1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বিএনপির মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যারা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট প্রদানের হার ৩২.৮৮ শতাংশ : ইসি সচিব উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান তারেক রহমানের ভোট নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হলে আমরা ফল মেনে নেব : জামায়াত আমীর সবকিছু সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ থাকলে ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম মহা আনন্দের ও মুক্তির দিন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক সুযোগ : প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধি দল খুলনায় ভেনেজুয়েলার তেল খাত সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞা আরও শিথিল করলো যুক্তরাষ্ট্র

আওয়ামী লীগে মনোনয়ন পেতে ছয় যোগ্যতা

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : শনিবার, ২৬ মে, ২০১৮

বিএনপির অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংসদ নির্বাচন চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সেই নির্বাচনে জয়লাভ করতে প্রার্থী ঠিক করার সময় মনোনয়নপ্রত্যাশীর ৬টি গুণ আছে কিনা তা যাচাই করবে দলটি। মনোনয়নপ্রত্যাশীর শুধু অর্থবিত্ত থাকলেই হবে না, তাকে এলাকায় জনপ্রিয় ও জনসম্পৃক্ত হতে হবে। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকা বাধ্যতামূলক। থাকতে হবে ব্যক্তিগত ইমেজ, দলের জন্য ত্যাগী হওয়া চাই, তাকে হতে হবে শিক্ষিত ও ভদ্র। সরকারি ও বেসরকারি এবং দলীয় জরিপে যিনি এগিয়ে থাকবেন তিনিই পাবেন দলীয় মনোনয়ন। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দলীয় সূত্রমতে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে-এটা অনেকটাই নিশ্চিত। সে কারণে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে প্রতিটি সংসদীয় আসনে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে দলীয় মনোনয়ন দেবে ক্ষমতাসীন দলটি। এ জন্য বর্তমান এমপি বা মন্ত্রিপরিষদে থাকা অনেক নেতাই মনোনয়ন থেকে বাদ পড়বেন। বিশেষ করে ২০১৪ সালের নির্বাচনে যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে এলাকার খোঁজখবর রাখেননি, ব্যক্তিস্বার্থে দলীয় কোন্দল সৃষ্টি করেছেন, বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দল ও সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছেন, তাদের এবার নৌকায় তোলা হবে না। তাই দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা এসব আসনে জনপ্রিয় মুখ খুঁজছেন। ইতিমধ্যে কয়েক দফা জরিপ সম্পন্ন করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব একটা টিমের বিভিন্ন সংস্থার এবং দলীয় জরিপে যার প্লাস পয়েন্টের পরিমাণ বেশি তিনিই ‘যোগ্য’। তাকেই দলীয় টিকিট দেওয়া হবে। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে চ্যালেঞ্জের নির্বাচনে মুখ দেখে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয়েক দফা দলীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও দলের সংসদীয় দলের বৈঠকে এমপিদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কারও মুখ দেখে এবার মনোনয়ন দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে কাউকে পাস করানোর দায়িত্ব তিনি নেবেন না। নিজ যোগ্যতায় প্রার্থীকে বিজয়ী হয়ে আসতে হবে। এ জন্য তিনি নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে গণসংযোগ ও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা জানান, অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে এবার বড় চ্যালেঞ্জের নির্বাচন। টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থেকে আবার ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন করা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কঠিন। অতীতে এমন ঘটেনি। তাই প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়টিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কমপক্ষে ৬টি গুণ থাকতেই হবে। দলটির নেতারা জানান, বিগত নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব যোগ্যতা তেমন আমলে নেওয়া হয়নি। ফলে গত ৯ বছরে প্রায় প্রত্যেকটি আসনেই দ্বন্দ্ব, কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক নির্বাচনী আসনে নেতা-কর্মীরা এমপির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এবার সেই বিতর্কিত এমপিদের বাদ দেওয়া হবে। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তিক্ততা সৃষ্টিকারী এমপিরা কিছুতেই মনোনয়ন পাবেন না। এবার মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা গভীরভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করবেন। এ বিষয়ে এমপিদের সতর্ক করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে বলেন, অনেক ভুল আছে যা সংশোধন করতে হবে। নেতাদের বলব ভুল সংশোধন করুন, জনগণের কাছে যান। যারা জনগণের কাছে অগ্রহণযোগ্য তাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে না।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘যারা দলীয় নেতা-কর্মী ও জনগণের আস্থা হারিয়েছেন, ভালোবাসা হারিয়েছেন তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে না। দলীয় সভানেত্রী বিভিন্ন জরিপ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন। আওয়ামী লীগ যোগ্য, এলাকায় দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসম্পৃক্তা রয়েছে, নিষ্কলুষ ইমেজ আছে এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবে। এক্ষেত্রে শিক্ষিত, ভদ্র ও তরুণ নেতৃত্বকে উৎসাহিত করা হবে।’ দলের নেতারা জানান, বর্তমানে প্রায় শতাধিক দলীয় এমপি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে দল এবং দলের বাইরে বিতর্কিত। বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অনেকের বিরুদ্ধে। যেসব এমপি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত আগামী নির্বাচনে তাদের মনোনয়ন না দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন হাইকমান্ড। সেক্ষেত্রে বিকল্প প্রার্থী খোঁজার কাজও চলছে। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যাদের জনসম্পৃক্ততা আছে, দল ও জনগণের প্রতি কমিটমেন্ট আছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ভোটে বিজয়ী হয়ে আসার যোগ্যতা রয়েছে- এমন লোককেই প্রার্থী মনোনীত করবে আওয়ামী লীগ।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews