ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কয়েকটি খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এগিয়ে নিতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের স্বাক্ষর Logo পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার সব দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্পিকারের Logo জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে সরকার ডেঙ্গু মোকাবিলা করবে : মির্জা ফখরুল Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সাক্ষাৎ Logo বিশ্বে প্রথমবার এইচআইভি পজিটিভ দাতার ফুসফুস সফলভাবে প্রতিস্থাপন Logo পটুয়াখালীতে ভূমিকম্প-অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক সচেতনতামূলক মহড়া অনুষ্ঠিত Logo অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের Logo ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়লেন ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এগিয়ে নিতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের স্বাক্ষর

প্রতিনিধির নাম :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার দুটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এর মাধ্যমে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বর্তমানের সুপারকম্পিউটারগুলোকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা মাইকেল ক্রাটসিওস জানান, কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরিতে এগিয়ে থাকা মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আইবিএম, মাইক্রোসফট ও গুগল রয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠান ২০২৯ সালের মধ্যে প্রথম বড় আকারের বাণিজ্যিক কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে। সোমবারের আদেশ অনুযায়ী, মার্কিন সরকারি সংস্থাগুলো বেসরকারি খাতের সঙ্গে কাজ করে ২০২৮ সালের মধ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির উদ্যোগ নেবে।

সাধারণ কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণে ‘বিট’ ব্যবহার করে। এসব বিট ক্ষুদ্র সুইচের মতো কাজ করে, যা হয় বন্ধ (০) অথবা চালু (১) থাকে। কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে ‘কিউবিট’, যা একই সময়ে ০ ও ১ উভয় অবস্থায় থাকতে পারে।

এর ফলে কোয়ান্টাম কম্পিউটার একই সময়ে বিপুলসংখ্যক সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই এটি বর্তমানের যেকোনো প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

তবে বর্তমানে কোয়ান্টাম কম্পিউটারে ত্রুটির পরিমাণ বেশি থাকায় গবেষণার বাইরে নির্ভরযোগ্যভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

পরে হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মার্কিন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং মডেলের সক্ষমতা বেসরকারি খাতের প্রতিশ্রুত প্রযুক্তির তুলনায় কম হবে।

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির এই উদ্যোগকে ভবিষ্যতের আরও বড় ও সক্ষম প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।’

ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা দ্বিতীয় নির্বাহী আদেশে সাইবার নিরাপত্তা ও পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি বা এমন এক ধরণের এনক্রিপশন ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার কথা বলা হয়েছে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য উন্মোচনের চেষ্টা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

ক্রাটসিওস বলেন, এই আদেশের মাধ্যমে কোয়ান্টাম-প্রতিরোধী ক্রিপ্টোগ্রাফিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া ২০৩১ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ ত্বরান্বিত হবে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ৩ ঘন্টা আগে
১৮ বার পঠিত হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এগিয়ে নিতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের স্বাক্ষর

আপডেট এর সময় : ৩ ঘন্টা আগে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার দুটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এর মাধ্যমে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বর্তমানের সুপারকম্পিউটারগুলোকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা মাইকেল ক্রাটসিওস জানান, কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরিতে এগিয়ে থাকা মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আইবিএম, মাইক্রোসফট ও গুগল রয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠান ২০২৯ সালের মধ্যে প্রথম বড় আকারের বাণিজ্যিক কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে। সোমবারের আদেশ অনুযায়ী, মার্কিন সরকারি সংস্থাগুলো বেসরকারি খাতের সঙ্গে কাজ করে ২০২৮ সালের মধ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির উদ্যোগ নেবে।

সাধারণ কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণে ‘বিট’ ব্যবহার করে। এসব বিট ক্ষুদ্র সুইচের মতো কাজ করে, যা হয় বন্ধ (০) অথবা চালু (১) থাকে। কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে ‘কিউবিট’, যা একই সময়ে ০ ও ১ উভয় অবস্থায় থাকতে পারে।

এর ফলে কোয়ান্টাম কম্পিউটার একই সময়ে বিপুলসংখ্যক সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই এটি বর্তমানের যেকোনো প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

তবে বর্তমানে কোয়ান্টাম কম্পিউটারে ত্রুটির পরিমাণ বেশি থাকায় গবেষণার বাইরে নির্ভরযোগ্যভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

পরে হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মার্কিন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং মডেলের সক্ষমতা বেসরকারি খাতের প্রতিশ্রুত প্রযুক্তির তুলনায় কম হবে।

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির এই উদ্যোগকে ভবিষ্যতের আরও বড় ও সক্ষম প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।’

ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা দ্বিতীয় নির্বাহী আদেশে সাইবার নিরাপত্তা ও পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি বা এমন এক ধরণের এনক্রিপশন ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার কথা বলা হয়েছে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য উন্মোচনের চেষ্টা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

ক্রাটসিওস বলেন, এই আদেশের মাধ্যমে কোয়ান্টাম-প্রতিরোধী ক্রিপ্টোগ্রাফিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া ২০৩১ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ ত্বরান্বিত হবে।