ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল Logo ইবোলার কেন্দ্রস্থলে জীবিকার তাগিদে খনি শ্রমিকদের সংগ্রাম Logo বুলেট ট্রেনে দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর Logo ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo কয়েকটি খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এগিয়ে নিতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের স্বাক্ষর Logo পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার সব দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্পিকারের

মাদকের ভয়াল ছোবলে ক্ষতবিক্ষত নারায়ণগঞ্জের বেশকিছু এলাকা !

প্রতিনিধির নাম :

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্বজুড়ে তান্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস।স্ববির হয়ে পড়েছে পুরো পৃথিবী । এমন পরিস্থিতিতে ও থেমেনেই মাদক সম্রাট জুয়েল এবং নাটা সুমনে এর মাদক ব্যবসা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী করোনা পরিস্থিতিতে, দেশ নিয়ে ব্যস্ত থাকায়। ফের মাথাচাড়া দিয়েছে মাদকের ব্যবসায়ীরা। নারায়ণগঞ্জের  খাঁনপুর,তল্লা রেললাইন, সর্দারপাড়া,হাজিগঞ্জ,চানমাড়ি ইসদাই রেললাইন। এ সমস্ত এলাকাগুলোতে গড়ে উঠেছে মাদকের আখড়া। আর মাদক ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যেই চালাচ্ছে মাদকের ব্যবসা, এমনটাই জানালেন স্হানীয়রা।   মূলত উল্লেখিত এলাকাগুলো নারায়ণগঞ্জ সদর ও ফতুল্লা থানা এলাকার মধ্যবর্তী হওয়ায়, মাদক ব্যবসায়ীরা সহজেই মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এই এলাকাগুলোতে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে সকল প্রকার মরন নেশা। ইসদাইর রেল লাইনের দক্ষিনে নিজ বাড়িতে বসে দীর্ঘ দিন যাবৎ মাদক বিক্রয় করে যাচ্ছে জুয়েল (৩৪) পিতাঃমৃত লালু মিয়া, নামের এক মাদক ব্যবসায়ি।স্থানিয়রা জানায়, জুয়েলের পিতা লালু মিয়াও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন,সেই সুবাদে তার ছেলেও মাদক ব্যবসা করেন।অন্য দিকে লোক চোক্ষুর আড়ালে, বসে মাদক সেবন এবং বিক্রি করে যাচ্ছে সুমন হোসেন  উরফে নাটা সুমন। স্থানিয়রা আরো জানায় তাদের জন্য যুব সমাজ  নস্ট  হচ্ছে, পাশাপাশি আমাদের মেয়েরা স্কুল কলেজে যা্ওয়া বন্ধ করেছে এসমস্ত অপরাধিদের জন্য।  নিজেদের সন্তানরা আস্তে আস্তে মাদকের দিকে যুকে পরছে,আমরা এটার পতিকার চাই,তারা আরো জানান মাদক এর জন্য তাদের কিছু বলতে গেলে নাটা সুমন এবং জুয়েল তাদের মেরে ফেলার হুমকি দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু বেস কিছু এলাকাবাসি এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়িদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসন এর দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন।