ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

জমির সমস্যা সমাধানের আশ্বাস

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের জমিসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জমি নিয়ে একটা সমস্যা ছিল।

ইতিমধ্যেই সেই সমস্যা আমরা সমাধান করে ফেলেছি। বাকি কাজ আপনাদেরই করতে হবে।’ সোমবার বিকেলে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষষ্ঠীর দিনে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শনকালে দেয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

হিন্দু সম্প্রদায়কে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার। আমরা সবাই সেটাই মানি আর বাংলাদেশ বিশ্বে সেটার একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রত্যেকটি উৎসবে সবাই ভাই বোনের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা এই উৎসব উদযাপন করে যাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা মুসলমানরা শুধু নয়, সব ধর্মের মানুষ- হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান- সবাই মিলেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে এ দেশ স্বাধীন করেছি। বাংলাদেশ লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এবং এই বাংলাদেশে জাতি ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যার যার অধিকার নিয়েই বসবাস করবে, তাদের ধর্ম-কর্ম পালন করবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশকে আমরা একসঙ্গে গড়ে তুলতে চাই। বাংলাদেশ উন্নত হোক, সমৃদ্ধিশালী হোক, দারিদ্র্যমুক্ত এবং ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ হোক এটাই ছিল জাতির পিতার স্বপ্ন। আমি এটুকু বলতে পারি, আমি বাবা, মা, ভাই সব হারিয়েছি এবং আমরা দুটি বোন বেঁচে আছি এবং আমাদের জীবনের একটাই লক্ষ্য- এই বাংলাদেশটাকে আমরা গড়ে তুলব। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা কখনও ব্যর্থ হতে পারে না।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থানের ব্যবস্থা করে প্রতিটি মানুষকে একটি উন্নত জীবন দেব- যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন। জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বহু আগেই এই দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠত।

সরকারপ্রধান বলেন, আজকে আমরা আনন্দিত সারা বাংলাদেশেই পুজো হচ্ছে এবং প্রতি বছরই পুজোর সংখ্যা বাড়ছে। প্রায় ৩০ হাজারের বেশি মণ্ডপে পুজো হচ্ছে (সারা দেশে ৩১ হাজার ২৭২টি পূজামণ্ডপে পূজা হচ্ছে)।

তিনি বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় জনগণও সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শৈলেন মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জি, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি মিলন দত্ত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, হাজী সেলিম এমপি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী রামকৃষ্ণ মিশন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান। সেখানে মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশানন্দ প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। স্থানীয় এমপি কাজী ফিরোজ রশিদ এবং পুলিশের আইজি ড. মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারি এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের এমন একটা দুর্ভাগ্য ছিল যে, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এমনকি আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরাও রেহাই পেত না- এ ধরনের একটি পরিবেশ ছিল। অথচ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার। বাংলাদেশে সেই মূল্যবোধটাই যেন হারিয়ে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, তাই আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, সব মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সবাই মিলে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনা করে যাচ্ছে।

প্রতিটি উৎসবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঙালিরা উৎসব পালন করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলা নববর্ষের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বাংলা নববর্ষকে নতুন চেতনায় আজকে আমরা নিয়ে এসেছি। এই একটি উৎসব যা সবাই মিলে এক হয়ে আমরা উদযাপন করতে পারি।

তার সরকার দেশের সব ধর্মের মানুষের সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করেছে উল্লেখ করে বলেন, সরকার বিনা ট্যাক্সে ১০০ টাকার বিনিময়ে হিন্দুসহ অন্য ধর্মের কন্যাসন্তানকে বাবার সম্পত্তি হেবা করে দেয়ার অধিকার দিয়ে আইন করে দিয়েছে। যাতে হিন্দু সন্তান হেবা আইন অনুযায়ী পৈতৃক সম্পত্তি লাভ করতে পারে। মসজিদভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি তার সরকার মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থাও চালু করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষার ব্যবস্থার পাশাপাশি সেবায়েত, পুরোহিতদের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এ ছাড়া সরকার বাংলাদেশব্যাপী সব ধর্মের জন্য একটি করে কল্যাণ ট্রাস্ট করে দিয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮
২ বার পঠিত হয়েছে

