ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের মিশন শেষ Logo ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার Logo ইরানে সরকারবিরোধী ২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর Logo মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকা ভুয়া বিদ্যুত বিল, জিএম বরখাস্ত, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া

পুলিশ পরির্দশকের বিরুদ্ধে আলামত বিক্রির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :

ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) একেএম ফজলুল হকের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলার আলামত বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ব্যবহৃত ৩টি ইজিবাইক তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন একই থানার সহকারী উপপরিদর্শক  শামীম হোসেন। আজ বুধবার সকালে কাওয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।ইজিবাইক তিনটি উদ্ধারের পর থানায় নেওয়া হলেও এখন সেগুলোর হদিস মিলছে না। সরেজমিনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা গেছে। এএসআই শামীমের অভিযোগ, সকালে জব্দকৃত ওই তিনটি ইজিবাইকের ব্যাপারে জানতে চাইলে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান পুলিশ পরির্দশক একেএম ফজলুল হক। থানায় গিয়ে জানা যায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে (২৭ তারিখ) ধামরাই উপজেলার জালসা গ্রামে তিনটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ডাকাতের ছুরিকাঘাতে রমজান আলী নামের এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়। নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালায় ডাকাত সদস্যরা। এ ঘটনার পর ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরর্দার ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন। পরে ধামরাই থানায় একটি হত্যা ও ডাকাতি মামলা হয়। মামলার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) একেএম ফজলুল হক। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে। এ ছাড়া জিরানি এলাকায় একটি গ্যারেজ থেকে তিনটি ইজিবাইক জব্দ করেন। এ সময় তার সঙ্গে দায়িত্বে ছিলেন এএসআই শামীম। পরে ইজিবাইক তিনটি ডাকাতি মামলার আলামত হিসেবে কাওয়ালীপাড়া ফাঁড়িতে নেন ফজলুল হক। কয়েকদিন আগে গোপনে মামলার আলামত ইজিবাইক তিনটি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে দেন পুলিশ পরির্দশক ফজলুল হক। ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা ও দায়িত্বে থাকা এএসআই  শামীমসহ  সংশ্লিষ্ট কাউকে না জানিয়ে আলামত বিক্রির করেন তিনি। এ ঘটনা চাউর হলে আজ সকালে ফজলুল হকের কাছে এ সম্পর্কে জানতে চান শামীম। এতে তার ওপর ক্ষিপ্ত হন পুলিশ পরির্দশক ফজলুল হক। তাদের মধ্যে কথাকাটি শুরু হয়ে এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে ফাঁড়ির অন্যান্য সদস্যরা এগিয়ে এসে তাদের দুজনকে থামান। এএসআই  শামীম জানান, তিনি ও ফজলুল হক মিলে ডাকাতি মামলার এক আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জিরানি এলাকা থেকে ইজিবাইক তিনটি জব্দ করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন। ১৫-২০ দিন সেগুলো ফাঁড়িতে ছিল, এরপর ফজলুল হক সেগুলো কী করেছেন তা কেউ জানেন না।  তিনি বলেন, ‘আমি ইজিবাইক তিনটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমার ক্ষিপ্ত হন।’এ বিষয়ে পুলিশ পরির্দশক একে এম ফজলুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে তিনি কল কেটে দেন। ঢাকা জেলার এসপি মারুফ হোসেন সরর্দার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯
২০ বার পঠিত হয়েছে

পুলিশ পরির্দশকের বিরুদ্ধে আলামত বিক্রির অভিযোগ

আপডেট এর সময় : ০২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯

ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) একেএম ফজলুল হকের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলার আলামত বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ব্যবহৃত ৩টি ইজিবাইক তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন একই থানার সহকারী উপপরিদর্শক  শামীম হোসেন। আজ বুধবার সকালে কাওয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।ইজিবাইক তিনটি উদ্ধারের পর থানায় নেওয়া হলেও এখন সেগুলোর হদিস মিলছে না। সরেজমিনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা গেছে। এএসআই শামীমের অভিযোগ, সকালে জব্দকৃত ওই তিনটি ইজিবাইকের ব্যাপারে জানতে চাইলে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান পুলিশ পরির্দশক একেএম ফজলুল হক। থানায় গিয়ে জানা যায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে (২৭ তারিখ) ধামরাই উপজেলার জালসা গ্রামে তিনটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ডাকাতের ছুরিকাঘাতে রমজান আলী নামের এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়। নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালায় ডাকাত সদস্যরা। এ ঘটনার পর ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরর্দার ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন। পরে ধামরাই থানায় একটি হত্যা ও ডাকাতি মামলা হয়। মামলার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) একেএম ফজলুল হক। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে। এ ছাড়া জিরানি এলাকায় একটি গ্যারেজ থেকে তিনটি ইজিবাইক জব্দ করেন। এ সময় তার সঙ্গে দায়িত্বে ছিলেন এএসআই শামীম। পরে ইজিবাইক তিনটি ডাকাতি মামলার আলামত হিসেবে কাওয়ালীপাড়া ফাঁড়িতে নেন ফজলুল হক। কয়েকদিন আগে গোপনে মামলার আলামত ইজিবাইক তিনটি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে দেন পুলিশ পরির্দশক ফজলুল হক। ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা ও দায়িত্বে থাকা এএসআই  শামীমসহ  সংশ্লিষ্ট কাউকে না জানিয়ে আলামত বিক্রির করেন তিনি। এ ঘটনা চাউর হলে আজ সকালে ফজলুল হকের কাছে এ সম্পর্কে জানতে চান শামীম। এতে তার ওপর ক্ষিপ্ত হন পুলিশ পরির্দশক ফজলুল হক। তাদের মধ্যে কথাকাটি শুরু হয়ে এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে ফাঁড়ির অন্যান্য সদস্যরা এগিয়ে এসে তাদের দুজনকে থামান। এএসআই  শামীম জানান, তিনি ও ফজলুল হক মিলে ডাকাতি মামলার এক আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জিরানি এলাকা থেকে ইজিবাইক তিনটি জব্দ করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন। ১৫-২০ দিন সেগুলো ফাঁড়িতে ছিল, এরপর ফজলুল হক সেগুলো কী করেছেন তা কেউ জানেন না।  তিনি বলেন, ‘আমি ইজিবাইক তিনটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমার ক্ষিপ্ত হন।’এ বিষয়ে পুলিশ পরির্দশক একে এম ফজলুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে তিনি কল কেটে দেন। ঢাকা জেলার এসপি মারুফ হোসেন সরর্দার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন।