ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

‘গরিবের টাকা আত্বসাৎ করে অট্রলিকায় বাস করেন ভুঞাপুরের আদম বেপারি মোজাম্মেল,

প্রতিনিধির নাম :

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ- গ্রামের লোকগুলো অতি সহজ সরল, তার মধ্যে যদি হয় অশিক্ষিত, বিদেশ আমাদের কাছে সোনার হরিন কিন্তু এই বিদেশ যদি হয় কারো জীবনের অভিশাপ, তাহলে এই সহজ সরল মানুষ গুলো বেচেঁ থাকার স্বপ্ন হারিয়ে ফেলে,আমরা সবাই জানি বিদেশ নামের এই সোনার হরিণ পেতে অনেক গুলো টাকার প্রয়োজন,যদি ও সরকারী ভাবে কড়া নিষেধ আছে নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা কেউ নিতে পারবেনা।

কিন্তু কে শুনে কার কথা,চোরে শুনেনা ধর্মের কাহীনি, গ্রামের আদম দালালের খপ্পরে পড়ে অনেক পরিবার ধংশ হয়ে গেছে,আবার অনেক পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসছে। ধংশ হওয়া পরিবারের খরব গুলো কেউ রাখেনা,আদম বেপারীরা যখন টাকা নেই তখন অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলে মিষ্টি শুরে বিদেশের অনেক বড় বড় লোভ দেখিয়ে এমন কিছু কাহিনী শুনায় তখন গ্রামের লোকটি কোন কিছু না বুঝেই অন্ধেরমতো বিশ্বাস করে কষ্টে অর্জিত টাকা অথবা সুদি করে টাকা এনে দালালের হাতে তুলে দেয়। টাকা নেওয়ার সময় কোন প্রকার প্রমান দালাল কিংবা প্রার্থী রাখেনা। যখন কোন বিপদ হয় তখন সেই লোকগুলো আর দালালকে খুজেঁ পায় না,আর যদি পেয়েই থাকে তাহলে দালালের পেষি শক্তির কাছে হার মানতে বাধ্য হয় গ্রামের এই সহজ সরল লোক গুলো।

দালালের বাড়ীতে যখন আলীশান বিল্ডিং ওঠে,তখন গ্রামের সেই লোক গুলো দুর থেকে আফসোস করে বলে,হায়রে আমার কষ্টকরা টাকাগুলো দিয়ে কি সুন্দর করে ঘর করে থাকে, আর আমরা কত কষ্ট করে দিনপাত চালাই, হে আল্লাহ তুমি কি দেখনা এই লোকগুলো আমাদের ঠোকিয়ে আজ কত আরামে চলছে। শেষে অভিশাপ ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।

যখন কোন অসহায় লোখ এই বিষয় নিয়ে আদালতে যায় তখন আদালত বলে টাকা দিয়েছেন কোন প্রমান আছে,এক কথায় বলে নেই, তখন আদালত থেকে আরো কষ্টে বাড়ী ফিরে বউ বাচ্চাদের বলে, শুনছো অনেক আশা করে বিচার চাইতে আদালতে গেলাম আমাকে স্যারে বলো দিল প্রমান আছে? আমি বললাম নেই সাথে সাথে আমাকে বললো তাহলে চলে যান,, আসলে গরিবের আল্লাহ ছাড়া কোন উপায় নেই ,আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে রাখো আল্লাহ একদিন বিচার করবে।

এমনই এক বাস্তব কাহিনীর শিকার হয়ে আজ রাস্তায় রাস্তায় গুরছে একটি পরিবার,সাথে আরো ২১ জন নিরোহ সহজ সরল গ্রামের কিছু লোক। কার কাছে চাবে বিচার,কেউ যে তাদের কথা শুনে না,এক সময় হাল ছেড়েই দিয়েছে,কিন্তু তাতেও ক্ষেন্ত হয়নি দালাল যাতে টাকা দিতে না হয়, সে জন্য দালাল উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।

হাঁ, এমনই একটি ঘটনা সাংবাদিকদের নজরে আসলে মাঠে নামে তথ্য উদ্ঘাটন করার জন্য। তারই পরিপেক্ষিতে গত ২১/১০/২০১৯ সোমবার সমস্ত ঘঠনা জানার জন্য ভুক্তভোগি গ্রামের নিরহ লোকদের কাছে যায় সাংবাদিক বৃন্দ। সাংবাদিকদেরকে দেখে ভুক্তভোগিরা আশার আলো দেখতে পায়, হয়ত কোন না কোন ভাবে আমরা এবার একটা ভালো রেজাল দেখতে পাব। সেই আশা নিয়ে ভুক্তভোগিরা সাক্ষাৎকার দেয় ক্যামেরার সামনে, বলে আমরা আজ থেকে প্রায় ৭ বছর পুর্বে রফিক নামে আমাদের গ্রামের এক লোক কাতার নিবে, ভালো কোম্পানি দেখে, সেই আশায় আমরা জমি বিক্রয় করে সুদি করে টাকা এনে রফিকের হাতে তুলে দেই, আমাদের ২১ জনের একটা গ্রুপ তৈরি করে। একদিন রফিক আমাদের বলে তোমাদের ঢাকা যেতে হবে মেডিকেল করার জন্য, আমরা সবাই খুশি হয়ে ঢাকা অফিসে রফিক নিয়ে যায় এবং মোজাম্মেল হোসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং বলে মোজাম্মেল সাহেব হলো বস উনিই আপনাদেরকে বিদেশ পাঠাবে। পরিচয় হলো মোজাম্মেল হোসেন স্যারের সাথে,রফিক আমাদের টাঙ্গাইল ভুয়াপুরের লোক,আবার মোজাম্মেল সাহেব ও ভুয়াপুরের লোক এই সুবাধে মোজাম্মেল সাহেবকে বিশ্বাস করি। এই অফিসে মোজাম্মেল হোসেন এর আরেক বড় ভাই আজিম চাকরী করে,বিশ্বাস আরো বেরে গেল,টাকার তারা গ্যারান্টি দিল এবং বললো কোন সমস্যা নেই আমরা দুই ভাই টাঙ্গাইলের তাও আবার আমরা সবাই একই এলাকার। কোন সমস্যা নেই টাকা যে কোন মুর্হুতে না পাঠাইতে পারলে ফেরৎ পাবেন।

প্রতিবেদককে রফিক বলেন ,আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর পুর্বে শহিদ এর সাথে পরিচয় হয় ভুঞাপুরে,শহিদ এবং আমি লিবিয়াতে চাকুরী করি সেই সুবাধে সর্ম্পকটা আরো ভালো হয়। ইতি মধ্যে শহিদ লিবিয়া থেকে কাতার চলে আসে,এক সময় আমি ও কাতার চলে আসি,এবং শহিদের ভাই আজিম এবং আমি কাতারে একই কোম্পানিতে চাকুরী করি,কিছুদিন পরে আজিম দেশে চলে আসে, দেশে আসার পর আমাকে বলে কিছু লোকজন দাও আমি ম্যানস পাওয়ার ট্রাভেলস এ চাকরী করি এখান থেকে কাতারে লোক পাঠাই। তুমি কিছু লোকের ব্যবস্থা করে দাও আমি কাতারে পাঠিয়ে দেব। তখন আমি গ্রামের লোকজন দেখে ২১ জনের একটা গ্রুপ তৈরি করে,জিরাবো ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিং এর জন্য নিয়ে যাই। ইন্টারভিউ এর মাধ্যেমে সিলেকশন করে মেডিকেল করার জন্য পাঠাই।

এরই মধ্যে আজিম এবং মোজাম্মেল মিলে ২১ জনকে ২টা গ্রুপ করে। একটা আজিমের গ্রুপ আরেকটা মোজাম্মেল এর গ্রুপ।আজিমের গ্রুপে ১১ জন, মোজাম্মেল এর গ্রুপে ১০ জন, মোট ২১ জন।

এই ২১ জনের কাছ থেকে মোট ৯ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আমি কয়েক দফায় মোজাম্মেল ও আজিমের কাছে দেই।টাকা দেওয়ার সময় যারা বিদেশ যাবে তাদেরকে সাথে নিয়ে ভুঞাপুর,সিংগুরিয়া,ডিষ্টিক,আজিমের বাসায়,জিরাবো,মেনস পাওয়ার অফিসে টাকা গুলো দেই। টাকা নেওয়ার সময় কোন লিখিত ডুকোমেন্ট আমাদের দেয় না এবং বলে আমি আপনাদের এলাকার লোক কোন সমস্যা নেই নির্ভয়ে থাকেন বিদেশ চলে যাবেন। এই ভাবে বলার পর আমাদের আর কোন ভয় না নিয়ে বিদেশ নামের সোনার হরিনটা পাবার জন্য বসে রইলাম।

কিন্তু বিধি বাম, দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর,চলে গেল সোনার হরিণ না এসে অশান্তি নামের আগুন ঘরের দরজা নিয়ে প্রবেশ করল। যাহা কিছু ঘরে ছিল বিদেশ যাব বলে আস্তে আস্তে সবি বিক্রয় করে খাওয়া শেষ,এ ভাবে ২ টি বছর কেটে গেল টাকাও ফেরতৎ পাই না বিদেশেও আমাদের নেই না। এভাবে যখন চলছে হঠাৎ করে একদিন শুনতে পেলাম রফিক বিদেশ চলে গেছে, আর কি যার মাধ্যমে আমরা টাকা মোজাম্মেলকে দিয়েছি সেই এখন দেশে নেই কি আর করার। বিদেশের স্বপ্ন দেখা বাদ দিয়ে যার যার মতো আবার হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করা শুরু করলাম, কেউ চায়ের দোকান, কেউ ভ্যান চালক,কেউ কামলা দেওয়া এই ভাবে চালাচ্ছি সংসার,আর অশান্তি নামের আগুন সংসারে প্রতিদিন জ্বলছে।

চলে আরো ২ বছর হঠাৎ করে শুনতে পেলাম রফিক দেশে আসছে। আমরা সবাই ছুটে গেলাম রফিকের বাড়িতে ,দেখা করলাম রফিকের সাথে ,রফিক বলে তোমাদের সামনেই আমি মোজাম্মেল হোসেনের কাছে টাকা দিয়েছি,এখন সে যদি টাকা না ফেরৎ দেয় তাহলে আমি কেমন করে ফেরৎ দেব। এ ভাবেই তখন দেন দরবার চলতে থাকে।

