নিজের সম্মান বাঁচাতে পদ্মাবতীর জোহার পালন, এই হলো পদ্মাবতীর মূল গল্প।

পোষাকের ক্ষেত্রে এগিয়ে গিয়েছেন আরো এক ধাপ। পদ্মাবতী, রত্নসেন থেকে খিলজি সবার পোষাকে দেয়া হয়েছে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির ছায়া। পদ্মাবতীর রাজকীয় সাজ হোক কিংবা রন্তসেনের রাজপুত যোদ্ধার বেশ কিংবা খিলজির হিংস্র যোদ্ধা অবতার সব কিছুই যেন প্রতিটা চরিত্রের জন্য কথা বলে।

ট্রেইলারে তেমন কোন সংলাপ নেই, তবুও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায় কার কি চরিত্র। ট্রেইলারে আলোক সজ্জা অন্যতম আকর্ষণ। কোথাও আলোর আধিক্য নেই। প্রদীপ আর মশালের আলোর যে আভা থাকার কথা সেই আভা ধরে রাখার সফল চেষ্টা দেখা যায়।

তবে দীপিকার পোশাক নিয়ে এখন চলছে খুনসুটি। টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন অনুসারে, তার পরিহিত প্রতিটি লেহেঙ্গার মূল্য ২০ লাখ টাকার উপরে, আর প্রতিটি লেহেঙ্গার ওজন ছিল ৩০ কেজি করে।

কিন্তু দীপিকা কখনও এই লেহেঙ্গা নিয়ে কোন প্রকার নারাজ বা রাগের মনোভাব দেখায়নি। সে প্রতিদিন খুশি মনে এই লেহেঙ্গা পড়ে অভিনয় করে কাটিয়েছেন।

প্রতিদিন প্রায় ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা এই ভারী লেহেঙ্গা পড়ে অভিনয় করেছেন দীপিকা। এভাবে ১০০ দিনের বেশি শুটিং চলেছে এই সিনেমার। তার অভিনয় শিল্পী অনেক আগে থেকেই প্রশংসনীয়, এবার বুঝা যাচ্ছে তার ধৈর্য শক্তির ও কোন কমতি নেই।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৭
২০ বার পঠিত হয়েছে

৩০ কেজি ওজনের লেহেঙ্গা দীপিকার শরীরে!

আপডেট এর সময় : ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৭

সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতী, চিতোরের রাজা রত্নসেন, দিল্লীর সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজি, রাজা দেবপাল- এসকল চরিত্র নিয়ে রচিত কাল্পনিক কাহিনীর কাব্যরূপ পদ্মাবতী।

ট্রেইলারে পরিচালক গল্পের তেমন কিছু প্রকাশ করেন নি। ট্রেইলার জুড়ে ফুটে উঠেছে সে সময়ের রাজপুতানী সংস্কৃতি। প্রতিটা ফ্রেম নিয়ে যায় ৭০০ বছর পেছনে। সেট তৈরি তে বিন্দু মাত্র কার্পণ্য করা হয় নি তা স্পষ্ট।

১৫৪০ সালে মালিক মুহাম্মদ জয়সি “পদুমাবৎ” রচনা করেন, যা মধ্যযুগের বাঙালি কবি আলাওল “পদ্মাবতী” নামে অনুবাদ করেন। সিংহলের অতুলনীয় সুন্দরী রাজকন্যা পদ্মাবতীকে বিয়ে করেন মেবার রাজ্যের রাজা রাজপুত রত্নসেন।

এদিকে পদ্মাবতীর সৌন্দর্যের কথা শুনে তাকে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেন সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজি। খিলজির পদ্মাবতীকে পাওয়ার উন্মাদনা, রত্নসেনে তার স্ত্রীকে রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা পরিশেষে নিজের সম্মান বাঁচাতে পদ্মাবতীর জোহার পালন, এই হলো পদ্মাবতীর মূল গল্প।

পোষাকের ক্ষেত্রে এগিয়ে গিয়েছেন আরো এক ধাপ। পদ্মাবতী, রত্নসেন থেকে খিলজি সবার পোষাকে দেয়া হয়েছে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির ছায়া। পদ্মাবতীর রাজকীয় সাজ হোক কিংবা রন্তসেনের রাজপুত যোদ্ধার বেশ কিংবা খিলজির হিংস্র যোদ্ধা অবতার সব কিছুই যেন প্রতিটা চরিত্রের জন্য কথা বলে।

ট্রেইলারে তেমন কোন সংলাপ নেই, তবুও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায় কার কি চরিত্র। ট্রেইলারে আলোক সজ্জা অন্যতম আকর্ষণ। কোথাও আলোর আধিক্য নেই। প্রদীপ আর মশালের আলোর যে আভা থাকার কথা সেই আভা ধরে রাখার সফল চেষ্টা দেখা যায়।

তবে দীপিকার পোশাক নিয়ে এখন চলছে খুনসুটি। টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন অনুসারে, তার পরিহিত প্রতিটি লেহেঙ্গার মূল্য ২০ লাখ টাকার উপরে, আর প্রতিটি লেহেঙ্গার ওজন ছিল ৩০ কেজি করে।

কিন্তু দীপিকা কখনও এই লেহেঙ্গা নিয়ে কোন প্রকার নারাজ বা রাগের মনোভাব দেখায়নি। সে প্রতিদিন খুশি মনে এই লেহেঙ্গা পড়ে অভিনয় করে কাটিয়েছেন।

প্রতিদিন প্রায় ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা এই ভারী লেহেঙ্গা পড়ে অভিনয় করেছেন দীপিকা। এভাবে ১০০ দিনের বেশি শুটিং চলেছে এই সিনেমার। তার অভিনয় শিল্পী অনেক আগে থেকেই প্রশংসনীয়, এবার বুঝা যাচ্ছে তার ধৈর্য শক্তির ও কোন কমতি নেই।