ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন Logo যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo বরগুনায় জেলা ফল মেলার উদ্বোধন Logo বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান Logo আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের Logo চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী Logo স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান

প্রতিনিধির নাম :

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবার সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শাহবাগের চার রাস্তার মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলনকারীরা বসে আছেন। শাহবাগ থেকে কাঁটাবন ও মৎস্য ভবনগামী রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শাহবাগ দিয়ে কোনো গাড়ি যেতে পারছে না, গাড়িগুলো হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার রাত থেকে চলছে এই অবস্থান কর্মসূচি। বৃহস্পতিবার ভোরে মানুষ একটু কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ৪০-৫০ জন নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন। ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল না করা পর্যন্ত অবরোধ অব্যাহত থাকবে বলে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তানরা কোটা বাতিল মানতে পারছি না। এই সিদ্ধান্ত জামায়াত-শিবিরের কাছে পরাজিত হওয়ার সিদ্ধান্ত। আমরা এই সিদ্ধান্ত মানি না। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা থাকতে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান হতে দেব না।

কোটা বহাল না রাখা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে— এমন ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, দেশের সকল ইউনিটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা ঢাকায় আসবে। তাদের নিয়ে বড় সমাবেশ করা হবে শাহবাগে।

প্রসঙ্গত, বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাতে রাস্তায় নামেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮
৭ বার পঠিত হয়েছে

মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান

আপডেট এর সময় : ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবার সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শাহবাগের চার রাস্তার মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলনকারীরা বসে আছেন। শাহবাগ থেকে কাঁটাবন ও মৎস্য ভবনগামী রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শাহবাগ দিয়ে কোনো গাড়ি যেতে পারছে না, গাড়িগুলো হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার রাত থেকে চলছে এই অবস্থান কর্মসূচি। বৃহস্পতিবার ভোরে মানুষ একটু কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ৪০-৫০ জন নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন। ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল না করা পর্যন্ত অবরোধ অব্যাহত থাকবে বলে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তানরা কোটা বাতিল মানতে পারছি না। এই সিদ্ধান্ত জামায়াত-শিবিরের কাছে পরাজিত হওয়ার সিদ্ধান্ত। আমরা এই সিদ্ধান্ত মানি না। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা থাকতে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান হতে দেব না।

কোটা বহাল না রাখা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে— এমন ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, দেশের সকল ইউনিটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা ঢাকায় আসবে। তাদের নিয়ে বড় সমাবেশ করা হবে শাহবাগে।

প্রসঙ্গত, বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাতে রাস্তায় নামেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।