রফিক কোন কুল কিনারা না পেয়ে মোজাম্মেল হোসেনের কাছে যায়। মোজাম্মেল হোসেন তখন টাকার কথা সর্ম্পুন অস্বীকার করে এবং বলে আমি তোকে চিনিনা তোর সাথে আমি কোন দিন ব্যবসা করি নাই।এই কথা শুনে রফিক পাগলের মতো ছুটাছুটি করতে থাকে,রফিক মোজাম্মেলকে বলে তুমি আমার এলাকার লোক হয়ে কিভাবে মিথ্যা কথা বলতে পারলে,গরিব মানুষের টাকা গুলো তুমি মেরে দিবা এটা হতে পারে না।আমি তোমাকে অনুরোধ করি টাকা গুলো ফেরৎ দাও । এক পর্যায় রফিক এবং মোজাম্মেল হোসেনের মধ্যে হাতাহাতি হয় সে দিন ছিল শুক্রবার ভুঞাপুর বাষ্ট্যান্ড জামে মসজিদ এলাকায়। পাশে অনেক লোক ছিল তারা বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংশার জন্য ঔ দিনই বিকালে বসার প্রস্তাবদেয়। যথা সময়ে রফিক আসলেও মোজাম্মেল না এসে ভুঞাপুর থানায় রফিকের নামে একটি চাঁদা বাজি মামলা দেয়। প্রতিবেদককে রফিক বলেন, শুক্রবার নামাজের সময় এতোগুলো লোকের সামনে আমি কিভাবে চাঁদা চাইলাম আমি বুঝতে পারি না,আসলে মোজাম্মেল মনে মনে এমই একটি ঘঠনা করতে চেয়েছিল যে এই টাকা গুলো যাহাতে আমাকে না দেওয়া লাগে।

রফিক প্রতিবেদক, এর কাছে আরো বলেন যে মোজাম্মেল হোসেন এর এক ভাই টাঙ্গাইল জজ কোটের পেসকার মো.বারী তিনিই এই সমস্ত কুকর্মের নায়ক,আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ভীতর থেকে মামলা পরিচালনা করেন বারী,মোজাম্মেল হোসেন এর আরেক ভাই আজীম সেউ ঢাকা ম্যানস পাওয়ার একটি ট্রাভেলসে চাকরী করা অবস্থায় অনেক মানুষের টাকা আত্তসাৎ করে আজ গা ডাকা দিয়েছে,পাওনাদারেরা হন্ন হয়ে তাকে খুঁজছে কিন্তু পালিয়ে বিভিন্ন জায়গায় থাকে। মোজাম্মেল হোসেন এর আরেক ভাই মো. জামান টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক এর সাধারন শাখায় চাকরী করেন। তাদের কাছে বার বার বলার পরেও কোন সুরাহা আমি পায়নি মোজাম্মেল হোসেন আর আজিম এই দুই ভাই পেশায় আদম বেপারী গ্রামের সহজ সরল লোক গুলো তাদের কাছে বিদেশের টাকা দিয়ে আজ সবাই ধারে ধারে ঘুরছে,টাকা ফেরৎ না দিয়ে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে টাকা আত্তসাৎ এর একটা রাস্তা তৈরি করছে। জজ কোটের পেসকার আব্দুল বারী সমস্ত দুই নাম্বারি বুদ্ধি দেয় আর মোজাম্মেল আজিম মিলে বিদেশের নাম বলে টাকা গুলো আত্তসাৎ করে।

প্রতিবেদক. এর কাছে এই ভাবে অভিযোগ করার পর এক ডজন সাংবাদিক মিলে তদন্তে নামে মাঠে,প্রথম অবস্থায় সাংবাদিক ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাক্তিদের কাছে যায়,এবং তাদের বক্তব্য রের্কড করে, প্রত্যাক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাক্তির একই বক্তব্য আমরা আজ থেকে ৭ বছর পুর্বে রফিকের মাধ্যমে মোজাম্মেল হোসেন এর কাছে টাকা দেই,কিন্তু মোজাম্মেল স্যার আমাদের কয়েক দফা মেডিকেল করিয়ে আজ না কাল এভাবে র্দীঘদিন গুরানো শুরু করে ,এক পর্যায় মোজাম্মেল হোসেন এর কাছে আমাদের কে বুঝিয়ে দিয়ে রফিক বিদেশ চলে যায়, ২ বছর বিদেশ থাকার পর রফিক দেশে আসলে আমরা রফিককে চাপ প্রয়োগ করি এবং বলি মোজাম্মেল আমাদের টাকাও ফেরত দেয় না এবং বিদেশ নেই নি।

প্রতিবেদক, ভুক্তভোগি মো. আপন, মো. আনছের আলী, মো. বদি, মো. সাইদুর রহমান সুমন, মো. ইউসুব আলী ও মো. জুয়েল এর কাছ থেকে ঘঠনার সত্যতা জানার জন্য যায়,তাদের কাছ থেকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় যে আদম দালাল মোজাম্মেল ও আজিম তাদের কাছ থেকে টাকা গুলো নিয়েছে।

