ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

ভারতীয় বিমানকে ধাওয়া পাকিস্তানের, আফগানিস্তান গিয়ে রক্ষা

প্রতিনিধির নাম :

১২০ জন যাত্রী নিয়ে নয়াদিল্লি থেকে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল স্পাইসজেটের এক বিমান। যাত্রাপথে মাঝ আকাশে ধাওয়া দেয় পাকিস্তানের বিমানবাহিনী।

সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে স্পাইসজেটের ওই বিমান ধাওয়ার মুখে পড়ে বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে।
সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের বরাতে এনডিটিভির খবরে বলা হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ১২০ জন যাত্রী নিয়ে নয়াদিল্লি থেকে কাবুলের উদ্দেশে স্পাইসজেটের একটি বিমান যাত্রা করেছিল। পাকিস্তানের আকাসীমায় ঢুকে পড়ায় মাঝ আকাশেই তাদের পথ রুদ্ধ করে দেশটির বিমানবাহিনী। এরপর বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমার বাইরে যাওয়া পর্যন্ত তাদের ধাওয়া করা হয়।

বৃহস্পতিবার ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসি) একথা জানিয়েছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়।

ডিজিসিএ-র তরফে জানানো হয়েছে, অনেকটা সংশয় নিয়েই বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি পাকিস্তা‌নের আকাশসীমার মধ্যে ঢুকেছিল। এরপরই পাকিস্তানি বিমান তাদের ধাওয়া দেয়। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এফ-১৬ বিমান ভারতীয় বিমানটিকে নিচু হতে বলে।

এসময় স্পাইসজেট বিমানের পাইলট পাক বিমান বাহিনীকে বোঝাতে সক্ষম হয় যে তাদের বিমানটি ‘বাণিজ্যিক বিমান’।

এরপর স্পাইসজেট বিমানটিকে চলার পথ অব্যাহত রাখার অনুমতি দেয়া হয় এবং তাদের আফগান আকাশসীমায় পৌঁছানো পর্যন্ত সঙ্গও দেয় পাক বিমানটি।

বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ার কারণে বেশি তথ্য জানাতে রাজি হয়নি ডিজিসিএ। স্পাইসজেট কর্তৃপক্ষও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের বালাকোটে বিমান হামলা চালানোর পর থেকে ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। পরিস্থিতি শান্ত হলে জুলাই মাসে আবার আংশিকভাবে তা খুলে দেয়া হয়।

এরপর কাশ্মীর নিয়ে আবার উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ভারতের সঙ্গে বানিজ্যিক সম্পর্ক ও আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯
১১ বার পঠিত হয়েছে

ভারতীয় বিমানকে ধাওয়া পাকিস্তানের, আফগানিস্তান গিয়ে রক্ষা

আপডেট এর সময় : ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯

১২০ জন যাত্রী নিয়ে নয়াদিল্লি থেকে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল স্পাইসজেটের এক বিমান। যাত্রাপথে মাঝ আকাশে ধাওয়া দেয় পাকিস্তানের বিমানবাহিনী।

সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে স্পাইসজেটের ওই বিমান ধাওয়ার মুখে পড়ে বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে।
সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের বরাতে এনডিটিভির খবরে বলা হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ১২০ জন যাত্রী নিয়ে নয়াদিল্লি থেকে কাবুলের উদ্দেশে স্পাইসজেটের একটি বিমান যাত্রা করেছিল। পাকিস্তানের আকাসীমায় ঢুকে পড়ায় মাঝ আকাশেই তাদের পথ রুদ্ধ করে দেশটির বিমানবাহিনী। এরপর বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমার বাইরে যাওয়া পর্যন্ত তাদের ধাওয়া করা হয়।

বৃহস্পতিবার ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসি) একথা জানিয়েছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়।

ডিজিসিএ-র তরফে জানানো হয়েছে, অনেকটা সংশয় নিয়েই বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি পাকিস্তা‌নের আকাশসীমার মধ্যে ঢুকেছিল। এরপরই পাকিস্তানি বিমান তাদের ধাওয়া দেয়। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এফ-১৬ বিমান ভারতীয় বিমানটিকে নিচু হতে বলে।

এসময় স্পাইসজেট বিমানের পাইলট পাক বিমান বাহিনীকে বোঝাতে সক্ষম হয় যে তাদের বিমানটি ‘বাণিজ্যিক বিমান’।

এরপর স্পাইসজেট বিমানটিকে চলার পথ অব্যাহত রাখার অনুমতি দেয়া হয় এবং তাদের আফগান আকাশসীমায় পৌঁছানো পর্যন্ত সঙ্গও দেয় পাক বিমানটি।

বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ার কারণে বেশি তথ্য জানাতে রাজি হয়নি ডিজিসিএ। স্পাইসজেট কর্তৃপক্ষও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের বালাকোটে বিমান হামলা চালানোর পর থেকে ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। পরিস্থিতি শান্ত হলে জুলাই মাসে আবার আংশিকভাবে তা খুলে দেয়া হয়।

এরপর কাশ্মীর নিয়ে আবার উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ভারতের সঙ্গে বানিজ্যিক সম্পর্ক ও আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান।