ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

বিশাল হাঙরের পিঠে চড়ে সমুদ্র ঘুরে বেড়াচ্ছে অক্টোপাস

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: ঘটনাটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের। গবেষকরা নিউজিল্যান্ডের উপকূলে একটি বিরল ও চমকপ্রদ দৃশ্যের সাক্ষী হন। তারা একটি বড় হাঙরের পিঠে একটি কমলা রঙের মাওরি অক্টোপাসকে আঁকড়ে থাকতে দেখেন। শার্ক এবং অক্টোপাস— শার্কটোপাসের এই বিরল বন্ধুত্ব ক্যামেরাবন্দি করেন গবেষকদের একটি টিম।

শুক্রবার (২১ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাওরি অক্টোপাস দক্ষিণ গোলার্ধের সবচেয়ে বড় অক্টোপাস প্রজাতি। এটি সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে বাস করে। এই ঘটনাটি বিশেষভাবে অস্বাভাবিক। কারণ— হাঙরটি একটি শর্টফিন মাকো হাঙর, যা খুব কমই সমুদ্রের তলদেশে যায়। কীভাবে মাওরি অক্টোপাসটি শর্টফিন মাকো হাঙরের পিঠে চরলো, সেটি রহস্যময়।

গবেষক দলের সদস্য কনস্ট্যানটাইন বলেন, ‘অক্টোপাসটি হাঙরের মাথায় বেশ বড় জায়গা দখল করে ছিলো, যা দেখতে সত্যিই আশ্চর্যজনক ছিল।’

ঘটনাটি বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা প্রায় ১০ মিনিট ধরে এই দৃশ্য পর্যবেক্ষণ করেছি, কিন্তু এরপর কী হয়েছিল তা আমরা জানি না। তবে হাঙরটি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে, তাই অক্টোপাসটির জন্য এটি নিশ্চয়ই একটি উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতা ছিল।’

এই অস্বাভাবিক ঘটনাটি সামুদ্রিক জীবনের রহস্য এবং সমুদ্রের বিস্ময়ের আরেকটি উদাহরণ। গবেষকরা বলছেন, সমুদ্র ও এর বাস্তুতন্ত্র সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান এখনও অসম্পূর্ণ, এবং হাঙরের মতো শীর্ষ শিকারী প্রাণীরা এই বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই ‘শার্কটোপাস’ মেলামেশা সমুদ্রের অজানা রহস্য এবং এর সৌন্দর্যের একটি অনুস্মারক। কনস্ট্যানটাইন বলেন, ‘সামুদ্রিক বিজ্ঞানী হওয়ার সবচেয়ে ভালো দিক হলো আপনি কখনই জানেন না সমুদ্রে এরপর কী দেখতে পাবেন। সংরক্ষণ উদ্যোগগুলোকে সমর্থন করার মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে এমন অসাধারণ মুহূর্তগুলো ভবিষ্যতেও ঘটতে থাকে।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
২৩ বার পঠিত হয়েছে

বিশাল হাঙরের পিঠে চড়ে সমুদ্র ঘুরে বেড়াচ্ছে অক্টোপাস

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: ঘটনাটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের। গবেষকরা নিউজিল্যান্ডের উপকূলে একটি বিরল ও চমকপ্রদ দৃশ্যের সাক্ষী হন। তারা একটি বড় হাঙরের পিঠে একটি কমলা রঙের মাওরি অক্টোপাসকে আঁকড়ে থাকতে দেখেন। শার্ক এবং অক্টোপাস— শার্কটোপাসের এই বিরল বন্ধুত্ব ক্যামেরাবন্দি করেন গবেষকদের একটি টিম।

শুক্রবার (২১ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাওরি অক্টোপাস দক্ষিণ গোলার্ধের সবচেয়ে বড় অক্টোপাস প্রজাতি। এটি সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে বাস করে। এই ঘটনাটি বিশেষভাবে অস্বাভাবিক। কারণ— হাঙরটি একটি শর্টফিন মাকো হাঙর, যা খুব কমই সমুদ্রের তলদেশে যায়। কীভাবে মাওরি অক্টোপাসটি শর্টফিন মাকো হাঙরের পিঠে চরলো, সেটি রহস্যময়।

গবেষক দলের সদস্য কনস্ট্যানটাইন বলেন, ‘অক্টোপাসটি হাঙরের মাথায় বেশ বড় জায়গা দখল করে ছিলো, যা দেখতে সত্যিই আশ্চর্যজনক ছিল।’

ঘটনাটি বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা প্রায় ১০ মিনিট ধরে এই দৃশ্য পর্যবেক্ষণ করেছি, কিন্তু এরপর কী হয়েছিল তা আমরা জানি না। তবে হাঙরটি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে, তাই অক্টোপাসটির জন্য এটি নিশ্চয়ই একটি উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতা ছিল।’

এই অস্বাভাবিক ঘটনাটি সামুদ্রিক জীবনের রহস্য এবং সমুদ্রের বিস্ময়ের আরেকটি উদাহরণ। গবেষকরা বলছেন, সমুদ্র ও এর বাস্তুতন্ত্র সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান এখনও অসম্পূর্ণ, এবং হাঙরের মতো শীর্ষ শিকারী প্রাণীরা এই বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই ‘শার্কটোপাস’ মেলামেশা সমুদ্রের অজানা রহস্য এবং এর সৌন্দর্যের একটি অনুস্মারক। কনস্ট্যানটাইন বলেন, ‘সামুদ্রিক বিজ্ঞানী হওয়ার সবচেয়ে ভালো দিক হলো আপনি কখনই জানেন না সমুদ্রে এরপর কী দেখতে পাবেন। সংরক্ষণ উদ্যোগগুলোকে সমর্থন করার মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে এমন অসাধারণ মুহূর্তগুলো ভবিষ্যতেও ঘটতে থাকে।’