সমস্ত অভিযোগের পরিপেক্ষিতে আদম দালাল মোজাম্মেল এর বাড়ী ভুঞাপুর ফসলআন্দি গ্রামে যায় প্রতিবেদক, প্রতিবেদক যখন মোজাম্মেল হোসেন এর বাড়ী যায় তখন মোজাম্মেল হোসেন বাড়ীতে নিজের আলীশান বাড়ীর কলাপসিকোল গেটের তালা খুলে আমাদের পরিচয় জানতে চায়,প্রতিবেদক সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরে সাংবাদিকদের সাথে কোন কথা বলবে না বলে গেটের তালা লাগিয়ে চলে যাবার উপক্রম করে এক পর্যায় তার ভাই টাঙ্গাইল জজ কোটের পেসকার মো. বারীর কাছে ফোন দেয় বারী প্রতিবেদককে বলে আমার ভাই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলবেনা আপনারা চলে যান,সাংবাদিকদের সাথে কথা বলবেনা কেন কারণ জানতে চাইলে পেসকার বারী বলে রফিকের বিরুদ্ধে চাঁদা বাজি মামলা আছে কোট বিচার করবে আপনারা কেন আসছেন। প্রতিবেদক বলেন মামলা সংক্রান্ত কোন বিষয় নিয়ে আমরা জানতে আসি নাই ,আমরা জানতে চাচ্ছি আপনার ভাই আদম ব্যবসা করে গ্রামের নিরহ লোক জনের কাছ থেকে অনেকগুলো টাকা মেরে দিয়েছে এই ব্যাপারে আমরা আপনার ভায়ের কথা শুনতে আসছি, ঘঠনা কতটুকু সত্য আর মিথ্যা, কিন্তু পেসকার বারী তার ভাই মোজাম্মেলকে বলে দেয় কোন কথা তুমি সাংবাদিকদের বলবেনা, এক পর্যায় সাংবাদিকরা মোজাম্মেলকে বলে আপনি আদম ব্যবসা করেন? মোজাম্মেল স্বীকার করে, তাহলে গ্রামের এতোগুলো লোকের টাকা নিয়েছেন তাদেরকে বিদেশেও পাঠান নি আবার টাকা গুলো ফেরৎ দেন নি কেন? এমন প্রশ্ন করা কলে সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপে গিয়ে বলেন আপনারা আমার কাছে চাঁদা চাইতে আসছেন আমি আপনাদের বিরুদ্ধে মামলা করব। প্রতিবেদক তখন বলেন যারা টাকা চাইতে আসে তাদের বিরুদ্ধেই আপনি চাঁদা বাজি মামলার হুমকি কেন দেন? কার শক্তিতে আপনি কথা বলেন,তখন মোজাম্মেল বলে আমার একভাই পেসকার,আরেক ভাই ডিসি অফিসে চাকরি করে ,আপনাদের কিছু করার থাকলে তাদের সাথে কথা বলুন, আমি এ ব্যাপারে কথা বলব না। এই বলেই টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকে চাকরী করেন মোজাম্মেলের ভাই জামান সাহেবকে ফোন দেয় , জামান সাহেব প্রতিবেদককে বলে ভাই আপনারা আমার অফিসে আসেন বসে কথা বলি। তখন প্রতিবেদক বলে আমরা আপনার ভাইয়ের প্রতারনার তথ্য সংগ্রহ করতে আসছি আপনার অফিসে বসে কথা বলার কিছু নেই,বরং আপনার ভাইকে বলেন আমাদের কাছে সত্য কথাটুকু বলার জন্য।

কিন্তু মোজাম্মেল কোন কথা না বলেই গেটের তালা লাগিয়ে দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচোরণ করে চলে যায়। ফেরার পথে অত্র এলাকার কিছু লোক আমাদের কাছে বলেন হঠাৎ করে মোজাম্মেল এই এলাকায় জায়গা কিনে আলীশান বাড়ী করছে, কোথা থেকে এতো টাকার মালিক মোজাম্মেল হলেন এই প্রশ্ন এলাকার সবার।

এরই মধ্যে মোজাম্মেল হোসেন এর ভাই পেসকার বারী সাংবাদিকদের কাছে মুঠো ফোনে হুমকি স্বরুপ বলেন কোন প্রকার নিউজ আপনারা প্রচার করবেন না।আর যদি করেন তাহলে সমস্যা হবে।

বাংলাদেশে যখন দুর্নীতি মুক্ত অভিযান চলছে ঠিক তখন এমন আচোরন সাংবাদিকরা আশা করে না। একজন পেসকার কিভাবে তার ভাইয়ের ছাফাই গেয়ে আদালতের ভয় দেখিয়ে সাধারণ জনগণের টাকা আত্তসাৎ করে এটা ভাবার বিষয়। আইন আদালত আমাদের সবার উপরে আমরা সবাই আদালতকে ন্যায় বিচারের আসনে দেখি,

কিন্তু সাধারণ জনগন আজ কিছু কুচুক্রি কর্মকতাদের জন্য ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমারা জানি টাঙ্গাইলের নাগরপুরের জাআলম এর ঘঠনা,কি ভাবে অনন্যায় বিচার করে তাকে জেল খাটতে হয়েছে,একমাত্র সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের জন্য জাআলম ন্যায় বিচার পেয়ে আজ মুক্ত আকাশের নিচে নিশ্বাস নিতে পারছে।

আমরা চাই ন্যায় বিচার থেকে কেউ যেন বাদ না পড়ে, আবার অন্যায় করে কেউ যেন পার না পায়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৯
৬ বার পঠিত হয়েছে

