ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:

‘সু চির পদক্ষেপ দুঃখজনক, তবে নোবেল প্রত্যাহার নয়’

প্রতিনিধির নাম :

রোহিঙ্গা সংকটে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির পদক্ষেপ ‘দুঃখজনক’ হলেও শান্তিতে তার নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন নোবেল ফাউন্ডেশনের প্রধান লারস হেইকেনস্টেন।

শুক্রবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।

লারস হেইকেনস্টেন বলেন, পুরস্কার প্রদানের পরের কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তা প্রত্যাহারের কোনো মানে হয় না। সেক্ষেত্রে বিচারকদের ধারাবাহিকভাবে পুরস্কারপ্রাপ্তদের যোগ্যতা নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চির বিতর্কিত ভূমিকার জন্য একের পর এক তার পুরস্কার ও সম্মাননা প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে; এমন সময়ে নোবেল প্রধানের বক্তব্য এলো। এছাড়া আগামী শুক্রবারই  চলতি বছরের জন্য শান্তিতে পুরস্কার জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

সাক্ষাৎকারে হেইকেনস্টেইন বলেন, মিয়ানমারে সু চি যা করছেন তা যে বেশ প্রশ্নবিদ্ধ তা আমরা দেখছি। আমরা মানবাধিকারের পক্ষে, এটা আমাদের অন্যতম প্রধান মূল্যবোধ। রাখাইনে যা ঘটেছে অবশ্যই বিস্তৃতভাবে সু চি এর জন্য দায়ী। যা খুবই দুঃখজনক।

মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯১ সালে সু চি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

হেইকেনস্টেন বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই পুরস্কার পাওয়ার পর কিছু ব্যক্তিত্ব এমন বিতর্কিত কাজ করেন, যা আমরা অনুমোদন করতে পারি না। আগেও এমনটা ছিল, সবসময়ই হবে। এটা এড়ানো যাবে না বলেই আমার মনে হয়।

গত বছরের আগস্টে সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে হামলার অভিযোগ তুলে মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে অভিযানে নামে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দমন পীড়নে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে শুরু করে রোহিঙ্গারা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ অক্টোবর ২০১৮
১৩ বার পঠিত হয়েছে

‘সু চির পদক্ষেপ দুঃখজনক, তবে নোবেল প্রত্যাহার নয়’

আপডেট এর সময় : ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ অক্টোবর ২০১৮

রোহিঙ্গা সংকটে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির পদক্ষেপ ‘দুঃখজনক’ হলেও শান্তিতে তার নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন নোবেল ফাউন্ডেশনের প্রধান লারস হেইকেনস্টেন।

শুক্রবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।

লারস হেইকেনস্টেন বলেন, পুরস্কার প্রদানের পরের কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তা প্রত্যাহারের কোনো মানে হয় না। সেক্ষেত্রে বিচারকদের ধারাবাহিকভাবে পুরস্কারপ্রাপ্তদের যোগ্যতা নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চির বিতর্কিত ভূমিকার জন্য একের পর এক তার পুরস্কার ও সম্মাননা প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে; এমন সময়ে নোবেল প্রধানের বক্তব্য এলো। এছাড়া আগামী শুক্রবারই  চলতি বছরের জন্য শান্তিতে পুরস্কার জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

সাক্ষাৎকারে হেইকেনস্টেইন বলেন, মিয়ানমারে সু চি যা করছেন তা যে বেশ প্রশ্নবিদ্ধ তা আমরা দেখছি। আমরা মানবাধিকারের পক্ষে, এটা আমাদের অন্যতম প্রধান মূল্যবোধ। রাখাইনে যা ঘটেছে অবশ্যই বিস্তৃতভাবে সু চি এর জন্য দায়ী। যা খুবই দুঃখজনক।

মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯১ সালে সু চি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

হেইকেনস্টেন বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই পুরস্কার পাওয়ার পর কিছু ব্যক্তিত্ব এমন বিতর্কিত কাজ করেন, যা আমরা অনুমোদন করতে পারি না। আগেও এমনটা ছিল, সবসময়ই হবে। এটা এড়ানো যাবে না বলেই আমার মনে হয়।

গত বছরের আগস্টে সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে হামলার অভিযোগ তুলে মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে অভিযানে নামে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দমন পীড়নে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে শুরু করে রোহিঙ্গারা।