ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি Logo মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন Logo কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী Logo কুবি-র সহযোগী অধ্যাপকের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ারের লাশ উদ্ধার Logo উত্তর কোরিয়ার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা সোমবার

প্রতিনিধির নাম :

স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালোনিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে যাচ্ছে আগামী ৯ অক্টোবর। আঞ্চলিক সরকারের এক সূত্রের বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, কাতালোনিয়ার ক্ষমতাসীন দল স্বাধীনতার প্রশ্নে সোমবার পার্লামেন্টে বিতর্কের আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত বিলে ভোট দেওয়ার জন্য পার্লামেন্টের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তবে পার্লামেন্টের এই অধিবেশন কখন বসবে তা জানানো হয়নি। প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুজদেমন এর আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার সরকার আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাধীনতা ঘোষণা করে স্পেন থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য আঞ্চলিক পার্লামেন্টকে আহ্বান জানাবে। স্বাধীনতার প্রক্রিয়া শুরু করলে স্পেনের সরকার এতে হস্তক্ষেপ করলে এবং কাতালোনিয়া সরকারের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করলে তখন কী করবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে পুজদেমন বলেছেন, এটি ভুল হবে এবং তা সবকিছু পরিবর্তন করে দিবে। গত রবিবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। স্পেন সরকার অবশ্য একে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল এবং ভোট ঠেকাতে কাতালোনিয়ায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পুলিশের হামলায় ওই দিন আট শতাধিক লোক আহত হয়। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার কাতালোনিয়াতে ধর্মঘট পালন করা হয়। স্পেনের কাতালোনিয়ায় স্বাধীনতার দাবিতে অনুষ্ঠিত গণভোটে কাতালোনিয়ানরা জয়ী হয়েছে। ওই গণভোটে কাতালোনিয়ার নাগরিকরা স্বাধীন রাষ্ট্রের অধিকার অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন কার্লেস পুজদেমন। কাতালোনিয়া স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঙ্গরাজ্য। পাঁচ বছর ধরে স্বাধীনতার দাবি জানিয়ে আসছিল তারা। এ দাবিতে গতকাল রবিবার গণভোটের আয়োজন করে কাতালোনিয়া আঞ্চলিক সরকার। তবে স্পেন সরকার এই ভোট বন্ধের অঙ্গীকার করে। দেশটির সর্বোচ্চ আদালতও এই ভোটকে অবৈধ ঘোষণা করে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭
৩১ বার পঠিত হয়েছে

কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা সোমবার

আপডেট এর সময় : ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালোনিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে যাচ্ছে আগামী ৯ অক্টোবর। আঞ্চলিক সরকারের এক সূত্রের বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, কাতালোনিয়ার ক্ষমতাসীন দল স্বাধীনতার প্রশ্নে সোমবার পার্লামেন্টে বিতর্কের আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত বিলে ভোট দেওয়ার জন্য পার্লামেন্টের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তবে পার্লামেন্টের এই অধিবেশন কখন বসবে তা জানানো হয়নি। প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুজদেমন এর আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার সরকার আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাধীনতা ঘোষণা করে স্পেন থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য আঞ্চলিক পার্লামেন্টকে আহ্বান জানাবে। স্বাধীনতার প্রক্রিয়া শুরু করলে স্পেনের সরকার এতে হস্তক্ষেপ করলে এবং কাতালোনিয়া সরকারের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করলে তখন কী করবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে পুজদেমন বলেছেন, এটি ভুল হবে এবং তা সবকিছু পরিবর্তন করে দিবে। গত রবিবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। স্পেন সরকার অবশ্য একে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল এবং ভোট ঠেকাতে কাতালোনিয়ায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পুলিশের হামলায় ওই দিন আট শতাধিক লোক আহত হয়। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার কাতালোনিয়াতে ধর্মঘট পালন করা হয়। স্পেনের কাতালোনিয়ায় স্বাধীনতার দাবিতে অনুষ্ঠিত গণভোটে কাতালোনিয়ানরা জয়ী হয়েছে। ওই গণভোটে কাতালোনিয়ার নাগরিকরা স্বাধীন রাষ্ট্রের অধিকার অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন কার্লেস পুজদেমন। কাতালোনিয়া স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঙ্গরাজ্য। পাঁচ বছর ধরে স্বাধীনতার দাবি জানিয়ে আসছিল তারা। এ দাবিতে গতকাল রবিবার গণভোটের আয়োজন করে কাতালোনিয়া আঞ্চলিক সরকার। তবে স্পেন সরকার এই ভোট বন্ধের অঙ্গীকার করে। দেশটির সর্বোচ্চ আদালতও এই ভোটকে অবৈধ ঘোষণা করে।