স্থানীয়‌দের অ‌ভি‌যোগ, মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল এবং নাটা সুমন  এখনও স‌ক্রিয় র‌য়ে‌ছে। সাধারন মানুষ‌কে হয়রা‌নি ক‌রে মুল মাদক ব্যবসায়ী‌দের আড়াল কর‌ছে অ‌ভিনব কায়দায় পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। জানাগেছে সহড়ের খাঁনপুর, তল্লা রেললাইন সহ প্রায় ৫০ জন মাদক বিক্রেতা রয়েছে। এরা মোবাইলের মাধ্যমে ফেরি করে খুব সহজেই গ্রাহকের কাছে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে। ঘনিষ্ঠসূত্র জানিয়েছেন এদের মধ্যে শ্যামল, নিহত মাস্টার দেলুর রাইট হ্যান্ড হিসেবে খ্যাত। অপরদিকে হাবিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি। শ্যামলের স্ত্রী সানী, ও শ্যামলের সহযোগী মোবারকের ছেলে নিলয়, এবং অসংখ্য মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। অ‌ভি‌যোগ র‌য়ে‌ছে জুয়েল ্্ও নাটা সুমন  অফ‌ডিউ‌টি পুলিশ কে ম্যানেজ করে  দির্ঘদিন যাবত তারা মাদক ব্যবসা দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকার কিছু উঠতি বয়সের যুবক, তাদের মাদক ব্যবসায় বাধা প্রদান করাতে, উল্টো তাদের নামে একটি ফেসবুক আইডির মাধ্যমে  তাদেরকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করে, এবং নানা রকম মন্তব্য প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসদাইর  এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠী জানিয়েছেন। জুয়েল এবং সুমন  বাহিনীর অত্যাচারে  আমরা এলাকাতে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারছিনা। এলাকার গলিতে,গলিতে, বহিরাগতদের যাতায়াত বেড়েছে।যার ফলে চুরি,ছিনতাই,ও ধর্ষণরে মতো অপারাধ দিনদিন বেড়েই চলেছে ।‌জুয়েল এবং নাটা সুমনের  বিষ‌য়ে ফতুল্লা থানায় ব্যাপক অ‌ভি‌যোগ র‌য়ে‌ছে খোদ পু‌লি‌শের কর্মকর্তা‌দের ম‌ধ্যেই। স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল এবং নাটা সুমন  পু‌লি‌শের ভাবমু‌র্তি নষ্ট ক‌রে বেড়া‌চ্ছে। যার ফ‌লে বর্তমা‌নে পু‌লি‌শের নানা প্রশংস‌নিয় কর্মকান্ড এসব বি‌চ্ছিন্ন ঘটনায় ম্লান হ‌চ্ছে । এ ব্যপারে এলাকার জনগন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে, তদন্ত সাপেক্ষে মাদক  ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।এ‌বিষ‌য়ে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হো‌সেন জানান,, যারা পু‌লি‌শের ভাবমু‌র্তি নস্ট করার অপপ্রয়াস চালা‌বে তা‌দের কোন ছাড় নেই। ও‌সি আসলাম আরো জানান, মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক কেউ য‌দি পু‌লি‌শের নাম ভা‌ঙি‌য়ে অপকর্ম ক‌রে বেড়ায় আপনারা তা‌কে বেঁ‌ধে রে‌খে পু‌লি‌শে খবর দি‌বেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২০
১১ বার পঠিত হয়েছে