‘গরিবের টাকা আত্বসাৎ করে অট্রলিকায় বাস করেন ভুঞাপুরের আদম বেপারি মোজাম্মেল,

আপডেট এর সময় : ১২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৯

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ- গ্রামের লোকগুলো অতি সহজ সরল, তার মধ্যে যদি হয় অশিক্ষিত, বিদেশ আমাদের কাছে সোনার হরিন কিন্তু এই বিদেশ যদি হয় কারো জীবনের অভিশাপ, তাহলে এই সহজ সরল মানুষ গুলো বেচেঁ থাকার স্বপ্ন হারিয়ে ফেলে,আমরা সবাই জানি বিদেশ নামের এই সোনার হরিণ পেতে অনেক গুলো টাকার প্রয়োজন,যদি ও সরকারী ভাবে কড়া নিষেধ আছে নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা কেউ নিতে পারবেনা।

কিন্তু কে শুনে কার কথা,চোরে শুনেনা ধর্মের কাহীনি, গ্রামের আদম দালালের খপ্পরে পড়ে অনেক পরিবার ধংশ হয়ে গেছে,আবার অনেক পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসছে। ধংশ হওয়া পরিবারের খরব গুলো কেউ রাখেনা,আদম বেপারীরা যখন টাকা নেই তখন অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলে মিষ্টি শুরে বিদেশের অনেক বড় বড় লোভ দেখিয়ে এমন কিছু কাহিনী শুনায় তখন গ্রামের লোকটি কোন কিছু না বুঝেই অন্ধেরমতো বিশ্বাস করে কষ্টে অর্জিত টাকা অথবা সুদি করে টাকা এনে দালালের হাতে তুলে দেয়। টাকা নেওয়ার সময় কোন প্রকার প্রমান দালাল কিংবা প্রার্থী রাখেনা। যখন কোন বিপদ হয় তখন সেই লোকগুলো আর দালালকে খুজেঁ পায় না,আর যদি পেয়েই থাকে তাহলে দালালের পেষি শক্তির কাছে হার মানতে বাধ্য হয় গ্রামের এই সহজ সরল লোক গুলো।

দালালের বাড়ীতে যখন আলীশান বিল্ডিং ওঠে,তখন গ্রামের সেই লোক গুলো দুর থেকে আফসোস করে বলে,হায়রে আমার কষ্টকরা টাকাগুলো দিয়ে কি সুন্দর করে ঘর করে থাকে, আর আমরা কত কষ্ট করে দিনপাত চালাই, হে আল্লাহ তুমি কি দেখনা এই লোকগুলো আমাদের ঠোকিয়ে আজ কত আরামে চলছে। শেষে অভিশাপ ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।

যখন কোন অসহায় লোখ এই বিষয় নিয়ে আদালতে যায় তখন আদালত বলে টাকা দিয়েছেন কোন প্রমান আছে,এক কথায় বলে নেই, তখন আদালত থেকে আরো কষ্টে বাড়ী ফিরে বউ বাচ্চাদের বলে, শুনছো অনেক আশা করে বিচার চাইতে আদালতে গেলাম আমাকে স্যারে বলো দিল প্রমান আছে? আমি বললাম নেই সাথে সাথে আমাকে বললো তাহলে চলে যান,, আসলে গরিবের আল্লাহ ছাড়া কোন উপায় নেই ,আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে রাখো আল্লাহ একদিন বিচার করবে।

এমনই এক বাস্তব কাহিনীর শিকার হয়ে আজ রাস্তায় রাস্তায় গুরছে একটি পরিবার,সাথে আরো ২১ জন নিরোহ সহজ সরল গ্রামের কিছু লোক। কার কাছে চাবে বিচার,কেউ যে তাদের কথা শুনে না,এক সময় হাল ছেড়েই দিয়েছে,কিন্তু তাতেও ক্ষেন্ত হয়নি দালাল যাতে টাকা দিতে না হয়, সে জন্য দালাল উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।

হাঁ, এমনই একটি ঘটনা সাংবাদিকদের নজরে আসলে মাঠে নামে তথ্য উদ্ঘাটন করার জন্য। তারই পরিপেক্ষিতে গত ২১/১০/২০১৯ সোমবার সমস্ত ঘঠনা জানার জন্য ভুক্তভোগি গ্রামের নিরহ লোকদের কাছে যায় সাংবাদিক বৃন্দ। সাংবাদিকদেরকে দেখে ভুক্তভোগিরা আশার আলো দেখতে পায়, হয়ত কোন না কোন ভাবে আমরা এবার একটা ভালো রেজাল দেখতে পাব। সেই আশা নিয়ে ভুক্তভোগিরা সাক্ষাৎকার দেয় ক্যামেরার সামনে, বলে আমরা আজ থেকে প্রায় ৭ বছর পুর্বে রফিক নামে আমাদের গ্রামের এক লোক কাতার নিবে, ভালো কোম্পানি দেখে, সেই আশায় আমরা জমি বিক্রয় করে সুদি করে টাকা এনে রফিকের হাতে তুলে দেই, আমাদের ২১ জনের একটা গ্রুপ তৈরি করে। একদিন রফিক আমাদের বলে তোমাদের ঢাকা যেতে হবে মেডিকেল করার জন্য, আমরা সবাই খুশি হয়ে ঢাকা অফিসে রফিক নিয়ে যায় এবং মোজাম্মেল হোসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং বলে মোজাম্মেল সাহেব হলো বস উনিই আপনাদেরকে বিদেশ পাঠাবে। পরিচয় হলো মোজাম্মেল হোসেন স্যারের সাথে,রফিক আমাদের টাঙ্গাইল ভুয়াপুরের লোক,আবার মোজাম্মেল সাহেব ও ভুয়াপুরের লোক এই সুবাধে মোজাম্মেল সাহেবকে বিশ্বাস করি। এই অফিসে মোজাম্মেল হোসেন এর আরেক বড় ভাই আজিম চাকরী করে,বিশ্বাস আরো বেরে গেল,টাকার তারা গ্যারান্টি দিল এবং বললো কোন সমস্যা নেই আমরা দুই ভাই টাঙ্গাইলের তাও আবার আমরা সবাই একই এলাকার। কোন সমস্যা নেই টাকা যে কোন মুর্হুতে না পাঠাইতে পারলে ফেরৎ পাবেন।