জমির সমস্যা সমাধানের আশ্বাস

আপডেট এর সময় : ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের জমিসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জমি নিয়ে একটা সমস্যা ছিল।

ইতিমধ্যেই সেই সমস্যা আমরা সমাধান করে ফেলেছি। বাকি কাজ আপনাদেরই করতে হবে।’ সোমবার বিকেলে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষষ্ঠীর দিনে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শনকালে দেয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

হিন্দু সম্প্রদায়কে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার। আমরা সবাই সেটাই মানি আর বাংলাদেশ বিশ্বে সেটার একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রত্যেকটি উৎসবে সবাই ভাই বোনের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা এই উৎসব উদযাপন করে যাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা মুসলমানরা শুধু নয়, সব ধর্মের মানুষ- হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান- সবাই মিলেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে এ দেশ স্বাধীন করেছি। বাংলাদেশ লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এবং এই বাংলাদেশে জাতি ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যার যার অধিকার নিয়েই বসবাস করবে, তাদের ধর্ম-কর্ম পালন করবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশকে আমরা একসঙ্গে গড়ে তুলতে চাই। বাংলাদেশ উন্নত হোক, সমৃদ্ধিশালী হোক, দারিদ্র্যমুক্ত এবং ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ হোক এটাই ছিল জাতির পিতার স্বপ্ন। আমি এটুকু বলতে পারি, আমি বাবা, মা, ভাই সব হারিয়েছি এবং আমরা দুটি বোন বেঁচে আছি এবং আমাদের জীবনের একটাই লক্ষ্য- এই বাংলাদেশটাকে আমরা গড়ে তুলব। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা কখনও ব্যর্থ হতে পারে না।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থানের ব্যবস্থা করে প্রতিটি মানুষকে একটি উন্নত জীবন দেব- যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন। জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বহু আগেই এই দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠত।

সরকারপ্রধান বলেন, আজকে আমরা আনন্দিত সারা বাংলাদেশেই পুজো হচ্ছে এবং প্রতি বছরই পুজোর সংখ্যা বাড়ছে। প্রায় ৩০ হাজারের বেশি মণ্ডপে পুজো হচ্ছে (সারা দেশে ৩১ হাজার ২৭২টি পূজামণ্ডপে পূজা হচ্ছে)।

তিনি বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় জনগণও সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শৈলেন মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জি, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি মিলন দত্ত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, হাজী সেলিম এমপি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী রামকৃষ্ণ মিশন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান। সেখানে মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশানন্দ প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। স্থানীয় এমপি কাজী ফিরোজ রশিদ এবং পুলিশের আইজি ড. মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারি এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের এমন একটা দুর্ভাগ্য ছিল যে, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এমনকি আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরাও রেহাই পেত না- এ ধরনের একটি পরিবেশ ছিল। অথচ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার। বাংলাদেশে সেই মূল্যবোধটাই যেন হারিয়ে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, তাই আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, সব মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সবাই মিলে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনা করে যাচ্ছে।

প্রতিটি উৎসবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঙালিরা উৎসব পালন করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলা নববর্ষের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বাংলা নববর্ষকে নতুন চেতনায় আজকে আমরা নিয়ে এসেছি। এই একটি উৎসব যা সবাই মিলে এক হয়ে আমরা উদযাপন করতে পারি।

তার সরকার দেশের সব ধর্মের মানুষের সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করেছে উল্লেখ করে বলেন, সরকার বিনা ট্যাক্সে ১০০ টাকার বিনিময়ে হিন্দুসহ অন্য ধর্মের কন্যাসন্তানকে বাবার সম্পত্তি হেবা করে দেয়ার অধিকার দিয়ে আইন করে দিয়েছে। যাতে হিন্দু সন্তান হেবা আইন অনুযায়ী পৈতৃক সম্পত্তি লাভ করতে পারে। মসজিদভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি তার সরকার মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থাও চালু করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষার ব্যবস্থার পাশাপাশি সেবায়েত, পুরোহিতদের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এ ছাড়া সরকার বাংলাদেশব্যাপী সব ধর্মের জন্য একটি করে কল্যাণ ট্রাস্ট করে দিয়েছে।