ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টানা দ্বিতীয় দিনে আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া Logo টাইফুন নউল চীনের দিকে ধেয়ে আসায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Logo ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও

আপনার নবজাতক সন্তানের সংক্রমণ হলে কীভাবে বুঝবেন

প্রতিনিধির নাম :

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আপনার শিশুসন্তান জন্মের পরের প্রথম কয়েক সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবজাতকের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তখনও বিকশিত হয়ে থাকে। তাই সদ্য শিশুসন্তানের ক্ষেত্রে বড় শিশুর তুলনায় সংক্রমণ অনেক দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণগুলো সহজে বোঝা যায় না। সেপসিস ও নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর অবস্থা নবজাতকের অসুস্থতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু বাবা-মায়েরা দ্রুত তা অনুধাবন করতে পারেন না। তারা যদি আগেভাগে লক্ষণগুলো বুঝতে পারেন, তাহলে চিকিৎসাব্যবস্থা সহজ হয়।

প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণ হচ্ছে— খাওয়া কিংবা আচরণে পরিবর্তন। যদি আপনার নবজাতক খুব বেশি ঘুমিয়ে থাকে, কয়েকবার দুধ খাওয়ার পর ক্লান্ত হয়ে পড়ে অথবা হঠাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম খায়, তাহলে এটি অন্তর্নিহিত সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

আপনার নবজাতকের সংক্রমণ বড় শিশুর সংক্রমণের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। জীবনের প্রথম ২৮ দিনে শিশুর মধ্যে উচ্চ জ্বর কিংবা তীব্র কাশির মতো সাধারণ লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে। তবে এর বদলে তাদের খাবার খাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রায় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অস্পষ্ট মনে হতে পারে, তবে এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংক্রমণের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে।

আবার ক্রমাগত উচ্চ শব্দে কান্না, যা শান্ত করা যায় না তা আরেকটি উদ্বেগজনক লক্ষণ। নবজাতকের ক্ষেত্রে খেতে না চাওয়া বা আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন জ্বরের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যে শিশু একটু আগে সক্রিয় ছিল, সে আজ হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শান্ত, অস্থির অথবা কম প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়ে। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুতই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

আপনার শিশুর শরীরের তাপমাত্রা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ৩৮ ডিগ্রি বা তার বেশি জ্বরকে গুরুত্বসহকারে নেওয়া উচিত। তবে ৩৬ ডিগ্রির নিচে কম তাপমাত্রাও একই রকম উদ্বেগজনক হতে পারে। সে জন্য শিশুর শরীরের তাপমাত্রা কম হলে তাকে স্পর্শে ঠান্ডা মনে হবে। বিশেষ করে হাত ও পায়ে। নবজাতকের উচ্চ ও নিম্ন উভয় তাপমাত্রারই দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন, এমনকি অন্য কোনো লক্ষণ না থাকলেও।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
২৯ বার পঠিত হয়েছে

আপনার নবজাতক সন্তানের সংক্রমণ হলে কীভাবে বুঝবেন

আপডেট এর সময় : ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আপনার শিশুসন্তান জন্মের পরের প্রথম কয়েক সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবজাতকের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তখনও বিকশিত হয়ে থাকে। তাই সদ্য শিশুসন্তানের ক্ষেত্রে বড় শিশুর তুলনায় সংক্রমণ অনেক দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণগুলো সহজে বোঝা যায় না। সেপসিস ও নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর অবস্থা নবজাতকের অসুস্থতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু বাবা-মায়েরা দ্রুত তা অনুধাবন করতে পারেন না। তারা যদি আগেভাগে লক্ষণগুলো বুঝতে পারেন, তাহলে চিকিৎসাব্যবস্থা সহজ হয়।

প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণ হচ্ছে— খাওয়া কিংবা আচরণে পরিবর্তন। যদি আপনার নবজাতক খুব বেশি ঘুমিয়ে থাকে, কয়েকবার দুধ খাওয়ার পর ক্লান্ত হয়ে পড়ে অথবা হঠাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম খায়, তাহলে এটি অন্তর্নিহিত সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

আপনার নবজাতকের সংক্রমণ বড় শিশুর সংক্রমণের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। জীবনের প্রথম ২৮ দিনে শিশুর মধ্যে উচ্চ জ্বর কিংবা তীব্র কাশির মতো সাধারণ লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে। তবে এর বদলে তাদের খাবার খাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রায় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অস্পষ্ট মনে হতে পারে, তবে এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংক্রমণের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে।

আবার ক্রমাগত উচ্চ শব্দে কান্না, যা শান্ত করা যায় না তা আরেকটি উদ্বেগজনক লক্ষণ। নবজাতকের ক্ষেত্রে খেতে না চাওয়া বা আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন জ্বরের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যে শিশু একটু আগে সক্রিয় ছিল, সে আজ হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শান্ত, অস্থির অথবা কম প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়ে। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুতই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

আপনার শিশুর শরীরের তাপমাত্রা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ৩৮ ডিগ্রি বা তার বেশি জ্বরকে গুরুত্বসহকারে নেওয়া উচিত। তবে ৩৬ ডিগ্রির নিচে কম তাপমাত্রাও একই রকম উদ্বেগজনক হতে পারে। সে জন্য শিশুর শরীরের তাপমাত্রা কম হলে তাকে স্পর্শে ঠান্ডা মনে হবে। বিশেষ করে হাত ও পায়ে। নবজাতকের উচ্চ ও নিম্ন উভয় তাপমাত্রারই দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন, এমনকি অন্য কোনো লক্ষণ না থাকলেও।