ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ৭৪ জনকে চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান প্রধানমন্ত্রীর Logo গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

অনলাইন ডেস্ক

যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন-এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে ২৬ মার্চ নিউইয়র্কের একটি স্থানীয় হোটেলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রায় ১৫০টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, জাতিসংঘ সচিবালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনীতিকবৃন্দ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর থেকে, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্র নীতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ধারণ করে আসছে।

আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে, জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সাধন করেছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

তিনি বলেন, ২৬ মার্চ কেবল একটি জাতির জন্মলগ্নই নয়, বরং এ দিনটি বাঙালি জাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।

এর আগে সকালে মিশনের অডিটোরিয়ামে দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এতে বিশিষ্টজনদের বাণী পাঠ করা হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
১১ বার পঠিত হয়েছে

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

আপডেট এর সময় : ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন-এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে ২৬ মার্চ নিউইয়র্কের একটি স্থানীয় হোটেলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রায় ১৫০টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, জাতিসংঘ সচিবালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনীতিকবৃন্দ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর থেকে, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্র নীতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ধারণ করে আসছে।

আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে, জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সাধন করেছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

তিনি বলেন, ২৬ মার্চ কেবল একটি জাতির জন্মলগ্নই নয়, বরং এ দিনটি বাঙালি জাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।

এর আগে সকালে মিশনের অডিটোরিয়ামে দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এতে বিশিষ্টজনদের বাণী পাঠ করা হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।