প্রতিবেদককে রফিক বলেন ,আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর পুর্বে শহিদ এর সাথে পরিচয় হয় ভুঞাপুরে,শহিদ এবং আমি লিবিয়াতে চাকুরী করি সেই সুবাধে সর্ম্পকটা আরো ভালো হয়। ইতি মধ্যে শহিদ লিবিয়া থেকে কাতার চলে আসে,এক সময় আমি ও কাতার চলে আসি,এবং শহিদের ভাই আজিম এবং আমি কাতারে একই কোম্পানিতে চাকুরী করি,কিছুদিন পরে আজিম দেশে চলে আসে, দেশে আসার পর আমাকে বলে কিছু লোকজন দাও আমি ম্যানস পাওয়ার ট্রাভেলস এ চাকরী করি এখান থেকে কাতারে লোক পাঠাই। তুমি কিছু লোকের ব্যবস্থা করে দাও আমি কাতারে পাঠিয়ে দেব। তখন আমি গ্রামের লোকজন দেখে ২১ জনের একটা গ্রুপ তৈরি করে,জিরাবো ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিং এর জন্য নিয়ে যাই। ইন্টারভিউ এর মাধ্যেমে সিলেকশন করে মেডিকেল করার জন্য পাঠাই।

এরই মধ্যে আজিম এবং মোজাম্মেল মিলে ২১ জনকে ২টা গ্রুপ করে। একটা আজিমের গ্রুপ আরেকটা মোজাম্মেল এর গ্রুপ।আজিমের গ্রুপে ১১ জন, মোজাম্মেল এর গ্রুপে ১০ জন, মোট ২১ জন।

এই ২১ জনের কাছ থেকে মোট ৯ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আমি কয়েক দফায় মোজাম্মেল ও আজিমের কাছে দেই।টাকা দেওয়ার সময় যারা বিদেশ যাবে তাদেরকে সাথে নিয়ে ভুঞাপুর,সিংগুরিয়া,ডিষ্টিক,আজিমের বাসায়,জিরাবো,মেনস পাওয়ার অফিসে টাকা গুলো দেই। টাকা নেওয়ার সময় কোন লিখিত ডুকোমেন্ট আমাদের দেয় না এবং বলে আমি আপনাদের এলাকার লোক কোন সমস্যা নেই নির্ভয়ে থাকেন বিদেশ চলে যাবেন। এই ভাবে বলার পর আমাদের আর কোন ভয় না নিয়ে বিদেশ নামের সোনার হরিনটা পাবার জন্য বসে রইলাম।

কিন্তু বিধি বাম, দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর,চলে গেল সোনার হরিণ না এসে অশান্তি নামের আগুন ঘরের দরজা নিয়ে প্রবেশ করল। যাহা কিছু ঘরে ছিল বিদেশ যাব বলে আস্তে আস্তে সবি বিক্রয় করে খাওয়া শেষ,এ ভাবে ২ টি বছর কেটে গেল টাকাও ফেরতৎ পাই না বিদেশেও আমাদের নেই না। এভাবে যখন চলছে হঠাৎ করে একদিন শুনতে পেলাম রফিক বিদেশ চলে গেছে, আর কি যার মাধ্যমে আমরা টাকা মোজাম্মেলকে দিয়েছি সেই এখন দেশে নেই কি আর করার। বিদেশের স্বপ্ন দেখা বাদ দিয়ে যার যার মতো আবার হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করা শুরু করলাম, কেউ চায়ের দোকান, কেউ ভ্যান চালক,কেউ কামলা দেওয়া এই ভাবে চালাচ্ছি সংসার,আর অশান্তি নামের আগুন সংসারে প্রতিদিন জ্বলছে।

চলে আরো ২ বছর হঠাৎ করে শুনতে পেলাম রফিক দেশে আসছে। আমরা সবাই ছুটে গেলাম রফিকের বাড়িতে ,দেখা করলাম রফিকের সাথে ,রফিক বলে তোমাদের সামনেই আমি মোজাম্মেল হোসেনের কাছে টাকা দিয়েছি,এখন সে যদি টাকা না ফেরৎ দেয় তাহলে আমি কেমন করে ফেরৎ দেব। এ ভাবেই তখন দেন দরবার চলতে থাকে।

