ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

আশুলিয়ায় পূর্ব শত্রুুতার জেরে কর্মচারীকে পরিকল্পিত হত্যা

প্রতিনিধির নাম :

আলমাস হোসেন: পূর্ব শত্রুুতার জের ধরে আশুলিয়ায় তিন তলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে ফয়েজ আহমদ আকন্দ(৩৫) নামে ফিলিং ষ্টেশনের কর্মচারীকে পরিকল্পিত হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার দুপুর সোয়া ১টায় আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল সম্ভার ফিলিং ষ্টেশনের মালিকানাধীন ওমর আলীর ৩য় তলার ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের পরিবার সূত্র জানিয়েছেন।

নিহত ফয়েজ আহমদ আকন্দ ময়মনসিং জেলার পাগলা থানাধীন ভুরবুরশিয়া এলাকার সফিজ উদ্দিন আকন্দের ছেলে। সে দীর্ঘদিন যাবৎ বাইপাইল এলাকার ওমর আলীথর মালিকানাধীন ভবন ও সম্ভার ফিলিং ষ্টেশনের কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই সফিকুর রহমান আকন্দ বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আমার ভাই ফয়েজ আহমদ কে সরানোর জন্য ফিলিং ষ্টেশনের ম্যানেজার সোহেল সহ কয়েকজন চেষ্টা চালিয়ে আসছে। মালিক ওমর আলীথর নির্দেশে উল্লেখিত ম্যানেজার সোহেল মোবাইলে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় তার ভাই ফয়েজকে তার সাথে দেখা করার জন্য ডাকেন। সে রাতে দেখা না করায় তার ওপর আরো ক্ষিপ্ত হন সোহেলসহ অভিযুক্তরা। এ ঘটনা মোবাইলে তার ভাই তাকে ওই রাতেই জানিয়েছিল। একপর্যায়ে শুক্রবার দুপুর সোয়া ১টায় ফয়েজ কে সম্ভার ফিলিং স্টেশনের ভবনের তৃতীয় তলার ছাদের ওপরে নিয়ে গিয়ে তাকে ব্যাপক মারধর করে শারিরীক ভাবে আহত করে। একপর্যায়ে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে ছাদ থেকে তাকে ফেলে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে অসাবধনতাবশত পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে মর্মে প্রচার করে। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালালেও উল্লেখিতরা মূহুর্তেই গা ঢাকা দিয়ে সড়ে পড়ে। এতে পুলিশ সহ এলাকাবাসীর মনে ব্যাপক সন্দেহ ও রহস্য ঘেরা মনে হয়।

জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) একরামুল হক বলেন, ফয়েজ কে হত্যা না অসাবধনতায় মৃত্যু এ বিষয়ে ময়না তদন্ত শেষে জানা যাবে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং ময়না তদন্তের পর বিষয়টির ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০
৭ বার পঠিত হয়েছে

আশুলিয়ায় পূর্ব শত্রুুতার জেরে কর্মচারীকে পরিকল্পিত হত্যা

আপডেট এর সময় : ০৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০

আলমাস হোসেন: পূর্ব শত্রুুতার জের ধরে আশুলিয়ায় তিন তলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে ফয়েজ আহমদ আকন্দ(৩৫) নামে ফিলিং ষ্টেশনের কর্মচারীকে পরিকল্পিত হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার দুপুর সোয়া ১টায় আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল সম্ভার ফিলিং ষ্টেশনের মালিকানাধীন ওমর আলীর ৩য় তলার ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের পরিবার সূত্র জানিয়েছেন।

নিহত ফয়েজ আহমদ আকন্দ ময়মনসিং জেলার পাগলা থানাধীন ভুরবুরশিয়া এলাকার সফিজ উদ্দিন আকন্দের ছেলে। সে দীর্ঘদিন যাবৎ বাইপাইল এলাকার ওমর আলীথর মালিকানাধীন ভবন ও সম্ভার ফিলিং ষ্টেশনের কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই সফিকুর রহমান আকন্দ বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আমার ভাই ফয়েজ আহমদ কে সরানোর জন্য ফিলিং ষ্টেশনের ম্যানেজার সোহেল সহ কয়েকজন চেষ্টা চালিয়ে আসছে। মালিক ওমর আলীথর নির্দেশে উল্লেখিত ম্যানেজার সোহেল মোবাইলে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় তার ভাই ফয়েজকে তার সাথে দেখা করার জন্য ডাকেন। সে রাতে দেখা না করায় তার ওপর আরো ক্ষিপ্ত হন সোহেলসহ অভিযুক্তরা। এ ঘটনা মোবাইলে তার ভাই তাকে ওই রাতেই জানিয়েছিল। একপর্যায়ে শুক্রবার দুপুর সোয়া ১টায় ফয়েজ কে সম্ভার ফিলিং স্টেশনের ভবনের তৃতীয় তলার ছাদের ওপরে নিয়ে গিয়ে তাকে ব্যাপক মারধর করে শারিরীক ভাবে আহত করে। একপর্যায়ে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে ছাদ থেকে তাকে ফেলে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে অসাবধনতাবশত পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে মর্মে প্রচার করে। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালালেও উল্লেখিতরা মূহুর্তেই গা ঢাকা দিয়ে সড়ে পড়ে। এতে পুলিশ সহ এলাকাবাসীর মনে ব্যাপক সন্দেহ ও রহস্য ঘেরা মনে হয়।

জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) একরামুল হক বলেন, ফয়েজ কে হত্যা না অসাবধনতায় মৃত্যু এ বিষয়ে ময়না তদন্ত শেষে জানা যাবে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং ময়না তদন্তের পর বিষয়টির ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।