ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

রায়ের বিরুদ্ধে খালেদার আপিল শুনানি শুরু

প্রতিনিধির নাম :

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। সকালে আপিল বিভাগ শুনানি শুরু করার নির্দেশ দিলে হাইকোর্ট বিভাগে শুনানি শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান আপিল শুনানি শুরু করেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে এজে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জয়নুল আবেদীন প্রমুখ উপস্থিত আছেন। দুদকের পক্ষে আছেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বাধ্যবাধকতা স্থগিত চেয়ে রিভিউ আবেদন ৩১ ‍জুলাই পর্যন্ত স্ট্যান্ডওভার রেখেছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। যদি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করতে না পারলে সময় বৃদ্ধির বিবেচনা করা হবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি সাজার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন খালেদা জিয়া। ৬০ পৃষ্ঠার মূল আবেদনের সঙ্গে ১২২৩ পৃষ্ঠার নথিপত্র জমা দেয়া হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে মোট ২৫টি যুক্তি দেখানো হয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো- যে অভিযোগে খালেদা জিয়াকে দণ্ড দেয়া হয়েছে সেটা দুর্নীতির মধ্যে পড়ে না। যে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খালেদার সাজা হয়েছে ওই টাকা এখনও ব্যাংকে রয়েছে বলেও যুক্তি দেখানো হয়েছে। বিশেষ আদালতের দেয়া সাজার বিরুদ্ধে আপিলে খালেদা জিয়ার খালাসও চেয়েছেন তার আইনজীবরা।

দুর্নীতি দমক কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গেল ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মামলায় রায় হওয়ার পরই বেগম জিয়াকে নাজিমুদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।

এ মামলায় আপিল করা অন্য দুই আসামি কাজী সলিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিনন আহমদ। তাদেরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ মামলায় পলাতক তিন আসামি হলেন- বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। এই তিন জন পলাতক থাকায় তারা আপিল দায়ের করেননি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই ২০১৮
১৪ বার পঠিত হয়েছে

রায়ের বিরুদ্ধে খালেদার আপিল শুনানি শুরু

আপডেট এর সময় : ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই ২০১৮

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। সকালে আপিল বিভাগ শুনানি শুরু করার নির্দেশ দিলে হাইকোর্ট বিভাগে শুনানি শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান আপিল শুনানি শুরু করেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে এজে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জয়নুল আবেদীন প্রমুখ উপস্থিত আছেন। দুদকের পক্ষে আছেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বাধ্যবাধকতা স্থগিত চেয়ে রিভিউ আবেদন ৩১ ‍জুলাই পর্যন্ত স্ট্যান্ডওভার রেখেছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। যদি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করতে না পারলে সময় বৃদ্ধির বিবেচনা করা হবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি সাজার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন খালেদা জিয়া। ৬০ পৃষ্ঠার মূল আবেদনের সঙ্গে ১২২৩ পৃষ্ঠার নথিপত্র জমা দেয়া হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে মোট ২৫টি যুক্তি দেখানো হয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো- যে অভিযোগে খালেদা জিয়াকে দণ্ড দেয়া হয়েছে সেটা দুর্নীতির মধ্যে পড়ে না। যে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খালেদার সাজা হয়েছে ওই টাকা এখনও ব্যাংকে রয়েছে বলেও যুক্তি দেখানো হয়েছে। বিশেষ আদালতের দেয়া সাজার বিরুদ্ধে আপিলে খালেদা জিয়ার খালাসও চেয়েছেন তার আইনজীবরা।

দুর্নীতি দমক কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গেল ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মামলায় রায় হওয়ার পরই বেগম জিয়াকে নাজিমুদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।

এ মামলায় আপিল করা অন্য দুই আসামি কাজী সলিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিনন আহমদ। তাদেরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ মামলায় পলাতক তিন আসামি হলেন- বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। এই তিন জন পলাতক থাকায় তারা আপিল দায়ের করেননি।