ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান

কোনো ভাগাভাগি হতে দেব না: মমতা

প্রতিনিধির নাম :

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় নাগরিকপঞ্জী (এনআরসি) হতে দেবেন না বলে জানিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, রাজ্যে কোনো এনআরসি হবে না। কোনো ভাগাভাগি করতে দেব না। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন। আমরা আপনাদের পাহারাদার।

সোমবার শিলিগুড়িতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

গত মার্চে আলিপুরদুয়ারের এক সভায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ জানান,  আসামের পরে পশ্চিমবঙ্গেও এনআরসি হবে।

যার জবাবে মমতা বার বার বলেছেন, কিছুতেই পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করতে দেওয়া হবে না।

তবে উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষের বেশিরভাগই মত দিয়েছেন বিজেপির পক্ষে। গোর্খা ও রাজবংশীরাও এনআরসির পক্ষে।

আসামে এনআরসি তালিকা প্রকাশ পাওয়ার পরে চিত্রটা বদলে গেছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, আসামে এনআরসি থেকে বাদ পড়া ১৯ লাখের মধ্যে বেশিরভাগই হিন্দু। তা ছাড়াও আছেন গোর্খা এবং রাজবংশীরাও। তারপর থেকেই কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিঙের মতো উত্তরের জেলাগুলিতে এই নিয়ে প্রচারে নেমেছে তৃণমূল।

এ নিয়ে মমতা বলেন, আমরা রাজবংশীদের ভালবাসি। ওদের গিয়ে মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আপনাদের ভালবাসি তাই বলছি, কারও কথায় ভুল করবেন না। আসামে যারা বাদ পড়েছে, ১৩ লাখ বাঙালি, ১ লাখ হিন্দিভাষী ও ১ লাখ পাহাড়ি। ওই বাঙালিদের মধ্যে বেশিরভাগ রাজবংশীকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মমতা বলেন, আমি তো ভাবতে পারি না যে, বাংলায় শুধু বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবে। দরকার হলে বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবে না, শুধু মানুষ থাকবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯
১৬ বার পঠিত হয়েছে

কোনো ভাগাভাগি হতে দেব না: মমতা

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় নাগরিকপঞ্জী (এনআরসি) হতে দেবেন না বলে জানিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, রাজ্যে কোনো এনআরসি হবে না। কোনো ভাগাভাগি করতে দেব না। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন। আমরা আপনাদের পাহারাদার।

সোমবার শিলিগুড়িতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

গত মার্চে আলিপুরদুয়ারের এক সভায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ জানান,  আসামের পরে পশ্চিমবঙ্গেও এনআরসি হবে।

যার জবাবে মমতা বার বার বলেছেন, কিছুতেই পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করতে দেওয়া হবে না।

তবে উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষের বেশিরভাগই মত দিয়েছেন বিজেপির পক্ষে। গোর্খা ও রাজবংশীরাও এনআরসির পক্ষে।

আসামে এনআরসি তালিকা প্রকাশ পাওয়ার পরে চিত্রটা বদলে গেছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, আসামে এনআরসি থেকে বাদ পড়া ১৯ লাখের মধ্যে বেশিরভাগই হিন্দু। তা ছাড়াও আছেন গোর্খা এবং রাজবংশীরাও। তারপর থেকেই কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিঙের মতো উত্তরের জেলাগুলিতে এই নিয়ে প্রচারে নেমেছে তৃণমূল।

এ নিয়ে মমতা বলেন, আমরা রাজবংশীদের ভালবাসি। ওদের গিয়ে মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আপনাদের ভালবাসি তাই বলছি, কারও কথায় ভুল করবেন না। আসামে যারা বাদ পড়েছে, ১৩ লাখ বাঙালি, ১ লাখ হিন্দিভাষী ও ১ লাখ পাহাড়ি। ওই বাঙালিদের মধ্যে বেশিরভাগ রাজবংশীকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মমতা বলেন, আমি তো ভাবতে পারি না যে, বাংলায় শুধু বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবে। দরকার হলে বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবে না, শুধু মানুষ থাকবে।