ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার Logo ইরানে সরকারবিরোধী ২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর Logo মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকা ভুয়া বিদ্যুত বিল, জিএম বরখাস্ত, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম

নেইমারকে পেতে নিজেদের বেতনেও ছাড় দিয়েছিলেন পিকেরা!

প্রতিনিধির নাম :

নেইমারকে আবারও দলে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সর্বশেষ দল বদলের সময় বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। কিন্তু তাকে দলে ভেড়ানো সম্ভব হয়নি। দুই বছর আগে ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বিশ্বরেকর্ড গড়া অর্থে কাতালান ক্লাব ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) পাড়ি জমিয়েছিলেন এই ব্রাজিলীয় সুপার স্টার। কিন্তু সেপ্টেম্বরে দলবদলের জানালা বন্ধ হবার আগে নেইমারকে নিয়ে চুক্তিতে আসতে ব্যর্থ হয় ক্লাব দুটি।

ইতোমধ্যে ১২০ মিলিয়ন ইউরোতে ফরাসি ফরোয়ার্ড আাঁতোয়ান গ্রিজম্যানকে দলে ভিড়িয়েছে বার্সা। ফ্রেঙ্কিকে দলে বিড়িয়েছে ৭৫ মিলিয়ন ইউরোতে। ফলে উয়েফা নির্ধারিত ফেয়ার প্লে ফেয়ারের সর্বাধিক স্তরে পৌঁছে যায় কাতালানরা। ধনী ক্লাবের মালিকরা যাতে অন্য ক্লাবগুলোকে একেবারেই পিছিয়ে দিতে না পারে সে জন্যই উয়েফার এই নিয়ম। এতে বার্সেলোনার ফান্ডে টান পড়েছিল। এ অবস্থায় বার্সেলোনা যেন নেইমারকে আনতে পারে সে চেষ্টা করেছেন ক্লাবটির খেলোয়াড়েরা।

স্প্যানিশ রেডিওকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বার্সা তারকা পিকে বলেন, ‘আমরা টাকা জোগাড় করেছি এমন না। আমরা ক্লাবের সভাপতিকে বলেছিলাম আমরা আমাদের চুক্তিতে একটু বদল আনতে পারি কিনা। কারণ আমরা জানতাম ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লের ব্যাপারটা আছে। আমরা তাই সভাপতিকে বলেছিলাম, দরকার হলে প্রথম বছরের বদলে আমাদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বছরে আয় বাড়ানো হোক। আমাদের বেতন না কমিয়েই একটা উপায় বের করতে চেয়েছিলাম, যাতে তারা নেইকে দলে আনতে পারে। ক্লাবও খুব ভালোভাবে নিয়েছিল এ উদ্যোগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুই হলো না।’

নেইমারকে পিএসজিতে যেতে মানা করেছিলেন উল্লেখ করে পিকে আরও বলেন, ‘ ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লের সমস্যা এড়াতে আমরা সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ফলাফল আসেনি। যদিও ফুটবলে অনেক কিছুই হতে পারে। আর সেটা দিন দিন আরও পরিষ্কার হচ্ছে। আমরা তখনই নেইমারকে বলেছিলাম, সোনার কয়েদখানায় যাচ্ছ। কিন্তু ফুটবলে যে কোনো কিছু হতে পারে। ভবিষ্যতে আবারও এখানে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হতে পারে।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৯
১৯ বার পঠিত হয়েছে

নেইমারকে পেতে নিজেদের বেতনেও ছাড় দিয়েছিলেন পিকেরা!

আপডেট এর সময় : ০২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৯

নেইমারকে আবারও দলে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সর্বশেষ দল বদলের সময় বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। কিন্তু তাকে দলে ভেড়ানো সম্ভব হয়নি। দুই বছর আগে ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বিশ্বরেকর্ড গড়া অর্থে কাতালান ক্লাব ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) পাড়ি জমিয়েছিলেন এই ব্রাজিলীয় সুপার স্টার। কিন্তু সেপ্টেম্বরে দলবদলের জানালা বন্ধ হবার আগে নেইমারকে নিয়ে চুক্তিতে আসতে ব্যর্থ হয় ক্লাব দুটি।

ইতোমধ্যে ১২০ মিলিয়ন ইউরোতে ফরাসি ফরোয়ার্ড আাঁতোয়ান গ্রিজম্যানকে দলে ভিড়িয়েছে বার্সা। ফ্রেঙ্কিকে দলে বিড়িয়েছে ৭৫ মিলিয়ন ইউরোতে। ফলে উয়েফা নির্ধারিত ফেয়ার প্লে ফেয়ারের সর্বাধিক স্তরে পৌঁছে যায় কাতালানরা। ধনী ক্লাবের মালিকরা যাতে অন্য ক্লাবগুলোকে একেবারেই পিছিয়ে দিতে না পারে সে জন্যই উয়েফার এই নিয়ম। এতে বার্সেলোনার ফান্ডে টান পড়েছিল। এ অবস্থায় বার্সেলোনা যেন নেইমারকে আনতে পারে সে চেষ্টা করেছেন ক্লাবটির খেলোয়াড়েরা।

স্প্যানিশ রেডিওকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বার্সা তারকা পিকে বলেন, ‘আমরা টাকা জোগাড় করেছি এমন না। আমরা ক্লাবের সভাপতিকে বলেছিলাম আমরা আমাদের চুক্তিতে একটু বদল আনতে পারি কিনা। কারণ আমরা জানতাম ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লের ব্যাপারটা আছে। আমরা তাই সভাপতিকে বলেছিলাম, দরকার হলে প্রথম বছরের বদলে আমাদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বছরে আয় বাড়ানো হোক। আমাদের বেতন না কমিয়েই একটা উপায় বের করতে চেয়েছিলাম, যাতে তারা নেইকে দলে আনতে পারে। ক্লাবও খুব ভালোভাবে নিয়েছিল এ উদ্যোগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুই হলো না।’

নেইমারকে পিএসজিতে যেতে মানা করেছিলেন উল্লেখ করে পিকে আরও বলেন, ‘ ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লের সমস্যা এড়াতে আমরা সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ফলাফল আসেনি। যদিও ফুটবলে অনেক কিছুই হতে পারে। আর সেটা দিন দিন আরও পরিষ্কার হচ্ছে। আমরা তখনই নেইমারকে বলেছিলাম, সোনার কয়েদখানায় যাচ্ছ। কিন্তু ফুটবলে যে কোনো কিছু হতে পারে। ভবিষ্যতে আবারও এখানে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হতে পারে।’