ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গ্যালাতাসারেকে ৪-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শীর্ষে বার্সেলোনা Logo টিকার আওতা বাড়াতে ৪–৮ বছর বয়সী মেয়েদের এইচপিভি টিকার বিবেচনার সুপারিশ Logo মধ্য এশিয়ার পাঁচ দেশের বৈঠকে যোগ দিতে উজবেকিস্তান যাচ্ছেন রুবিও Logo জাতীয় সংসদ ভবনে সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা, শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী Logo ভেজালবিরোধী অভিযানে ৬৪ জেলায় খাদ্য পরীক্ষার উদ্যোগ, মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী Logo খেজুরে তেল মেখে অস্বাস্থ্যকরভাবে প্যাকেটজাত, চট্টগ্রামে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo এল নিনোর তীব্র প্রভাবে দাবানল-খরা, বাড়ছে খাদ্য ও বিদ্যুৎ সংকটের শঙ্কা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং, খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্যের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo মাদক সেবনের দায়ে শাহরাস্তিতে যুবকের কারাদণ্ড Logo ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসায় ভর্তুকি, মালয়েশিয়ায় স্কুল বন্ধ

কোটা সংস্কার বিলম্বিত করার চেষ্টায় সরকার

প্রতিনিধির নাম :

কোটার যৌক্তিক সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীরা। কোটা সংস্কার দীর্ঘায়িত করার জন্য সরকার আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে বলে মনে করছে কোটা আন্দোলনের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। সংগঠনটি মনে করে, কোটা সংস্কারের নামে এটি প্রহসন।

কোটা সংস্কার নিয়ে আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও ওই কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার, বাতিল ও পর্যালোচনায় গঠিত সরকারি কমিটির প্রাথমিক সুপারিশে কোটা প্রায় পুরোটাই উঠিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি মেধাকে প্রাধান্য দেওয়ারও সুপারিশ এসেছে। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সরকার কোটা সংস্কারের কার্যক্রমকে দীর্ঘায়িত করতে চাইছে। আমাদের সঙ্গে প্রহসনের জন্য এটা করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘সরকার থেকে আমাদের কাছে প্রস্তাব এসেছিল, কোটা তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা কোটা পুরোপুরি তুলে দেওয়ার পক্ষে নই। মুক্তিযোদ্ধা, নারী, আদিবাসী, জেলা কোটাসহ যে ৫৬ শতাংশ কোটা আছে, তা কমিয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হোক। আমরা চাই সবাই সমান সুযোগ পাক। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নাতি-নাতনির যে কোটা আছে, তা যৌক্তিক নয়। আদালতের রায়েও এটি বলা হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘কোটার যৌক্তিক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

কোটা আন্দোলনের কারণে যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের মুক্তি দাবি করে হাসান আল মামুন বলেন, ‘যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁরা কেউ রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তার হননি। আন্দোলনের কারণে তাঁদের বন্দী করে রাখা হয়েছে। আমি সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করব, ঈদের আগেই তাঁদের মুক্তি দেওয়া হোক।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৮
২৪ বার পঠিত হয়েছে

কোটা সংস্কার বিলম্বিত করার চেষ্টায় সরকার

আপডেট এর সময় : ০২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৮

কোটার যৌক্তিক সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীরা। কোটা সংস্কার দীর্ঘায়িত করার জন্য সরকার আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে বলে মনে করছে কোটা আন্দোলনের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। সংগঠনটি মনে করে, কোটা সংস্কারের নামে এটি প্রহসন।

কোটা সংস্কার নিয়ে আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও ওই কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার, বাতিল ও পর্যালোচনায় গঠিত সরকারি কমিটির প্রাথমিক সুপারিশে কোটা প্রায় পুরোটাই উঠিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি মেধাকে প্রাধান্য দেওয়ারও সুপারিশ এসেছে। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সরকার কোটা সংস্কারের কার্যক্রমকে দীর্ঘায়িত করতে চাইছে। আমাদের সঙ্গে প্রহসনের জন্য এটা করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘সরকার থেকে আমাদের কাছে প্রস্তাব এসেছিল, কোটা তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা কোটা পুরোপুরি তুলে দেওয়ার পক্ষে নই। মুক্তিযোদ্ধা, নারী, আদিবাসী, জেলা কোটাসহ যে ৫৬ শতাংশ কোটা আছে, তা কমিয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হোক। আমরা চাই সবাই সমান সুযোগ পাক। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নাতি-নাতনির যে কোটা আছে, তা যৌক্তিক নয়। আদালতের রায়েও এটি বলা হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘কোটার যৌক্তিক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

কোটা আন্দোলনের কারণে যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের মুক্তি দাবি করে হাসান আল মামুন বলেন, ‘যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁরা কেউ রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তার হননি। আন্দোলনের কারণে তাঁদের বন্দী করে রাখা হয়েছে। আমি সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করব, ঈদের আগেই তাঁদের মুক্তি দেওয়া হোক।’