মাদকের ভয়াল ছোবলে ক্ষতবিক্ষত নারায়ণগঞ্জের বেশকিছু এলাকা !

আপডেট এর সময় : ০২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্বজুড়ে তান্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস।স্ববির হয়ে পড়েছে পুরো পৃথিবী । এমন পরিস্থিতিতে ও থেমেনেই মাদক সম্রাট জুয়েল এবং নাটা সুমনে এর মাদক ব্যবসা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী করোনা পরিস্থিতিতে, দেশ নিয়ে ব্যস্ত থাকায়। ফের মাথাচাড়া দিয়েছে মাদকের ব্যবসায়ীরা। নারায়ণগঞ্জের  খাঁনপুর,তল্লা রেললাইন, সর্দারপাড়া,হাজিগঞ্জ,চানমাড়ি ইসদাই রেললাইন। এ সমস্ত এলাকাগুলোতে গড়ে উঠেছে মাদকের আখড়া। আর মাদক ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যেই চালাচ্ছে মাদকের ব্যবসা, এমনটাই জানালেন স্হানীয়রা।   মূলত উল্লেখিত এলাকাগুলো নারায়ণগঞ্জ সদর ও ফতুল্লা থানা এলাকার মধ্যবর্তী হওয়ায়, মাদক ব্যবসায়ীরা সহজেই মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এই এলাকাগুলোতে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে সকল প্রকার মরন নেশা। ইসদাইর রেল লাইনের দক্ষিনে নিজ বাড়িতে বসে দীর্ঘ দিন যাবৎ মাদক বিক্রয় করে যাচ্ছে জুয়েল (৩৪) পিতাঃমৃত লালু মিয়া, নামের এক মাদক ব্যবসায়ি।স্থানিয়রা জানায়, জুয়েলের পিতা লালু মিয়াও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন,সেই সুবাদে তার ছেলেও মাদক ব্যবসা করেন।অন্য দিকে লোক চোক্ষুর আড়ালে, বসে মাদক সেবন এবং বিক্রি করে যাচ্ছে সুমন হোসেন  উরফে নাটা সুমন। স্থানিয়রা আরো জানায় তাদের জন্য যুব সমাজ  নস্ট  হচ্ছে, পাশাপাশি আমাদের মেয়েরা স্কুল কলেজে যা্ওয়া বন্ধ করেছে এসমস্ত অপরাধিদের জন্য।  নিজেদের সন্তানরা আস্তে আস্তে মাদকের দিকে যুকে পরছে,আমরা এটার পতিকার চাই,তারা আরো জানান মাদক এর জন্য তাদের কিছু বলতে গেলে নাটা সুমন এবং জুয়েল তাদের মেরে ফেলার হুমকি দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু বেস কিছু এলাকাবাসি এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়িদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসন এর দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন।স্থানীয়‌দের অ‌ভি‌যোগ, মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল এবং নাটা সুমন  এখনও স‌ক্রিয় র‌য়ে‌ছে। সাধারন মানুষ‌কে হয়রা‌নি ক‌রে মুল মাদক ব্যবসায়ী‌দের আড়াল কর‌ছে অ‌ভিনব কায়দায় পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। জানাগেছে সহড়ের খাঁনপুর, তল্লা রেললাইন সহ প্রায় ৫০ জন মাদক বিক্রেতা রয়েছে। এরা মোবাইলের মাধ্যমে ফেরি করে খুব সহজেই গ্রাহকের কাছে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে। ঘনিষ্ঠসূত্র জানিয়েছেন এদের মধ্যে শ্যামল, নিহত মাস্টার দেলুর রাইট হ্যান্ড হিসেবে খ্যাত। অপরদিকে হাবিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি। শ্যামলের স্ত্রী সানী, ও শ্যামলের সহযোগী মোবারকের ছেলে নিলয়, এবং অসংখ্য মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। অ‌ভি‌যোগ র‌য়ে‌ছে জুয়েল ্্ও নাটা সুমন  অফ‌ডিউ‌টি পুলিশ কে ম্যানেজ করে  দির্ঘদিন যাবত তারা মাদক ব্যবসা দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকার কিছু উঠতি বয়সের যুবক, তাদের মাদক ব্যবসায় বাধা প্রদান করাতে, উল্টো তাদের নামে একটি ফেসবুক আইডির মাধ্যমে  তাদেরকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করে, এবং নানা রকম মন্তব্য প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসদাইর  এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠী জানিয়েছেন। জুয়েল এবং সুমন  বাহিনীর অত্যাচারে  আমরা এলাকাতে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারছিনা। এলাকার গলিতে,গলিতে, বহিরাগতদের যাতায়াত বেড়েছে।যার ফলে চুরি,ছিনতাই,ও ধর্ষণরে মতো অপারাধ দিনদিন বেড়েই চলেছে ।‌জুয়েল এবং নাটা সুমনের  বিষ‌য়ে ফতুল্লা থানায় ব্যাপক অ‌ভি‌যোগ র‌য়ে‌ছে খোদ পু‌লি‌শের কর্মকর্তা‌দের ম‌ধ্যেই। স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল এবং নাটা সুমন  পু‌লি‌শের ভাবমু‌র্তি নষ্ট ক‌রে বেড়া‌চ্ছে। যার ফ‌লে বর্তমা‌নে পু‌লি‌শের নানা প্রশংস‌নিয় কর্মকান্ড এসব বি‌চ্ছিন্ন ঘটনায় ম্লান হ‌চ্ছে । এ ব্যপারে এলাকার জনগন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে, তদন্ত সাপেক্ষে মাদক  ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।এ‌বিষ‌য়ে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হো‌সেন জানান,, যারা পু‌লি‌শের ভাবমু‌র্তি নস্ট করার অপপ্রয়াস চালা‌বে তা‌দের কোন ছাড় নেই। ও‌সি আসলাম আরো জানান, মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক কেউ য‌দি পু‌লি‌শের নাম ভা‌ঙি‌য়ে অপকর্ম ক‌রে বেড়ায় আপনারা তা‌কে বেঁ‌ধে রে‌খে পু‌লি‌শে খবর দি‌বেন।