সরকারের ‘স্পষ্ট’ বক্তব্য চান কোটার আন্দোলনকারীরা

সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব বুধবার অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। তবে প্রস্তাবের অনুমোদন নয়, সরকারের পক্ষ থেকে কোটা বাতিল অথবা সংস্কারের বিষয়ে ‘স্পষ্ট’ বক্তব্য চান আন্দোলনকারীরা। এর সঙ্গে তিন দফা দাবির আলোকে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন তারা। এছাড়া প্রতিবন্ধী কোটা নিয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলেও তারা জানিয়েছেন।
কোটা বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর বুধবার এক জরুরি বৈঠকের পর বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
এদিকে, এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানান পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন।
তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদে কোটা বাতিলের বিষয়ে অস্পষ্ট বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্র চাইলে যে কোনো সময় বাতিলের বিষয়টি পরিবর্তন হতে পারে বলা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বক্তব্যে কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়ে গেছে। আমরা কোটার সম্পূর্ণ বাতিল চাইনি। আমাদের পাঁচ দফার আলোকে সংস্কার চেয়েছি। একই সঙ্গে আমাদের তিন দফা দাবি মেনে নিতে হবে। তিন দফা দাবি হলো— সব আটক ব্যক্তির মুক্তি, হামলাকারীদের বিচার ও পাঁচ দফার আলোকে কোটা সংস্কার।’
পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর বলেন, ‘সরকার কোটা বাতিল নাকি সংস্কার করেছে, এখনও তা নিয়ে তাদের বক্তব্য পরিষ্কার করেনি। আমরা কোটার সংস্কার চেয়েছিলাম, তবে প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ রাখা হলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’
তিনি বলেন, ‘গত ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী সংসদে কোটা বাতিলের কথা বলে পরে তিনি তার অবস্থান থেকে সরে এসেছিলেন। এখন আবার এ রকমও বলা হচ্ছে, রাষ্ট্রের প্রয়োজনে কোটা ব্যবস্থা আবার ফিরে আসতে পারে। আমরা তিনটি দাবি নিয়ে আন্দোলন করে আসছিলাম। সরকার একটি দাবির পক্ষে তাদের মতামত জানিয়েছে। আর দুটির বিষয়ে কিন্তু কিছু বলেনি।’
























