ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo নাগোয়ায় টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন তারেক রহমান Logo বালুরমাঠে এসআরবির অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৪ Logo কাজাখস্তানকে হারিয়ে আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনালি সাফল্য Logo ইনানীতে ৩২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন, গ্যাসকূপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাপেক্স Logo রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo শিশু-কিশোরদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা-স্ন্যাপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা Logo তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর Logo ইয়েমেনে জ্বালানি ও অক্সিজেন সংকটে হাসপাতাল, ঝুঁকিতে রোগীরা

মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক ডলার

প্রতিনিধির নাম :

 

জয়পুরহাট জেলায় দীর্ঘদিন যাবত অতন্ত সু-নামের সহিত দায়িত্বপালন করে আসছেন। দৈনিক স্বাধীন সংবাদ এর জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি ও মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটি রাজশাহী বিভাগ ও জয়পুরহাট জেলার সভাপতি এম এ কুদ্দুস ডলার সাংবাদিক একজন সাহসী মানবাধিকার কর্মী ও লেখক। ইতিমধ্যে কয়েকটি ইংরেজি বই লিখেছেন এবং প্রকাশ করেছেন। তার জনপ্রিয়তাই দেখে ইর্শান্নিত হয়ে কতিপয় দুষ্কৃতকারি প্রতারক জাতীয় গোয়ান্দা সংস্থা জয়পুরহাট জেলা এন এস আইর কাছে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দেয়। সূত্রে জানা যায় অভিযোগকারী লিখেছেন যে সাংবাদিক এম এ কুদ্দুস ডলার লেখপড়া জানে না। জাতীয় দৈনিক স্বাধীন সংবাদ ভ‚য়া এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির কোন লাইসেন্স নাই। অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাগন ডলারের অফিসে হঠাৎ পরিদর্শনের জন্য যায়। হঠাৎ এন.এস.আই কর্মকর্তদের দেখে সাংবাদিক ডলার আতঙ্কিত হয়ে জান। এন.এস.আই কর্মকর্তাদের প্রশ্নে তাৎক্ষনিকভাবে সঠিক জবাব দিতে না পারায় সাংবাদিক ডলারকে জয়পুরহাট থানায় নিয়ে যায়। বিসয়টি দৈনিক স্বাধীন সংবাদ অফিসকে জানালে দৈনিক স্বাধীন সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার মো: হেলাল উদ্দীন জয়পুরহাট সদর থানার ওসি মোঃ সেলিম হোসেনের কাছে চাইলে ওসি বলেন, এন.এস.আইএর লোকজন এম এ কুদ্দুস ডলার নামে একজনকে থানায় নিয়ে আসেন, বিষয়টি যেহেতু দেশের অন্যতম গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা নিয়ে এসেছে তাই যাচাই বাচাই করে আপনাদেরকে জানাবো।
ইতিমধ্যে জয়পুরহাট জেলা বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষজনের মধ্যে কৌতহল সৃষ্টি হয়। আর কুচক্রি প্রতারক অভিযোগকারী ভেজাই খুসি। বিসয়টি আবারও ওসির কাছে জানতে চাইলে ওসি মোঃ সেলিম হোসেন অতান্ত সদয় সহকারে শুনেন এবং বলেন বিষয়টি আমি আমার পুলিশ সুপারের স্যারের সাথে আলোচনা করছি, জাচাই বাছাই করছি। রাত্র অনুমানিক ৮.০০ টার সময় দৈনিক স্বাধীন সংবাদের সম্পাদক ও প্রকাশক ওসি জয়পুরহাট থানা কে সাংবাদিক ডলার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকলে তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন, জবাবে জয়পুরহাট সদর থানার ওসি মো: সেলিম হোসেন বলেন, দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার ডিক্লিয়ারেশন ও ডিএফপি নিবন্ধন সনদ এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির সনদপত্র তার ইমেলে পাঠানোর জন্য বলেন। সাথে সাথে দৈনিক সাধীন সংবাদ এর ইমেল থেকে স্বাধীন সংবাদের ডিক্লিয়ারেশন এর কপি ও ডিএফপি নিবন্ধন সনদ ও নিরক্ষা রির্পোট ও বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সনদ পাঠানো হয়। পাশাপাশি সাংবাদিক এম এ কুদ্দুস ডলারের সনদ পত্র থানায় জমা দেয়। পরবর্তিতে ওসি মো: সেলিম হোসেনের আন্তরিকতা ও সততার কারনে মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্তিপায় এম এ কুদ্দুস ডলার। দৈনিক স্বাধীন সংবাদ, অনলাইন দৈনিক আকাশ মিডিয়া ২৪.কম ও বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন মো: সেলিম হোসেনকে। পাশাপাশি তীব্রনিন্দা জানাই ঐ সব খারাপ কুচক্রি মিথ্যা অভিযোগ কারীদের।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮
১৯ বার পঠিত হয়েছে

মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক ডলার

আপডেট এর সময় : ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮

 

জয়পুরহাট জেলায় দীর্ঘদিন যাবত অতন্ত সু-নামের সহিত দায়িত্বপালন করে আসছেন। দৈনিক স্বাধীন সংবাদ এর জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি ও মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটি রাজশাহী বিভাগ ও জয়পুরহাট জেলার সভাপতি এম এ কুদ্দুস ডলার সাংবাদিক একজন সাহসী মানবাধিকার কর্মী ও লেখক। ইতিমধ্যে কয়েকটি ইংরেজি বই লিখেছেন এবং প্রকাশ করেছেন। তার জনপ্রিয়তাই দেখে ইর্শান্নিত হয়ে কতিপয় দুষ্কৃতকারি প্রতারক জাতীয় গোয়ান্দা সংস্থা জয়পুরহাট জেলা এন এস আইর কাছে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দেয়। সূত্রে জানা যায় অভিযোগকারী লিখেছেন যে সাংবাদিক এম এ কুদ্দুস ডলার লেখপড়া জানে না। জাতীয় দৈনিক স্বাধীন সংবাদ ভ‚য়া এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির কোন লাইসেন্স নাই। অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাগন ডলারের অফিসে হঠাৎ পরিদর্শনের জন্য যায়। হঠাৎ এন.এস.আই কর্মকর্তদের দেখে সাংবাদিক ডলার আতঙ্কিত হয়ে জান। এন.এস.আই কর্মকর্তাদের প্রশ্নে তাৎক্ষনিকভাবে সঠিক জবাব দিতে না পারায় সাংবাদিক ডলারকে জয়পুরহাট থানায় নিয়ে যায়। বিসয়টি দৈনিক স্বাধীন সংবাদ অফিসকে জানালে দৈনিক স্বাধীন সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার মো: হেলাল উদ্দীন জয়পুরহাট সদর থানার ওসি মোঃ সেলিম হোসেনের কাছে চাইলে ওসি বলেন, এন.এস.আইএর লোকজন এম এ কুদ্দুস ডলার নামে একজনকে থানায় নিয়ে আসেন, বিষয়টি যেহেতু দেশের অন্যতম গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা নিয়ে এসেছে তাই যাচাই বাচাই করে আপনাদেরকে জানাবো।
ইতিমধ্যে জয়পুরহাট জেলা বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষজনের মধ্যে কৌতহল সৃষ্টি হয়। আর কুচক্রি প্রতারক অভিযোগকারী ভেজাই খুসি। বিসয়টি আবারও ওসির কাছে জানতে চাইলে ওসি মোঃ সেলিম হোসেন অতান্ত সদয় সহকারে শুনেন এবং বলেন বিষয়টি আমি আমার পুলিশ সুপারের স্যারের সাথে আলোচনা করছি, জাচাই বাছাই করছি। রাত্র অনুমানিক ৮.০০ টার সময় দৈনিক স্বাধীন সংবাদের সম্পাদক ও প্রকাশক ওসি জয়পুরহাট থানা কে সাংবাদিক ডলার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকলে তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন, জবাবে জয়পুরহাট সদর থানার ওসি মো: সেলিম হোসেন বলেন, দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার ডিক্লিয়ারেশন ও ডিএফপি নিবন্ধন সনদ এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির সনদপত্র তার ইমেলে পাঠানোর জন্য বলেন। সাথে সাথে দৈনিক সাধীন সংবাদ এর ইমেল থেকে স্বাধীন সংবাদের ডিক্লিয়ারেশন এর কপি ও ডিএফপি নিবন্ধন সনদ ও নিরক্ষা রির্পোট ও বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সনদ পাঠানো হয়। পাশাপাশি সাংবাদিক এম এ কুদ্দুস ডলারের সনদ পত্র থানায় জমা দেয়। পরবর্তিতে ওসি মো: সেলিম হোসেনের আন্তরিকতা ও সততার কারনে মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্তিপায় এম এ কুদ্দুস ডলার। দৈনিক স্বাধীন সংবাদ, অনলাইন দৈনিক আকাশ মিডিয়া ২৪.কম ও বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন মো: সেলিম হোসেনকে। পাশাপাশি তীব্রনিন্দা জানাই ঐ সব খারাপ কুচক্রি মিথ্যা অভিযোগ কারীদের।