ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

কিবলার দিক জানা না থাকলে করণীয়

প্রতিনিধির নাম :

ধর্ম ডেস্ক: ঈমানদার মুসলমানের প্রধান ইবাদত নামাজ। ঈমানের পরেই যার স্থান। আর কেবলা মুখী হয়ে এ নামাজ আদায় করতে হয়। মুসলমানদের কেবলা হলো সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত বাইতুল্লাহ। যা পবিত্র কাবা শরিফ নামে পরিচিত। সারা বিশ্বে অবস্থানকারী মুসলমানদের জন্য কেবলা হলো পবিত্র কাবা শরিফ। যারা কাবা শরিফের পশ্চিমে অবস্থানকারী তাদের জন্য কেবলা পূর্ব দিক। যারা কাবা শরিফের পূর্বে অবস্থান করে তাদের জন্য কেবলা পশ্চিম দিক। আবার যারা কাবা শরিফের দক্ষিণে অবস্থান করে তাদের জন্য কেবলা উত্তর দিক। আর যারা কাবা শরিফের উত্তরে অবস্থান করে তাদের কেবলা দক্ষিণ দিক।

সর্বোপরি কথা হলো-

যে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, বাইতুল্লাহ তথা কাবা শরিফ-ই মুসলিম উম্মাহর কেবলা। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার লোকদের জন্য কেবলা হলো পশ্চিম দিক।

দিক নির্ধারণ করতে না পারলে করণীয়

স্থান পরিবর্তনের কারণে হোক আর ভ্রমণের কারণে হোক; যদি কোনো ব্যক্তি দিক বিভ্রম হয়ে কেবলার দিক নির্ধারণ করতে অপারগ হয়, সেক্ষেত্রে নামাজের হুকুম কী? এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলো- যেহেতু নামাজ ফরজ ইবাদত। আর নামাজের জন্য কেবলামুখী হয়ে নামাজ পড়াও ফরজ।

যদি দিক নির্ধারণ করতে সম্ভব না হয় তবে, গবেষণা ও চিন্তা-ভাবনা করে কেবলার অনুমান করে নির্ধারিত ওয়োক্তে নামাজ আদায় করে নেয়া। যদি নামাজ আদায়ের পরবর্তী সময়ে জানতে পারে যে, তার কেবলা ভুল ছিল; তাতে নামাজের কোনো ক্ষতি হবে না এবং পুনরায় নামাজও আদায় করতে হবে না। বরং নামাজ আদায় হয়ে যাবে। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথা সময়ে কেবলামুখীহয়ে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুণ। দিক বিভ্রম হয়ে গেলে কেবলার দিক নির্ধারণে সর্বোচ্চ চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা সঠিক দিক নির্ধারণের তাওফিক দান করুণ। আমিন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪
১৩ বার পঠিত হয়েছে

কিবলার দিক জানা না থাকলে করণীয়

আপডেট এর সময় : ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

ধর্ম ডেস্ক: ঈমানদার মুসলমানের প্রধান ইবাদত নামাজ। ঈমানের পরেই যার স্থান। আর কেবলা মুখী হয়ে এ নামাজ আদায় করতে হয়। মুসলমানদের কেবলা হলো সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত বাইতুল্লাহ। যা পবিত্র কাবা শরিফ নামে পরিচিত। সারা বিশ্বে অবস্থানকারী মুসলমানদের জন্য কেবলা হলো পবিত্র কাবা শরিফ। যারা কাবা শরিফের পশ্চিমে অবস্থানকারী তাদের জন্য কেবলা পূর্ব দিক। যারা কাবা শরিফের পূর্বে অবস্থান করে তাদের জন্য কেবলা পশ্চিম দিক। আবার যারা কাবা শরিফের দক্ষিণে অবস্থান করে তাদের জন্য কেবলা উত্তর দিক। আর যারা কাবা শরিফের উত্তরে অবস্থান করে তাদের কেবলা দক্ষিণ দিক।

সর্বোপরি কথা হলো-

যে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, বাইতুল্লাহ তথা কাবা শরিফ-ই মুসলিম উম্মাহর কেবলা। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার লোকদের জন্য কেবলা হলো পশ্চিম দিক।

দিক নির্ধারণ করতে না পারলে করণীয়

স্থান পরিবর্তনের কারণে হোক আর ভ্রমণের কারণে হোক; যদি কোনো ব্যক্তি দিক বিভ্রম হয়ে কেবলার দিক নির্ধারণ করতে অপারগ হয়, সেক্ষেত্রে নামাজের হুকুম কী? এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলো- যেহেতু নামাজ ফরজ ইবাদত। আর নামাজের জন্য কেবলামুখী হয়ে নামাজ পড়াও ফরজ।

যদি দিক নির্ধারণ করতে সম্ভব না হয় তবে, গবেষণা ও চিন্তা-ভাবনা করে কেবলার অনুমান করে নির্ধারিত ওয়োক্তে নামাজ আদায় করে নেয়া। যদি নামাজ আদায়ের পরবর্তী সময়ে জানতে পারে যে, তার কেবলা ভুল ছিল; তাতে নামাজের কোনো ক্ষতি হবে না এবং পুনরায় নামাজও আদায় করতে হবে না। বরং নামাজ আদায় হয়ে যাবে। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথা সময়ে কেবলামুখীহয়ে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুণ। দিক বিভ্রম হয়ে গেলে কেবলার দিক নির্ধারণে সর্বোচ্চ চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা সঠিক দিক নির্ধারণের তাওফিক দান করুণ। আমিন।