রফিক কোন কুল কিনারা না পেয়ে মোজাম্মেল হোসেনের কাছে যায়। মোজাম্মেল হোসেন তখন টাকার কথা সর্ম্পুন অস্বীকার করে এবং বলে আমি তোকে চিনিনা তোর সাথে আমি কোন দিন ব্যবসা করি নাই।এই কথা শুনে রফিক পাগলের মতো ছুটাছুটি করতে থাকে,রফিক মোজাম্মেলকে বলে তুমি আমার এলাকার লোক হয়ে কিভাবে মিথ্যা কথা বলতে পারলে,গরিব মানুষের টাকা গুলো তুমি মেরে দিবা এটা হতে পারে না।আমি তোমাকে অনুরোধ করি টাকা গুলো ফেরৎ দাও । এক পর্যায় রফিক এবং মোজাম্মেল হোসেনের মধ্যে হাতাহাতি হয় সে দিন ছিল শুক্রবার ভুঞাপুর বাষ্ট্যান্ড জামে মসজিদ এলাকায়। পাশে অনেক লোক ছিল তারা বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংশার জন্য ঔ দিনই বিকালে বসার প্রস্তাবদেয়। যথা সময়ে রফিক আসলেও মোজাম্মেল না এসে ভুঞাপুর থানায় রফিকের নামে একটি চাঁদা বাজি মামলা দেয়। প্রতিবেদককে রফিক বলেন, শুক্রবার নামাজের সময় এতোগুলো লোকের সামনে আমি কিভাবে চাঁদা চাইলাম আমি বুঝতে পারি না,আসলে মোজাম্মেল মনে মনে এমই একটি ঘঠনা করতে চেয়েছিল যে এই টাকা গুলো যাহাতে আমাকে না দেওয়া লাগে।

রফিক প্রতিবেদক, এর কাছে আরো বলেন যে মোজাম্মেল হোসেন এর এক ভাই টাঙ্গাইল জজ কোটের পেসকার মো.বারী তিনিই এই সমস্ত কুকর্মের নায়ক,আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ভীতর থেকে মামলা পরিচালনা করেন বারী,মোজাম্মেল হোসেন এর আরেক ভাই আজীম সেউ ঢাকা ম্যানস পাওয়ার একটি ট্রাভেলসে চাকরী করা অবস্থায় অনেক মানুষের টাকা আত্তসাৎ করে আজ গা ডাকা দিয়েছে,পাওনাদারেরা হন্ন হয়ে তাকে খুঁজছে কিন্তু পালিয়ে বিভিন্ন জায়গায় থাকে। মোজাম্মেল হোসেন এর আরেক ভাই মো. জামান টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক এর সাধারন শাখায় চাকরী করেন। তাদের কাছে বার বার বলার পরেও কোন সুরাহা আমি পায়নি মোজাম্মেল হোসেন আর আজিম এই দুই ভাই পেশায় আদম বেপারী গ্রামের সহজ সরল লোক গুলো তাদের কাছে বিদেশের টাকা দিয়ে আজ সবাই ধারে ধারে ঘুরছে,টাকা ফেরৎ না দিয়ে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে টাকা আত্তসাৎ এর একটা রাস্তা তৈরি করছে। জজ কোটের পেসকার আব্দুল বারী সমস্ত দুই নাম্বারি বুদ্ধি দেয় আর মোজাম্মেল আজিম মিলে বিদেশের নাম বলে টাকা গুলো আত্তসাৎ করে।

প্রতিবেদক. এর কাছে এই ভাবে অভিযোগ করার পর এক ডজন সাংবাদিক মিলে তদন্তে নামে মাঠে,প্রথম অবস্থায় সাংবাদিক ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাক্তিদের কাছে যায়,এবং তাদের বক্তব্য রের্কড করে, প্রত্যাক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাক্তির একই বক্তব্য আমরা আজ থেকে ৭ বছর পুর্বে রফিকের মাধ্যমে মোজাম্মেল হোসেন এর কাছে টাকা দেই,কিন্তু মোজাম্মেল স্যার আমাদের কয়েক দফা মেডিকেল করিয়ে আজ না কাল এভাবে র্দীঘদিন গুরানো শুরু করে ,এক পর্যায় মোজাম্মেল হোসেন এর কাছে আমাদের কে বুঝিয়ে দিয়ে রফিক বিদেশ চলে যায়, ২ বছর বিদেশ থাকার পর রফিক দেশে আসলে আমরা রফিককে চাপ প্রয়োগ করি এবং বলি মোজাম্মেল আমাদের টাকাও ফেরত দেয় না এবং বিদেশ নেই নি।

প্রতিবেদক, ভুক্তভোগি মো. আপন, মো. আনছের আলী, মো. বদি, মো. সাইদুর রহমান সুমন, মো. ইউসুব আলী ও মো. জুয়েল এর কাছ থেকে ঘঠনার সত্যতা জানার জন্য যায়,তাদের কাছ থেকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় যে আদম দালাল মোজাম্মেল ও আজিম তাদের কাছ থেকে টাকা গুলো নিয়েছে।

