ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের পর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান Logo মার্কিন প্রভাব সুসংহত করতে লাতিন আমেরিকা সফর শুরু রুবিওর Logo অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে : রাষ্ট্রপতি Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শান্তর দলে ফেরা : সালাহউদ্দিন Logo রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী Logo অনিয়মের দায়ে পিরোজপুরে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo মালয়েশিয়ার বোর্নিও শহরে ধোঁয়াশা, জরুরি অবস্থা

জমিতে কীটনাশক ছিটিয়ে ২০ কৃষকের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকা: জমিতে কীটনাশক ছিটানোর পর বিষক্রিয়ায় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে অন্তত ২০ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, আরো ছয় শতাধিক কৃষক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তাদের এমন পরিণতি হয়েছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কীটনাশকগুলোর মধ্যে কিছু প্রাণঘাতী মিশ্রণ ছিল। আগস্টের প্রথমদিকে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ছয়শ’রও বেশি কৃষক কীটনাশকজনিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তদের অধিকাংশই ঝাপসা দৃষ্টি, বমি বমি ভাব, চামড়ায় ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরার লক্ষণে ভুগছেন। শতাধিক কৃষক এখনো ইয়াভাতমাল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের কেউ কেউ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন আর অন্যরা সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।

কৃষি সংক্রান্ত সংকটে ইতিমধ্যেই ইয়াভাতমাল জেলায় বহু কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তারপর কীটনাশকের বিষক্রিয়ার এ ঘটনাটি জেলার কৃষি খাতের জন্য বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলের কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত অধিকাংশ কৃষকই কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এসব ঘটনার জন্য নতুন স্প্রে মেশিন ও কেন্দ্রীয় কীটনাশক ওষুধ বোর্ডের অবহেলাকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শুক্রবার বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ‘ক্রিমিনাল অ্যাকশন’ নেয়ার আর্জি জানিয়ে করা এক পিটিশনের জবাবে নোটিশ জারি করেছে।

সময়মতো পদক্ষেপ নিতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করেছে রাজ্য সরকার। জেলা প্রশাসনগুলো যথাসময়ে রাজ্য সরকারকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত না করাতেই এ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের কৃষিমন্ত্রীর।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০১৭
৩৬ বার পঠিত হয়েছে

জমিতে কীটনাশক ছিটিয়ে ২০ কৃষকের মৃত্যু

আপডেট এর সময় : ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা: জমিতে কীটনাশক ছিটানোর পর বিষক্রিয়ায় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে অন্তত ২০ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, আরো ছয় শতাধিক কৃষক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তাদের এমন পরিণতি হয়েছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কীটনাশকগুলোর মধ্যে কিছু প্রাণঘাতী মিশ্রণ ছিল। আগস্টের প্রথমদিকে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ছয়শ’রও বেশি কৃষক কীটনাশকজনিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তদের অধিকাংশই ঝাপসা দৃষ্টি, বমি বমি ভাব, চামড়ায় ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরার লক্ষণে ভুগছেন। শতাধিক কৃষক এখনো ইয়াভাতমাল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের কেউ কেউ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন আর অন্যরা সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।

কৃষি সংক্রান্ত সংকটে ইতিমধ্যেই ইয়াভাতমাল জেলায় বহু কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তারপর কীটনাশকের বিষক্রিয়ার এ ঘটনাটি জেলার কৃষি খাতের জন্য বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলের কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত অধিকাংশ কৃষকই কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এসব ঘটনার জন্য নতুন স্প্রে মেশিন ও কেন্দ্রীয় কীটনাশক ওষুধ বোর্ডের অবহেলাকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শুক্রবার বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ‘ক্রিমিনাল অ্যাকশন’ নেয়ার আর্জি জানিয়ে করা এক পিটিশনের জবাবে নোটিশ জারি করেছে।

সময়মতো পদক্ষেপ নিতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করেছে রাজ্য সরকার। জেলা প্রশাসনগুলো যথাসময়ে রাজ্য সরকারকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত না করাতেই এ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের কৃষিমন্ত্রীর।