ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে জার্মানী, নেদারল্যান্ডসের সাথে ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু জাপানের Logo যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির ঘোষণায় কমেছে তেলের দাম Logo সাতক্ষীরায় বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ওষুধ জব্দ Logo যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি শান্তির পথে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী Logo ফিলিপাইনের দক্ষিণ উপকূলে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত Logo বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে হিমশিম খাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া Logo অস্ট্রেলিয়াকে ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ Logo যুদ্ধবিরতি আলোচনা: তেহরানে কাতারের প্রতিনিধি দল Logo গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়াই: তথ্যমন্ত্রী

রাখাইনে বিপুলসংখ্যক মানুষের ফেরার মতো পরিস্থিতি নেই

প্রতিনিধির নাম :

President of the International Committee of the Red Cross (ICRC) Peter Maurer (R) talks to a Rohingya refugee woman during his visit to Chakmarkul refugee camp in Teknaf on July 1, 2018. / AFP PHOTO / MUNIR UZ ZAMAN

রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট পিটার মুর বলেছেন, বিপুল সংখ্যক মানুষের ফেরার মতো পরিস্থিতি রাখাইনে এখনও তৈরি হয়নি।

তিনি বলেন, একটি গ্রামে আমি গেছি, মূল জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশেরও কম সেখানে আছেন, ৯ হাজারের মধ্যে মাত্র দুই হাজার মানুষ টিকে আছেন গ্রামটিতে।

সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নির্মূল অভিযানের পর সম্প্রতি রাখাইন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট পিটার মুর।

সেখানে তিনি ১৩০ রোহিঙ্গা গ্রাম ঘুরে দেখেন। গ্রামগুলোতে ধ্বংসচিত্র দেখে হতবাক হওয়ার কথাও বলেন তিনি।-খবর বিবিসি বাংলার।

মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফরের পর দেয়া এক বিবৃতিতে পিটার মুর বলেন, বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতির কাছে প্রায় ১০ লাখ মানুষ জিম্মি হয়ে আছেন।

তিনি বলেন, আমি সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি- মুসলিম, রাখাইন ও হিন্দু। তাদের মুখেই শোনা গেল কীভাবে সামাজিকব্যবস্থা ও স্থানীয় অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছে। আর কীভাবে তারা দিনের পর দিন মানবিক সাহায্যের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।

রাখাইনে এখন যারা আছেন, তারা খুব ভালো অবস্থানে আছেন, এমন দাবি আমি করছি না, বলেন মুর।

রাখাইন সফরের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, যেখান দিয়েই গাড়ি চালিয়ে গেছি, সেখানে এক সময় গ্রাম ছিল। সামান্য যা কিছু অবশিষ্ট আছে, তাতে এখন দ্রুত গাছগাছালি বেড়ে উঠছে। অন্য জায়গায় স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো খালি পড়ে আছে; পরিত্যক্ত।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ দাতব্য সংস্থাটির প্রধান বলেন, সংকট সমাধানে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ তারা সমর্থন করেন।

তিনি বলেন, মানুষের দুর্দশা লাঘবে আমরা মানবিক সংস্থাগুলো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু এত কিছুর পরও সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮
১৫ বার পঠিত হয়েছে

রাখাইনে বিপুলসংখ্যক মানুষের ফেরার মতো পরিস্থিতি নেই

আপডেট এর সময় : ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট পিটার মুর বলেছেন, বিপুল সংখ্যক মানুষের ফেরার মতো পরিস্থিতি রাখাইনে এখনও তৈরি হয়নি।

তিনি বলেন, একটি গ্রামে আমি গেছি, মূল জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশেরও কম সেখানে আছেন, ৯ হাজারের মধ্যে মাত্র দুই হাজার মানুষ টিকে আছেন গ্রামটিতে।

সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নির্মূল অভিযানের পর সম্প্রতি রাখাইন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট পিটার মুর।

সেখানে তিনি ১৩০ রোহিঙ্গা গ্রাম ঘুরে দেখেন। গ্রামগুলোতে ধ্বংসচিত্র দেখে হতবাক হওয়ার কথাও বলেন তিনি।-খবর বিবিসি বাংলার।

মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফরের পর দেয়া এক বিবৃতিতে পিটার মুর বলেন, বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতির কাছে প্রায় ১০ লাখ মানুষ জিম্মি হয়ে আছেন।

তিনি বলেন, আমি সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি- মুসলিম, রাখাইন ও হিন্দু। তাদের মুখেই শোনা গেল কীভাবে সামাজিকব্যবস্থা ও স্থানীয় অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছে। আর কীভাবে তারা দিনের পর দিন মানবিক সাহায্যের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।

রাখাইনে এখন যারা আছেন, তারা খুব ভালো অবস্থানে আছেন, এমন দাবি আমি করছি না, বলেন মুর।

রাখাইন সফরের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, যেখান দিয়েই গাড়ি চালিয়ে গেছি, সেখানে এক সময় গ্রাম ছিল। সামান্য যা কিছু অবশিষ্ট আছে, তাতে এখন দ্রুত গাছগাছালি বেড়ে উঠছে। অন্য জায়গায় স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো খালি পড়ে আছে; পরিত্যক্ত।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ দাতব্য সংস্থাটির প্রধান বলেন, সংকট সমাধানে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ তারা সমর্থন করেন।

তিনি বলেন, মানুষের দুর্দশা লাঘবে আমরা মানবিক সংস্থাগুলো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু এত কিছুর পরও সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি।