ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের রাতে লজ্জার রেকর্ড রোনালদোর Logo ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ Logo জিম্বাবুয়ের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে Logo চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিধসে ৫ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ ১২ Logo সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী Logo কবরে নেমপ্লেট লাগানো— ইসলাম কী বলে Logo অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে বেসরকারি ক্লিনিকে ডেলিভারি রুম স্থাপনের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহীর সাক্ষাৎ Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও গৌরবময় অর্জন।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আজ রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয় ও গৌরবের প্রতীক। তাই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করেই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সভায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনারও অবতারণা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চাইলে, তিনি বিনয়ের সঙ্গে তা গ্রহণ না করে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এ প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান না যে আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ফুল বিনিময়ের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় হোক।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে দেশে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা পালনের ক্ষেত্রেই বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ফুলের পেছনে ব্যয় হয়।

এতে তিনি অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তাই এমন ব্যয় এড়িয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, তিনি এই দায়িত্বে নতুন হলেও মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা নিয়ে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চান।

এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
১৮ বার পঠিত হয়েছে

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

আপডেট এর সময় : ০১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও গৌরবময় অর্জন।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আজ রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয় ও গৌরবের প্রতীক। তাই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করেই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সভায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনারও অবতারণা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চাইলে, তিনি বিনয়ের সঙ্গে তা গ্রহণ না করে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এ প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান না যে আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ফুল বিনিময়ের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় হোক।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে দেশে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা পালনের ক্ষেত্রেই বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ফুলের পেছনে ব্যয় হয়।

এতে তিনি অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তাই এমন ব্যয় এড়িয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, তিনি এই দায়িত্বে নতুন হলেও মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা নিয়ে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চান।

এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।