ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে উৎসাহ দেবে পাকিস্তান Logo কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার Logo সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর : মাহদী আমিন Logo নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সমর্থন চেয়েছেন উপদেষ্টা তিতুমীর Logo বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী Logo ভীষণ হতাশ : বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গের পর আক্ষেপ এমবাপ্পের Logo স্বাস্থ্যখাতের সংকটে অকালেই প্রাণ হারাচ্ছে কিউবার মানুষ Logo ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি Logo দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার

মানসিক চাপ যখন খুব বেশি

প্রতিনিধির নাম :

 

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সকাল থেকে ঘুমানোর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত জীবন যুদ্ধ করতে হয়। ফলশ্রুতিতে শরীর ও মনে বাসা বাঁধে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক এবং মানসিক চাপ বা স্ট্রেস। স্ট্রেস সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড.নাসরিন ওয়াদুদ বলেন, অতিরিক্ত শারীরিক অথবা মানসিক পরিশ্রমে আমরা যে মানসিক অবস্থা অনুভব করি তাই হচ্ছে মানসিক চাপ বা স্ট্রেস। এই চাপ আসতে পারে বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ উভয় দিক থেকেই। আসলে মানসিক চাপ একটি স্বাভাবিক ব্যাপার যা সব বয়সের মানুষের মধ্যেই থাকে।   আবার মানসিক চাপ সব সময় খারাপও না। বরং অল্প কিছু মানসিক চাপ থাকা ভালো। মানসিক চাপের জন্যই আমরা কর্মক্ষেত্রে, পড়াশোনায় কিংবা খেলাধুলায় ভালো করার চেষ্টা করে থাকি। তবে স্বাভাবিক মানসিক অবস্থা যেমন আমাদের সাফল্য এনে দিতে পারে তেমনি অতিরিক্ত মানসিক চাপ আমাদের মাঝে হতাশা এবং ডিপ্রেশনের জন্ম দিতে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো নিয়ন্ত্রণ করে অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম। অতিরিক্ত মানসিক চাপ অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেমের স্বাভাবিক কাজে বিঘ্ন ঘটায়। নিজেকে অপরাধী ভাবা, ক্লান্তি বোধ করা, মাথা ব্যথা, ঘুমের সমস্যা, কারণ ছাড়া হাসি বা কান্না অতিরিক্ত মানসিক চাপের উপসর্গ। নিজের দোষ অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা। যেকোন বিষয়ের খারাপ দিক খুঁজে বের করা। কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, মোটা হওয়া বা শুকিয়ে যাওয়া। উচ্চ রক্তচাপ, ঘন ঘন নিঃশ্বাস নেওয়া। হজম শক্তি কমে যাওয়া প্রভৃতি। মানসিক চাপ মোকাবেলায় আমাদের নিয়মিতভাবে সুষম খাবার খাওয়ার পাশাপাশি চা ও কফি কম খেতে হবে। প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুমেরও। এছাড়া কাজের চাপ নিতে হবে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী। মাঝে মাঝে কাজে বিরতি দিয়ে মন খুলে আনন্দ করতে হবে বা বাইরে কোথাও থেকে ঘুরে আসতে হবে। সমস্যাগুলোর ব্যাপারে বিশ্বস্ত কারো সাথে মন খুলে কথা বলতে হবে। পাশাপাশি যেকোনো কাজকে স্বাভাবিক চ্যালেঞ্জ

 

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০১৭
১৮ বার পঠিত হয়েছে

মানসিক চাপ যখন খুব বেশি

আপডেট এর সময় : ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০১৭

 

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সকাল থেকে ঘুমানোর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত জীবন যুদ্ধ করতে হয়। ফলশ্রুতিতে শরীর ও মনে বাসা বাঁধে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক এবং মানসিক চাপ বা স্ট্রেস। স্ট্রেস সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড.নাসরিন ওয়াদুদ বলেন, অতিরিক্ত শারীরিক অথবা মানসিক পরিশ্রমে আমরা যে মানসিক অবস্থা অনুভব করি তাই হচ্ছে মানসিক চাপ বা স্ট্রেস। এই চাপ আসতে পারে বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ উভয় দিক থেকেই। আসলে মানসিক চাপ একটি স্বাভাবিক ব্যাপার যা সব বয়সের মানুষের মধ্যেই থাকে।   আবার মানসিক চাপ সব সময় খারাপও না। বরং অল্প কিছু মানসিক চাপ থাকা ভালো। মানসিক চাপের জন্যই আমরা কর্মক্ষেত্রে, পড়াশোনায় কিংবা খেলাধুলায় ভালো করার চেষ্টা করে থাকি। তবে স্বাভাবিক মানসিক অবস্থা যেমন আমাদের সাফল্য এনে দিতে পারে তেমনি অতিরিক্ত মানসিক চাপ আমাদের মাঝে হতাশা এবং ডিপ্রেশনের জন্ম দিতে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো নিয়ন্ত্রণ করে অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম। অতিরিক্ত মানসিক চাপ অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেমের স্বাভাবিক কাজে বিঘ্ন ঘটায়। নিজেকে অপরাধী ভাবা, ক্লান্তি বোধ করা, মাথা ব্যথা, ঘুমের সমস্যা, কারণ ছাড়া হাসি বা কান্না অতিরিক্ত মানসিক চাপের উপসর্গ। নিজের দোষ অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা। যেকোন বিষয়ের খারাপ দিক খুঁজে বের করা। কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, মোটা হওয়া বা শুকিয়ে যাওয়া। উচ্চ রক্তচাপ, ঘন ঘন নিঃশ্বাস নেওয়া। হজম শক্তি কমে যাওয়া প্রভৃতি। মানসিক চাপ মোকাবেলায় আমাদের নিয়মিতভাবে সুষম খাবার খাওয়ার পাশাপাশি চা ও কফি কম খেতে হবে। প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুমেরও। এছাড়া কাজের চাপ নিতে হবে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী। মাঝে মাঝে কাজে বিরতি দিয়ে মন খুলে আনন্দ করতে হবে বা বাইরে কোথাও থেকে ঘুরে আসতে হবে। সমস্যাগুলোর ব্যাপারে বিশ্বস্ত কারো সাথে মন খুলে কথা বলতে হবে। পাশাপাশি যেকোনো কাজকে স্বাভাবিক চ্যালেঞ্জ