ঢাকা , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আমার বাচ্চা মেয়েকে ভয় দেখিয়ে আনছের সর্বনাশ করেছে’

প্রতিনিধির নাম :

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় আজ সোমবার উপজেলার ৬০ বছরের বৃদ্ধ আনছের আলীকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রী একই গ্রামে আনছের আলীর বাড়িতে কাজ করত। স্ত্রী বেশিরভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করার ওই ছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে আনছের আলী। এতে করে ওই কিশোরী ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এ বিষয়টি জানতে পেয়ে আনছের আলী ও তার ছেলে সুমন মিয়া ওই ছাত্রীর পরিবারকে বিষয়টি গোপন রাখতে হুমকি-ধামকি দেন। ছাত্রীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য তার পরিবারকে চাপ দেওয়া হয়। আনছের ও সুমনের চাপে ওই ছাত্রীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে গত শনিবার টাঙ্গাইলের একটি ক্লিনিকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে অস্বীকৃতি জানায়।

ওই ছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার বাচ্চা মেয়েটিকে ভয় দেখিয়ে আনছের আলী যে সর্বনাশ করেছে, আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আনছের আলীর ছেলে সুমন মিয়া বলেন, ‘আমাদের সম্মান নষ্ট করতে একটি মহল এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় আনছের আলীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মে ২০১৮
১৩ বার পঠিত হয়েছে

‘আমার বাচ্চা মেয়েকে ভয় দেখিয়ে আনছের সর্বনাশ করেছে’

আপডেট এর সময় : ০২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মে ২০১৮

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় আজ সোমবার উপজেলার ৬০ বছরের বৃদ্ধ আনছের আলীকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রী একই গ্রামে আনছের আলীর বাড়িতে কাজ করত। স্ত্রী বেশিরভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করার ওই ছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে আনছের আলী। এতে করে ওই কিশোরী ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এ বিষয়টি জানতে পেয়ে আনছের আলী ও তার ছেলে সুমন মিয়া ওই ছাত্রীর পরিবারকে বিষয়টি গোপন রাখতে হুমকি-ধামকি দেন। ছাত্রীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য তার পরিবারকে চাপ দেওয়া হয়। আনছের ও সুমনের চাপে ওই ছাত্রীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে গত শনিবার টাঙ্গাইলের একটি ক্লিনিকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে অস্বীকৃতি জানায়।

ওই ছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার বাচ্চা মেয়েটিকে ভয় দেখিয়ে আনছের আলী যে সর্বনাশ করেছে, আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আনছের আলীর ছেলে সুমন মিয়া বলেন, ‘আমাদের সম্মান নষ্ট করতে একটি মহল এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় আনছের আলীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।