ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পাকিস্তান দলে যোগ দিচ্ছেন শফিক ও শাকিল Logo স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালীতে ৬টি জাহাজ থামিয়ে দিল ইরান Logo যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল Logo ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী Logo সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী Logo গোমেজের চোটে দুশ্চিন্তায় লিভারপুলের নতুন কোচ ইরাওলা Logo অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২ মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন Logo চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পরিদর্শনকালে তিনি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দু’টি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া বৃক্ষরোপণ এবং এক আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ পরিদর্শনকে ঘিরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। চলছে নানা প্রস্তুতি। বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এ পরিদর্শনকে মিলনমেলার সঙ্গে তুলনা করছেন।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ান পরিবারকে উচ্ছ্বসিত করেছে। এ সফরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠান নানা সংকটেও নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এ আগমন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের আরও উৎসাহিত করবে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতিও তাদের কাছে বিশেষ আনন্দের।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের অবদান অবিস্মরণীয়।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বহু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় ক্যাম্পাসে আসছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বলেন, ‘দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরলস কাজ করার অঙ্গীকার আমাদের অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ সুপরিকল্পিত ও আধুনিক। ঢাকা মেডিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আগমন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, ‘আগামী ১১ জুলাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসবে। এই আয়োজন আমাদের ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।’

তিনি বলেন, ২০০১-০২ সালে ঢামেকসুর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কর্মস্পৃহা তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. বাদশা বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শুধু দেশের সর্ববৃহৎ চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, প্রতিটি জাতীয় সংকট, দুর্যোগ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ছাত্রদলের একজন সাবেক কর্মী ও এ প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণীর ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এ প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী। এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসা, শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও বেগবান হবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আধুনিক, মানবিক ও জনমুখী করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এমবিবিএস কোর্সের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাকিবুল হাসান বাসস’কে বলেন, ‘নিজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ সুযোগে স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিষয় তাঁর কাছে সরাসরি তুলে ধরতে পারব। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন এবং অন্যান্য খাতের মতো স্বাস্থ্যখাতকেও আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।’

উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এ সরকারি মেডিকেল কলেজ বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে স্নাতক পর্যায়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
৩৮ বার পঠিত হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা

আপডেট এর সময় : ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পরিদর্শনকালে তিনি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দু’টি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া বৃক্ষরোপণ এবং এক আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ পরিদর্শনকে ঘিরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। চলছে নানা প্রস্তুতি। বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এ পরিদর্শনকে মিলনমেলার সঙ্গে তুলনা করছেন।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ান পরিবারকে উচ্ছ্বসিত করেছে। এ সফরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠান নানা সংকটেও নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এ আগমন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের আরও উৎসাহিত করবে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতিও তাদের কাছে বিশেষ আনন্দের।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের অবদান অবিস্মরণীয়।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বহু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় ক্যাম্পাসে আসছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বলেন, ‘দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরলস কাজ করার অঙ্গীকার আমাদের অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ সুপরিকল্পিত ও আধুনিক। ঢাকা মেডিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আগমন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, ‘আগামী ১১ জুলাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসবে। এই আয়োজন আমাদের ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।’

তিনি বলেন, ২০০১-০২ সালে ঢামেকসুর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কর্মস্পৃহা তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. বাদশা বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শুধু দেশের সর্ববৃহৎ চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, প্রতিটি জাতীয় সংকট, দুর্যোগ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ছাত্রদলের একজন সাবেক কর্মী ও এ প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণীর ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এ প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী। এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসা, শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও বেগবান হবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আধুনিক, মানবিক ও জনমুখী করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এমবিবিএস কোর্সের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাকিবুল হাসান বাসস’কে বলেন, ‘নিজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ সুযোগে স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিষয় তাঁর কাছে সরাসরি তুলে ধরতে পারব। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন এবং অন্যান্য খাতের মতো স্বাস্থ্যখাতকেও আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।’

উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এ সরকারি মেডিকেল কলেজ বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে স্নাতক পর্যায়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।