ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযানে চট্টগ্রাম রেঞ্জে ৪২৩ জন আটক-গ্রেফতার Logo তিতাসে নতুন দুই কূপ, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে দৈনিক ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস Logo আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার Logo ফ্রান্সে ফের বিক্ষোভের শঙ্কা, প্যারিসের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সমাবেশ নিষিদ্ধ Logo কিউবায় পানির সংকট, রেস্তোরাঁ সচল রাখতে কূপ খনন ব্যবসায়ীর Logo ব্রাজিল-চিলিতে ভর করে দক্ষিণ আমেরিকায় ১৯.৫১ কোটি ডলারের রপ্তানি Logo ডিসি-কমিশনারদের কার্যালয়ে ৫ মেগাওয়াটের বেশি সৌরবিদ্যুৎ, নেট মিটারিংয়ে বাড়বে সাশ্রয় Logo তরুণ প্রজন্মকে সত্য-ন্যায়ের পক্ষে সোচ্চার থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় বাংলাদেশ Logo সুন্দরবনে হরিণ শিকারের অভিযোগে যুবক আটক, নৌকা থেকে মাথা-কলিজাসহ সরঞ্জাম জব্দ

খুলনায় জিআরপি থানায় ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :

খুলনার জিআরপি (রেলওয়ে) থানায় এক তরুণীকে (২১) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ওই কিশোরী নিজেই আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন।

এদিকে, আদালতের নির্দেশে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রবিবার রাতে ওই তরুণীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে তার ডাক্তারি পরীক্ষা হয়নি। আজ সোমবার তাকে আবারও হাসপাতালে নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে, ওসি ঘটনাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

ওই তরুণীর দুলাভাই জানান, গত ২ আগস্ট তার শ্যালিকা যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসেন। ট্রেন থেকে নামার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা তাকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠান প্রথমে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর আরো ৪ জন পুলিশ সদস্য পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। পরদিন শনিবার তাকে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে তার শ্যালিকা তাদের জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, আদালতে বিচারকের সামনে নেওয়ার পর তার শ্যালিকা জিআরপি থানায় তাকে গণধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন। এরপর আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার ডাক্তারি পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

ওসি ওসমান গনি এ ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। তিনি সোমবার সকালে বলেন, শুনেছি ওই তরুণী তাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে আদালতে অভিযোগ করেছে। কিন্তু তাকে মহিলা এসআই এবং মহিলা কনস্টেবল ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে। আর থানায় রাতে তিনজন নারী পুলিশসহ ৮জন পুলিশ পাহারায় থাকে। সেখানে তাকে ধর্ষণের কোনো সুযোগ নেই। মূলত ফেন্সিডিল আটকের মামলা থেকে রক্ষা পেতে সে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০১৯
২৫ বার পঠিত হয়েছে

খুলনায় জিআরপি থানায় ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট এর সময় : ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০১৯

খুলনার জিআরপি (রেলওয়ে) থানায় এক তরুণীকে (২১) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ওই কিশোরী নিজেই আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন।

এদিকে, আদালতের নির্দেশে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রবিবার রাতে ওই তরুণীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে তার ডাক্তারি পরীক্ষা হয়নি। আজ সোমবার তাকে আবারও হাসপাতালে নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে, ওসি ঘটনাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

ওই তরুণীর দুলাভাই জানান, গত ২ আগস্ট তার শ্যালিকা যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসেন। ট্রেন থেকে নামার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা তাকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠান প্রথমে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর আরো ৪ জন পুলিশ সদস্য পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। পরদিন শনিবার তাকে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে তার শ্যালিকা তাদের জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, আদালতে বিচারকের সামনে নেওয়ার পর তার শ্যালিকা জিআরপি থানায় তাকে গণধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন। এরপর আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার ডাক্তারি পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

ওসি ওসমান গনি এ ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। তিনি সোমবার সকালে বলেন, শুনেছি ওই তরুণী তাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে আদালতে অভিযোগ করেছে। কিন্তু তাকে মহিলা এসআই এবং মহিলা কনস্টেবল ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে। আর থানায় রাতে তিনজন নারী পুলিশসহ ৮জন পুলিশ পাহারায় থাকে। সেখানে তাকে ধর্ষণের কোনো সুযোগ নেই। মূলত ফেন্সিডিল আটকের মামলা থেকে রক্ষা পেতে সে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।