সমস্ত অভিযোগের পরিপেক্ষিতে আদম দালাল মোজাম্মেল এর বাড়ী ভুঞাপুর ফসলআন্দি গ্রামে যায় প্রতিবেদক, প্রতিবেদক যখন মোজাম্মেল হোসেন এর বাড়ী যায় তখন মোজাম্মেল হোসেন বাড়ীতে নিজের আলীশান বাড়ীর কলাপসিকোল গেটের তালা খুলে আমাদের পরিচয় জানতে চায়,প্রতিবেদক সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরে সাংবাদিকদের সাথে কোন কথা বলবে না বলে গেটের তালা লাগিয়ে চলে যাবার উপক্রম করে এক পর্যায় তার ভাই টাঙ্গাইল জজ কোটের পেসকার মো. বারীর কাছে ফোন দেয় বারী প্রতিবেদককে বলে আমার ভাই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলবেনা আপনারা চলে যান,সাংবাদিকদের সাথে কথা বলবেনা কেন কারণ জানতে চাইলে পেসকার বারী বলে রফিকের বিরুদ্ধে চাঁদা বাজি মামলা আছে কোট বিচার করবে আপনারা কেন আসছেন। প্রতিবেদক বলেন মামলা সংক্রান্ত কোন বিষয় নিয়ে আমরা জানতে আসি নাই ,আমরা জানতে চাচ্ছি আপনার ভাই আদম ব্যবসা করে গ্রামের নিরহ লোক জনের কাছ থেকে অনেকগুলো টাকা মেরে দিয়েছে এই ব্যাপারে আমরা আপনার ভায়ের কথা শুনতে আসছি, ঘঠনা কতটুকু সত্য আর মিথ্যা, কিন্তু পেসকার বারী তার ভাই মোজাম্মেলকে বলে দেয় কোন কথা তুমি সাংবাদিকদের বলবেনা, এক পর্যায় সাংবাদিকরা মোজাম্মেলকে বলে আপনি আদম ব্যবসা করেন? মোজাম্মেল স্বীকার করে, তাহলে গ্রামের এতোগুলো লোকের টাকা নিয়েছেন তাদেরকে বিদেশেও পাঠান নি আবার টাকা গুলো ফেরৎ দেন নি কেন? এমন প্রশ্ন করা কলে সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপে গিয়ে বলেন আপনারা আমার কাছে চাঁদা চাইতে আসছেন আমি আপনাদের বিরুদ্ধে মামলা করব। প্রতিবেদক তখন বলেন যারা টাকা চাইতে আসে তাদের বিরুদ্ধেই আপনি চাঁদা বাজি মামলার হুমকি কেন দেন? কার শক্তিতে আপনি কথা বলেন,তখন মোজাম্মেল বলে আমার একভাই পেসকার,আরেক ভাই ডিসি অফিসে চাকরি করে ,আপনাদের কিছু করার থাকলে তাদের সাথে কথা বলুন, আমি এ ব্যাপারে কথা বলব না। এই বলেই টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকে চাকরী করেন মোজাম্মেলের ভাই জামান সাহেবকে ফোন দেয় , জামান সাহেব প্রতিবেদককে বলে ভাই আপনারা আমার অফিসে আসেন বসে কথা বলি। তখন প্রতিবেদক বলে আমরা আপনার ভাইয়ের প্রতারনার তথ্য সংগ্রহ করতে আসছি আপনার অফিসে বসে কথা বলার কিছু নেই,বরং আপনার ভাইকে বলেন আমাদের কাছে সত্য কথাটুকু বলার জন্য।

কিন্তু মোজাম্মেল কোন কথা না বলেই গেটের তালা লাগিয়ে দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচোরণ করে চলে যায়। ফেরার পথে অত্র এলাকার কিছু লোক আমাদের কাছে বলেন হঠাৎ করে মোজাম্মেল এই এলাকায় জায়গা কিনে আলীশান বাড়ী করছে, কোথা থেকে এতো টাকার মালিক মোজাম্মেল হলেন এই প্রশ্ন এলাকার সবার।

এরই মধ্যে মোজাম্মেল হোসেন এর ভাই পেসকার বারী সাংবাদিকদের কাছে মুঠো ফোনে হুমকি স্বরুপ বলেন কোন প্রকার নিউজ আপনারা প্রচার করবেন না।আর যদি করেন তাহলে সমস্যা হবে।

বাংলাদেশে যখন দুর্নীতি মুক্ত অভিযান চলছে ঠিক তখন এমন আচোরন সাংবাদিকরা আশা করে না। একজন পেসকার কিভাবে তার ভাইয়ের ছাফাই গেয়ে আদালতের ভয় দেখিয়ে সাধারণ জনগণের টাকা আত্তসাৎ করে এটা ভাবার বিষয়। আইন আদালত আমাদের সবার উপরে আমরা সবাই আদালতকে ন্যায় বিচারের আসনে দেখি,

কিন্তু সাধারণ জনগন আজ কিছু কুচুক্রি কর্মকতাদের জন্য ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমারা জানি টাঙ্গাইলের নাগরপুরের জাআলম এর ঘঠনা,কি ভাবে অনন্যায় বিচার করে তাকে জেল খাটতে হয়েছে,একমাত্র সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের জন্য জাআলম ন্যায় বিচার পেয়ে আজ মুক্ত আকাশের নিচে নিশ্বাস নিতে পারছে।

আমরা চাই ন্যায় বিচার থেকে কেউ যেন বাদ না পড়ে, আবার অন্যায় করে কেউ যেন পার না পায়।