ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

আন্দোলন থেকে সরে যাওয়ার উপায় খুঁজছেন শিক্ষকরা

প্রতিনিধির নাম :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া আশ্বাসের ওপর আস্থা রেখে আন্দোলন থেকে সরে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে আমরণ অনশনরত শিক্ষকদের।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে আবেদন নিয়ে গেলে তার (প্রধানমন্ত্রীর) একান্ত সচিব-২ ওয়াহিদা আক্তার মঙ্গলবার এই পরামর্শ দেন।

এছাড়া এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. বিনয়ভূষণ রায় এ তথ্য জানান।

ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, একান্ত সচিবের পরামর্শের ভিত্তিতে তারা মঙ্গলবার বিকালেই শিক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়ে তার ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) নাজমুল ইসলাম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু সাক্ষাতের সময়সূচি তারা এখনও পাননি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখানোর উপায় তারা খুঁজছেন। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য না শুনে তারা করণীয় নির্ধারণ করতে পারছেন না।

অধ্যক্ষ ডলার আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ব্যাপারে গত ৫ জানুয়ারি আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বাজেটে কোনো প্রতিফলন দেখতে পারনি। তাই গত ১০ জুন থেকে তারা আন্দোলন করছেন। সেই আন্দোলনের এক মাস পূর্ণও হয়েছে। এখন সুনির্দিষ্ট কোনো রূপরেখা ছাড়া আন্দোলন প্রত্যাহার করতে পারেন না। তাই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা শেষে কর্মসূচি প্রত্যাহার করবেন। সে জন্যই শিক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাৎ দরকার।

তিনি মনে করেন, তাদের দাবি হচ্ছে একটিই- ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি। এই যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে আন্দোলন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন জমা দিতে যান ফেডারেশনের চার নেতা। তারা হলেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. বিনয় ভূষণ রায়, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, সহসভাপতি অধ্যক্ষ মো. আবদুল হামিদ ও প্রচার সম্পাদক ফিরোজ আহম্মেদ।

এমপিওভুক্তির দাবিতে ননএমপিও শিক্ষকরা গত ১০ জুন থেকে প্রেসক্লাবের বিপরীত পাশের সড়কে লাগাতার অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ২৫ জুন থেকে তারা আমরণ অনশন করছেন। বর্তমানে স্বীকৃতি পাওয়া কিন্তু এমপিওভুক্ত নয় এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে ৫ হাজার ২৪২টি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুলাই ২০১৮
১১ বার পঠিত হয়েছে

আন্দোলন থেকে সরে যাওয়ার উপায় খুঁজছেন শিক্ষকরা

আপডেট এর সময় : ০৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুলাই ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া আশ্বাসের ওপর আস্থা রেখে আন্দোলন থেকে সরে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে আমরণ অনশনরত শিক্ষকদের।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে আবেদন নিয়ে গেলে তার (প্রধানমন্ত্রীর) একান্ত সচিব-২ ওয়াহিদা আক্তার মঙ্গলবার এই পরামর্শ দেন।

এছাড়া এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. বিনয়ভূষণ রায় এ তথ্য জানান।

ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, একান্ত সচিবের পরামর্শের ভিত্তিতে তারা মঙ্গলবার বিকালেই শিক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়ে তার ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) নাজমুল ইসলাম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু সাক্ষাতের সময়সূচি তারা এখনও পাননি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখানোর উপায় তারা খুঁজছেন। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য না শুনে তারা করণীয় নির্ধারণ করতে পারছেন না।

অধ্যক্ষ ডলার আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ব্যাপারে গত ৫ জানুয়ারি আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বাজেটে কোনো প্রতিফলন দেখতে পারনি। তাই গত ১০ জুন থেকে তারা আন্দোলন করছেন। সেই আন্দোলনের এক মাস পূর্ণও হয়েছে। এখন সুনির্দিষ্ট কোনো রূপরেখা ছাড়া আন্দোলন প্রত্যাহার করতে পারেন না। তাই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা শেষে কর্মসূচি প্রত্যাহার করবেন। সে জন্যই শিক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাৎ দরকার।

তিনি মনে করেন, তাদের দাবি হচ্ছে একটিই- ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি। এই যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে আন্দোলন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন জমা দিতে যান ফেডারেশনের চার নেতা। তারা হলেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. বিনয় ভূষণ রায়, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, সহসভাপতি অধ্যক্ষ মো. আবদুল হামিদ ও প্রচার সম্পাদক ফিরোজ আহম্মেদ।

এমপিওভুক্তির দাবিতে ননএমপিও শিক্ষকরা গত ১০ জুন থেকে প্রেসক্লাবের বিপরীত পাশের সড়কে লাগাতার অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ২৫ জুন থেকে তারা আমরণ অনশন করছেন। বর্তমানে স্বীকৃতি পাওয়া কিন্তু এমপিওভুক্ত নয় এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে ৫ হাজার ২৪২টি।