ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo স্পোর্টিং থেকে দিয়োমান্দেকে দলে ভিড়িয়েছে নটিংহ্যাম ফরেস্ট Logo কুষ্টিয়ায় ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১ Logo ভোরে সুদানের রাজধানীসহ উত্তরাঞ্চলের দুই শহরে ড্রোন হামলা Logo বাংলাদেশকে বৈশ্বিক হালাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর Logo রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : রিজভী Logo কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী Logo টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ এইচপি দল ঘোষণা Logo সহিংসতার পর সিরিয়ায় বাস্তুচ্যুত কুর্দিদের নিজ শহরে ফেরার কার্যক্রম স্থগিত Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের সহায়তা ঘোষণা

বালিয়াডাঙ্গীতে অনুনোমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম :

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে সরকারি অর্থ অপচয় রোধসহ অনুনোমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ভুক্তভোগী অভিভাবকের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য পেশ করেন অভিভাবক মোঃ মকবুল হোসেন । তিনি অভিযোগ করে বলেন- বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অনুনোমোদিত অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে । এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি থাকলেও ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের কোন অনুমতি নাই । প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণবিহীন পার্টটাইম শিক্ষক দিয়ে পাঠদান করার মাধ্যমে শিক্ষার গুনগতমান বিনষ্ট হচ্ছে । বালিয়াডাঙ্গীতে কিন্ডারগার্ডেনের আদলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত যে বই বিতরণ করা হয় তাতেও ব্যাপক অনিয়ম রয়েছে । এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কোন না কোন এমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন করা হচ্ছে । তাহলে একজন শিক্ষার্থীর জন্য অনুনোমোদিত ও এমপিও ভুক্ত উভয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বই সংগ্রহ করছেন । অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থীর জন্য দুটি প্রতিষ্ঠান বই সংগ্রহ করছেন । একজন শিক্ষার্থীর ফলাফল দুটি প্রতিষ্ঠানও দাবি করছেন এমত অবস্থায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে অভিভাবকদের । সরকারকে অতিরিক্ত বই ছাপাতে হচ্ছে । অনুনোমোদিত তথা ভুয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই বিতরণ বন্ধ হলে সরকার রাজস্ব খাত অর্থনৈতিক অপচয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে বলে মন্তব্য করেছেন ।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন -সরকারের প্রচলিত বিধি-বিধান অপেক্ষা করে টিউশন ফ্রিসহ অন্যান্য খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাপক হারে টাকা উত্তোলন করা, প্রতিষ্ঠান কমিটি বিহীন, আর্থিক কিংবা সামাজিক জবাবদিহিতা না থাকায় প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালকগণ আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে যাচ্ছেন । কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্থা বা ট্রাষ্টের নামে পরিচালনার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ সহ সরকারকে কর ফাঁকি অব্যাহত রাখছেন । এইসব ভুয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করণের মাধ্যমে এলাকায় সুষ্ঠু শিক্ষার মান ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন । এসব ভুয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না হলে ভুক্তভোগী অভিভাবকের আয়োজনে আরো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
২০ বার পঠিত হয়েছে

বালিয়াডাঙ্গীতে অনুনোমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট এর সময় : ০২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে সরকারি অর্থ অপচয় রোধসহ অনুনোমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ভুক্তভোগী অভিভাবকের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য পেশ করেন অভিভাবক মোঃ মকবুল হোসেন । তিনি অভিযোগ করে বলেন- বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অনুনোমোদিত অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে । এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি থাকলেও ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের কোন অনুমতি নাই । প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণবিহীন পার্টটাইম শিক্ষক দিয়ে পাঠদান করার মাধ্যমে শিক্ষার গুনগতমান বিনষ্ট হচ্ছে । বালিয়াডাঙ্গীতে কিন্ডারগার্ডেনের আদলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত যে বই বিতরণ করা হয় তাতেও ব্যাপক অনিয়ম রয়েছে । এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কোন না কোন এমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন করা হচ্ছে । তাহলে একজন শিক্ষার্থীর জন্য অনুনোমোদিত ও এমপিও ভুক্ত উভয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বই সংগ্রহ করছেন । অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থীর জন্য দুটি প্রতিষ্ঠান বই সংগ্রহ করছেন । একজন শিক্ষার্থীর ফলাফল দুটি প্রতিষ্ঠানও দাবি করছেন এমত অবস্থায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে অভিভাবকদের । সরকারকে অতিরিক্ত বই ছাপাতে হচ্ছে । অনুনোমোদিত তথা ভুয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই বিতরণ বন্ধ হলে সরকার রাজস্ব খাত অর্থনৈতিক অপচয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে বলে মন্তব্য করেছেন ।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন -সরকারের প্রচলিত বিধি-বিধান অপেক্ষা করে টিউশন ফ্রিসহ অন্যান্য খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাপক হারে টাকা উত্তোলন করা, প্রতিষ্ঠান কমিটি বিহীন, আর্থিক কিংবা সামাজিক জবাবদিহিতা না থাকায় প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালকগণ আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে যাচ্ছেন । কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্থা বা ট্রাষ্টের নামে পরিচালনার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ সহ সরকারকে কর ফাঁকি অব্যাহত রাখছেন । এইসব ভুয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করণের মাধ্যমে এলাকায় সুষ্ঠু শিক্ষার মান ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন । এসব ভুয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না হলে ভুক্তভোগী অভিভাবকের আয়োজনে আরো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান।